• ই-পেপার

চান্ডিমাল-ম্যাথুজকে নিয়ে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের, চ্যাম্পিয়ন ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক
হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের, চ্যাম্পিয়ন ভারত
ফাইনালে ভারতের কাছে হারার পর হতাশ মারিয়া-ঋতুপর্ণারা। ছবি : মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

এবার আর হলো না। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখতে পারল না বাংলাদেশ। ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে যাওয়ায় হ্যাটট্রিক ট্রফি জয়ের স্বপ্নও ভেস্তে গেছে মেয়েদের।

গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে কামব্যাক করলেও, দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের ৪২ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ভারতের হয়ে গোলটি করেন পেয়ারি জাজা। 

তবে ম্যাচে ফিরতি খুব একটা সময় নেয়নি বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঠান্ডা মাথায় বাঁ পায়ে ফিনিংশিং করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তাতে ১-১ সমতায় দুই দল বিরতিতে যায়।

কিন্তু বিরতি শেষ হতেই আবার পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। রেফারির বাঁশি বাজার প্রথম মিনিটেই গোল পায় ভারত। প্রথম গোলদাতা জাজার ক্রস থেকে হেডে গোলটি করেন ম্যাচসেরা সানফিদা। ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হওয়া বাংলাদেশ সুযোগ তৈরি করলেও সমতায় আর ফিরতে পারেনি। 

উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে ৮২ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে বাংলাদেশ। রক্ষণভাগের সুযোগটা কাজে লাগান লিয়ান্ডা কম। পরে আর ফেরা হয়নি মারিয়া মান্দা-আফঈদা খন্দকারদের। ২০২২ ও ২০২৪ সালে স্বাগতিক নেপালকে হারালেও এবার আরেক স্বাগতিক ভারতকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ।

ফুটবল মহাতারকা পরিবার

রোনালদোর যে স্বপ্ন পূরণের ভার ছেলের হাতে

ভানু গোপাল রায়
রোনালদোর যে স্বপ্ন পূরণের ভার ছেলের হাতে
পরিবারের সঙ্গে রোনালদো। ছবি : সংগৃহীত

তিনি সব জিতেছেন, শুধু বিশ্বকাপ ছাড়া! কে জানে সেই অজেয় আকাঙ্ক্ষাই হয়তো তাঁকে নিত্য তাড়া করে বেড়ায়! না হলে এই ৪১ বছর বয়সেও আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার মতো এতটা ঝরঝরে আর ফিট থাকেন কী করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো! অথচ আগের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়া পর্তুগিজ মহাতারকাকে দেখে অনেকে এই উপসংহারেও পৌঁছে গিয়েছিলেন যে আক্ষেপ নিয়েই বিদায় নিচ্ছেন তিনি। টানেলের ভেতর তাঁর দুই চোখ কোনো বাধাই যেন মানছিল না।

অথচ সেই রোনালদোই চার বছর পর ঠিকই বিশ্বমঞ্চে ফিরেছেন। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপেও নিজের ট্রফি উঁচিয়ে ধরার স্বপ্নকে তাড়া করবেন নিশ্চিতভাবেই। তবে আরেকটি স্বপ্নের কথাও সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন তিনি। অবশ্য সেই স্বপ্নপূরণে তাঁর নিজের তেমন কিছু করার নেই।

 

যা করার, করতে হবে রোনালদোর ছেলে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রকেই। তার বাবার খেলা ছাড়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। এদিকে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রও বয়সভিত্তিক পর্যায়ে প্রতিভা আর যোগ্যতার জানান দিয়ে ক্রমাগত উত্থানের সিঁড়ি ভাঙছে। বাড়ন্ত এই ছেলের সতীর্থ হিসেবে একই দলের হয়ে মাঠে নামার স্বপ্নও যে বুনে চলেছেন সিআরসেভেন, সেই ইচ্ছার কথাও এর মধ্যে বহুবার বলা হয়ে গেছে।

নিজের বড় ছেলের সঙ্গে পেশাদার ফুটবলে একই ক্লাবের হয়ে খেলার স্বপ্নের কথা এভাবেই বলতে শোনা গেছে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীকে, ‘ওর সঙ্গে খেলতে চাই আমি। যদিও চাওয়া পূরণের বিষয়টি আমার চেয়ে ওর হাতেই বেশি। কারণ সময় বয়ে যাচ্ছে, আমাকেও তো একদিন থামতে হবে।’

 

