• ই-পেপার

৯ দল মাঠে নেমেছে: ভারতের জন্য বাড়তি সুবিধা আইসিসির?

হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে
জোড়া গোল করে নরওয়ের জয়ের নায়ক হালান্ড। ছবি : রয়টার্স

লিওনেল মেসি-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা জালের দেখা পেলে তো আর মন ভরবে না আর্লিং হালান্ডের। মনের খোরাক মেটানোর জন্য তারও দরকার গোল। নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে যেন গোলের পণ করেই মাঠে নামেন নরওয়ের তারকাও।

মেসি-এমবাপ্পের ম্যাজিকাল রাতে তাই ভাগ বসালেন হালান্ড। দুই কিংবদন্তির মতোই ম্যাচে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনিও। তার জোড়া গোলে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয় পেয়েছে নরওয়ে। এতে করে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে খেলবে নরওয়ে। ইরাকের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জোড়া গোল করেন হালান্ড। 

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজায় নরওয়ে। কিন্তু তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্ডি। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভ দেন তিনি। কর্নার থেকে নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ার গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। তবে তার হেড জালে জড়ানোর আগে অবিশ্বাস্যভাবে পা দিয়ে সেভ করেন সেনেগালের গোলরক্ষক।

৩৭ মিনিটে নরওয়েকে লিড এনে দেওয়ার সুর্বণ সুযোগ পেয়েছিলেন মার্টিন ওডেগার্ডও। বক্সের মধ্যে আর্লিং হালান্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে জোরাল ভলি নিয়েছিলেন আর্সেনালের মিডফিল্ডার। তবে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসা গোলরক্ষক মেন্ডির শরীরে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি তার।

বিরতিতে যাওয়ার ২ মিনিট আগে অবশ্য নরওয়েকে আনন্দে ভাসান মার্কাস পেডারসেন। ৪৩ মিনিটে তার নেওয়া ডান পায়ের শট এবারও অনেকটা ঠেকিয়েই দিয়েছিলেন মেন্ডি। তবে বলে পাওয়ার থাকায় হাতে লাগার পরেও জালে জড়ায়।

যোগ করা সময়ে ২-০ লিড পেতে পারত নরওয়ে। তবে হতাশ করে পোস্ট। ডান প্রান্ত থেকে গোলে শট নিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু তার শট কাছের পোস্টে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি। একই আক্রমণে আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সতীর্থর ক্রসে হেড নিয়েছিলেনও তিনি, তবে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ধরে ফেলেন মেন্ডি।

হতাশা নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান হালান্ড। সতীর্থ ওডেগার্ডের পাসে ৪৮ মিনিটে জোরাল শটে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া সেনেগাল ম্যাচে ফেরে ৫৩ মিনিটে। সাদিও মানের পাস থেকে ব্যবধান কমান ইসমাইলা সার।

তবে গোল ব্যবধান কমানোর আনন্দ বেশিক্ষণ উপভোগ করা হয়নি সেনেগালের। ৫৮ মিনিটে যে জোড়া গোল করেন হালান্ড। প্যাট্রিক বার্গের ক্রসকে পেনাল্টি স্পট থেকে সাইড-ফুটেড ভলিতে গোলটি করেন হালান্ড।

৮৮ মিনিটে হ্যাটট্রিকের খুব কাছে গিয়েছিলেন হালান্ড। তার শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে ব্লক না হলে বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়েই জেতেন তিনি। ৯০ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক সেভ দেন সেনেগালের আরেক ডিফেন্ডার পাথে চিস। অস্কার ববের জোরাল এক শট গোল লাইন থেকে হেডে বাঁচিয়ে দেন।

বিপরীতে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আরেকটি গোল করে ম্যাচ জমানোর ইঙ্গিত দেন সার। নিকোলাস জ্যাকসনের অ্যাসিস্টে বক্স থেকে গোল করে। তবে গোলটিতে ব্যবধান ৩-২ হলেও সমতায় ফেরা হয়নি সেনেগালের।

এ জয়ে ফ্রান্সের পর গ্রুপ ‘আই’ থেকে নকআউট নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। উভয় দলই টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। তবে পয়েন্ট সমান ৬ হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ফ্রান্স শীর্ষে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কারা হবে সেটা নির্ভর করবে আগামী ২৭ জুনের ম্যাচে। সেদিন বোস্টনে মুখোমুখি হবে নরওয়ে-ফ্রান্স।