বাবার স্বপ্নপূরণে অবশ্য সঠিক পথেই আছে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র। ১৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে বাবার মতোই ছাপ রেখে চলেছে। গতির মতোই ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়েও দুর্দান্ত। লেফট উইঙ্গার হলেও ৬ ফুট ৩ ইঞ্চির ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র আক্রমণভাগের যেকোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে সক্ষম। বয়সভিত্তিক পর্যায়ের ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক আঙিনা, সবখানেই প্রতিভার ছাপ রাখছে সে। ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে তিনটি শিরোপা জিতেছে। এর মধ্যে ভ্লাতকো মাকোভিচ টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলও করে। এদিকে বাবার সৌদি প্রো লিগের দল আল নাসরের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে ২৭ ম্যাচে ৫৬ গোলও করা হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে আছে ১৫টি অ্যাসিস্টও। সম্প্রতি অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে হ্যাটট্রিকের সঙ্গে নিয়মিত গোলও করে যাচ্ছে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র।

বড় খবর হলো, ওর এমন পারফরম্যান্সে চোখ রাখছে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোও। এর মধ্যে আছে বাবার সাবেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও। ইউরোপের সংবাদমাধ্যমের দাবি, লস ব্ল্যাংকোসরা ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রের সঙ্গে চুক্তিও করতে পারে। ২০২৬ সালের মার্চে রিয়াল মাদ্রিদের অনূর্ধ্ব-১৬ দলের একাডেমিতে অনুশীলনও করে এসেছে সে। সেই সঙ্গে তার ওপর বাবার বর্তমান ক্লাব আল নাসরের নজর তো রয়েছেই। সম্প্রতি সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘আল উইয়াম’ জানিয়েছে, রোনালদোর বড় ছেলেকে ২০২৬-২৭ মৌসুমে মূল দলের অনুশীলনে যুক্ত করতে পারে আল নাসর। সংবাদ সত্যি হলে ছেলের সঙ্গে নিজের ট্রেডমার্ক উদযাপন ‘সিউউউ’ হয়তো হাতছোঁয়া দূরত্বেই থাকবে। সৌদি ক্লাবের সঙ্গে নতুন করে চুক্তিও করেছেন রোনালদো। ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত থাকছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। বাবা-ছেলের জুটি দেখার সময় তাই আছেই।

 

একসঙ্গে বাবা-ছেলের মাঠ মাতানোর নজির অবশ্য অনেকই আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রিভালদো এবং তাঁর ছেলে রিভালদিনহোর জুটি। এমনকি ২০১৫ মৌসুমে ব্রাজিলের ক্লাব মোগি মিরিমের হয়ে গোলও করেছেন বাবা-ছেলে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ী জর্জ ইস্টহ্যাম তো তাঁর বাবা জর্জ ইস্টহ্যাম সিনিয়রের সঙ্গে শিরোপাও জিতেছেন। ১৯৫৪ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের গোল্ডকাপে আর্ডস ক্লাবের হয়ে ট্রফি জেতেন তাঁরা। সুইডেনের হেনরিক লারসন-জর্দান লারসনের বাবা-ছেলের জুটি নিয়েও ফুটবলজগতে কম আলোচনা হয়নি।

অবশ্য শুধু ফুটবলেই নয়, অন্য খেলায়ও বাবা-ছেলের একসঙ্গে খেলার উদাহরণ রয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে একসঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী-হাসান ইসাখিল। গায়ানার হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট মাতিয়েছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল-তেজনারায়ণ চন্দরপল। এই তালিকায় বাংলাদেশের হয়ে আছেন রকিবুল হাসান-সাজিদুল হাসান। ১৯৯০-৯১ সালের ঢাকা লিগে ভিক্টোরিয়ার হয়ে খেলেছেন পিতা-পুত্র জুটি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি লেব্রন জেমস বাস্কেটবলের কোর্টে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন ছেলে ব্রনি জেমসকে।  

রোনালদো আর ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রের জুটি এখন সত্যি হওয়ার পথে। সেই স্বপ্ন পূরণ না হলে অন্য কোথাও জুটি গড়ার পরিকল্পনা কি করবেন রোনালদো? পর্তুগালের কোচ হয়ে ছেলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা? যদিও কোচ হওয়ার ইচ্ছা কখনোই পোষণ করেননি তিনি। তবে রোনালদোর মত ঘুরে যেতে কতক্ষণ!

২০২৬ বিশ্বকাপ

হাতি-গরিলারাও এখন জ্যোতিষী!