এমবাপ্পের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক
এমবাপ্পের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স
ফ্রান্সের জয়ের নায়কদ্বয় এমবাপ্পে-দেম্বেলে ছবি : রয়টাস।

প্রতিপক্ষ বদলালেও গোল ঠিকই আদায় করে নিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেটিও একটি নয়, দুটি। অর্থাৎ, সেনেগালের বিপক্ষে করা জোড়া গোলের পারফরম্যান্সের হাইলাইটসই যেন দেখালেন তিনি। তার জোড়া গোলে ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের জয় পেয়েছে ফ্রান্স। বাকি গোলটি করেছেন উসমান দেম্বেলে।

ফিলাডেলফিয়ায় জোড়া গোল করে কীর্তিও গড়েছেন এমবাপ্পে। প্রথম গোলে রোনালদো নাজারিওর পাশে বসার পর দ্বিতীয় গোল তাকে পেছনে ফেলে মিরোস্লাভ ক্লোসার কীর্তি স্পর্শ করেছেন। জার্মান কিংবদন্তির ১৬ গোলের কীর্তি ছুঁয়েছেন।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে করা এমবাপ্পের গোলটি ছিল অবিশ্বাস্য। বিশ্বাস না হলে ২০ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ে করা তার গোলটি একবার হাইলাইটস দেখলেই বুঝতে পারবেন। বাঁকানো শটটি যতই দেখবেন ততই মুগ্ধ হবেন। গোলটির এমনি শক্তি।

ফ্রান্সের হয়ে ১০০তম ম্যাচ রাঙানোর জন্য আর কি-ই-বা লাগে। তার গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ইরাকের বিপক্ষে বিরতিতে যায় ফ্রান্স। 

৪১ মিনিটে জোড়া গোল পেতে পারতেন এমবাপ্পে। শরীরকে দারুণভাবে স্পিন করিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন তিনি। তবে শট নেওয়ার মুহূর্তে হুসেইন আলি স্লাইড দিয়ে বলকে থামালে আর গোলটি পাওয়া হয়নি এমবাপ্পের।

দলকে লিড এনে দেওয়া গোলে একটা কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় রোনালদো নাজারিওকে ছুঁয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। ইরাকের বিপক্ষে করা তার প্রথম গোলটি বিশ্বকাপে ১৫তম। সমান গোল ব্রাজিল কিংবদন্তিরও। 

বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে প্রায় ২ ঘণ্টা পর ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয়। ম্যাচ শুরু হতেই দ্বিতীয় গোলের দেখা পান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের অধিনায়ক গোলটা অনেকটা উপহারই পান প্রতিপক্ষ ইরাকের কাছ থেকে। ৫৪ মিনিটে ডিফেন্ডার আহমেদ কাসেম গোলরক্ষক বাসিলকে বল দিলে, তা ধরতে না পারায় উসমাল দেম্বেলের পায়ে যায়। বক্সের মধ্যে থেকে ফাঁকা পোস্টে বল জালে জড়াতে ভুল করলেন না এমবাপ্পে।

তাতে রোনালদোকে (১৫ গোল) পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় দুইয়ে জায়গা করে নেন এমবাপ্পে। তার সঙ্গে অবশ্য দুইয়ে আছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসা। দুজনের গোল এখন ১৬। সবার ওপরে আছেন ১৮ গোলের মালিক লিওনেল মেসি।

জোড়া গোলের নায়ক এমবাপ্পের নামের পাশে ৫৮ মিনিটে একটা অ্যাসিস্টও থাকতে পারত। মাইকেল ওলিসে বুটের মাথা দিয়ে দারুণ এক চিপও করেছিলেন। তবে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বার। 

৬৬ মিনিটে অবশ্য সতীর্থ দেম্বেলেকে দিয়ে গোল করিয়ে নিজের হতাশা কিছুটা কমান ওলিসে। বক্সের মধ্যে থাকা দেম্বেলেকে পাস বাড়ালে গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে পেরিয়ে ডান পায়ে জোরাল শট নেন পিএসজির ফরোয়ার্ড। তাতে ৩-০ লিড পায় ফ্রান্স। এবারের বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেই মাঠ ছাড়েন দেম্বেলে। তার বদলি হিসেবে মাঠে নামে দেজিরে দুয়ে।