ক্রীড়া ডেস্ক
হাতি-গরিলারাও এখন জ্যোতিষী!
বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে দুই হাতি। ছবি : রয়টার্স

পল অক্টোপাসের কথা মনে আছে। ২০১০ বিশ্বকাপে নির্ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করছিল জলজ প্রাণীটি। আরেকটি বিশ্বকাপ শুরুর আগে এবার আরও অনেক প্রাণীই জ্যোতিষবিদ্যা চালাচ্ছে।

তেমনি ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে দুই হাতি। মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা চিড়িয়াখানার দুই হাতির সামনে আলাদা আলাদা খাবার ছিল। একদিকে মেক্সিকোর পতাকায় ছিল ঘাস। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পতাকায় ছিল সবুজ পাতা।

হাতি দুটি ধীর পায়ে লয়ে মেক্সিকোর পতাকার দিকে যায়। এতে ধরে নেওয়া হচ্ছে আগামী ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিতবে মেক্সিকো।

শুধু হাতিই নয়, ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য ‘চেনচি’ ও ‘ফাউস্তিনা’ নামে দুটি গরিলাকে হাজির করা হয়েছিল। স্পেন-উরুগুয়ের ২৬ জুনের ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী করেছে তারা। তাদের সামনে দুটি পাত্রে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ‘পিনিয়াতা’ (খাবার বা খেলনা ভরা রঙিন পাত্র)। এসব দেখে একটি গরিলা উরুগুয়ের জার্সির পাত্রের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে। 

এ ছাড়া ‘মুলুক’ নামে এক পুমা ও ৬টি জিরাফও নিজের পছন্দের জয়ী দলের নাম জানিয়ে দিয়েছে। পুমা চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়াকে জয়ী বলছে। অন্যদিকে জিরাফরা জানিয়েছে, কলম্বিয়ার বিপক্ষে জিতবে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো।

প্রাণীদের দিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী সামনেও চলবে বলে জানিয়েছেন গুয়াদালাহারা চিড়িয়াখানার কিপার ইভান রেইনোসো। এএফপিকে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচ নিয়ে এই প্রাণীরা তাদের মতো করে ভবিষ্যদ্বাণী করবে।’

রাহুল-গিলের সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক
রাহুল-গিলের সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ভারত
ছবি : বিসিসিআই

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনই চালকের আসনে ভারত। রাহুল-শুভমনের সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ৩৬৮ রান করে দিন শেষ করে গৌমত গম্ভীরের শিষ্যরা। 

নিউ চণ্ডীগড়ের মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন গিল। দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং রাহুলের শুরুটা ছিল খুব ধীর গতি। ম্যাচের ১২ তম ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ সালিমের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল মারতে গিয়ে ২৪ রানে আউট হন জয়সওয়াল।

আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুল ১১তম ওভারে শরিফির অফস্টাম্পের বাইরের বল রাহুলের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় উইকেটরক্ষক আফসার জাজাইয়ের কাছে। তিনি ক্যাচ ধরার পর আউটের আবেদন করেন আফগান ক্রিকেটাররা। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেননি। রাহুলও এমন ভাব করেন, যেন বল তাঁর ব্যাটে লাগেনি। প্রথম স্লিপে ফিল্ডিং করা রহমানুল্লাহ গুরবাজ অবশ্য ডিআরএস নেওয়ার কথা বলেন অধিনায়ক হাসমতুল্লা শাহিদিকে। কিন্তু আফগানিস্তানের অন্য ক্রিকেটাররা তেমন আত্মবিশ্বাসী না থাকায় রিভিউ নেননি শাহিদি। ফলে বেঁচে যান রাহুল। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনার পরিষ্কার আউট ছিলেন। 

১৬তম ওভারেও রাহুলের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন করেননি আফগান ক্রিকেটাররা। এ ক্ষেত্রেও আউট হতে পারতেন তিনি। দু’বার জীবন পেয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন রাহুল। 

ড্রিংস ব্রেকের পর মাঠে নেমে ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ইনিংসের ৬১তম ওভারে জিয়াউরের বলে স্লিপে গুরবাজের তালুবন্দি হয়ে ১০০ রানে সাজঘরে ফিরেন এই ওপেনার। 

তিন নম্বরে নামা সুদর্শনও শতরান করতে পারতেন। ২২ গজে থিতু হয়ে যাওয়ার পরও ৮১ রানে মোহাম্মদ সালিমের দ্বিতীয় শিকার হন সাই। তবে সহজ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সুযোগ নষ্ট করেননি অধিনায়ক শুভমন। দিনের শেষভাগে ৮২তম ওভারে ১৩৮ বল খেলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নেন ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক। ১০৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন গিল। 

ক্রিজে শুভমনের সঙ্গী ছিলেন উইকেটরক্ষক রিশভ পন্থ। তিনি অপরাজিত ছিলেন ৫০ রান করে। দিনের শেষে ভারতের রান ৩ উইকেটে ৩৬৮। আফগানিস্তানের কোনো বোলারই তেমন কোনো ব্রেক থ্রো এনে দিতে পারেননি। দিন শেষে আফগানিস্তানের বোলার সালিম ৬৭ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। অন্যদিনে ৬১ রানে ১ উইকেট নেন জিয়াউর।

চান্ডিমাল-ম্যাথুজকে নিয়ে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা | কালের কণ্ঠ