৭৫ মিনিটে ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ইরাক। তবে আল হামাদির ভলি অল্পের জন্য বাঁ পোস্ট ঘেঁষে বাইরে যায়। বিপরীতে ৮০ মিনিটে হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন এমবাপ্পে। যদি ঠিক মতো ভলিটা ইরাকের জালে রাখতে পারতেন। 

ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তেও হ্যাটট্রিক পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। সতীর্থর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে দৌড়ে পরাস্ত করে শুধু ফিনিশিংটা করতে পারলেন না। বাঁ পায়ের শটটা পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে উড়ে গেল। সেই শটের পর নিজেও বদলি হন।

পরে আর গোল না হওয়ায় ৩-০ গোলের জয় পায় ফ্রান্স। এ জয়ে নকআউটও নিশ্চিত করে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে তারা।

জানা গেল ফ্রান্স-ইরাক স্থগিত ম্যাচ শুরুর সময়

ক্রীড়া ডেস্ক
জানা গেল ফ্রান্স-ইরাক স্থগিত ম্যাচ শুরুর সময়
বৃষ্টি ও বজ্রপাতের শঙ্কায় ম্যাচ সাময়িক বন্ধ ছিল। ছবি : রয়টার্স

বিরতির সময় শেষ হয়ে আরও প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি পেরিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ম্যাচ ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতে যাচ্ছে। বৃষ্টি কিছুটা কমে আসায় এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা না থাকায় আবার শুরু হচ্ছে ম্যাচটি। ম্যাচ শুরু হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ সময় ভোর ৫ টা ৫০ মিনিট।

এর আগে ম্যাচ স্থগিত থাকে প্রকৃতির বাধায়। ভারি বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় ম্যাচ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। ম্যাচ শুরু হওয়া নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, ‘নিরাপদ মনে হলেই ম্যাচ আবার শুরু করা হবে।’

অন্যদিকে স্টেডিয়াম মাইকে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছিল, ‘এই মুহূর্তে এলাকাজুড়ে খারাপ আবহাওয়া বিরাজ করছে। তাই ম্যাচ এখনো স্থগিত রয়েছে।’

সঙ্গে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের বড়স্ক্রিনে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ‘প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে দেরি হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় খেলা শুরু হবে। দর্শকদের নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।’

নিয়ম হচ্ছে, স্টেডিয়ামের ৮-১০ মাইলের মধ্যে বজ্রপাত হলে ম্যাচ স্থগিত থাকবে। নতুন করে খেলা শুরু করার জন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে কোনো বজ্রপাত না হওয়ার শর্ত থাকতে হবে। আর এ সময়ের মধ্যে যদি আবারও বজ্রপাত হয়, তবে নতুন করে আরও ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর খেলা শুরু করা হবে। 

এর আগে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ইরাকের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।

গোলে রোনালদোকে ছুঁলেন এমবাপ্পে, এগিয়ে থেকে বিরতিতে ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক
গোলে রোনালদোকে ছুঁলেন এমবাপ্পে, এগিয়ে থেকে বিরতিতে ফ্রান্স
ফ্রান্সকে লিড এনে দেওয়া গোলটি করেছেন এমবাপ্পে। ছবি : রয়টার্স

শুধু লিওনেল মেসিই নন, বিশ্বকাপে উড়ছেন কিলিয়ান এমবাপ্পেও। পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শক-সমর্থকদের বিমোহিত করে চলছেন তিনি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে করা অপূর্ব গোলটি মুগ্ধতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ম্যাচের ১৪ মিনিটের গোলটি সত্যি অবিশ্বাস্য। বিশ্বাস না হলে ২০ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ে করা এমবাপ্পের গোলটি একবার হাইলাইটস দেখে নিতে পারেন। বাঁকানো শটটি যতই দেখবেন ততই মুগ্ধ হবেন। গোলটির এমনি শক্তি। তাতে ফ্রান্সের হয়ে ১০০তম ম্যাচ গোলে রাঙালেন তিনি। তার গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ইরাকের বিপক্ষে বিরতিতে গেছে ফ্রান্স।

৪১ মিনিটে জোড়া গোল পেতে পারতেন এমবাপ্পে। শরীরকে দারুণভাবে স্পিন করিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন তিনি। তবে শট নেওয়ার মুহূর্তে হুসেইন আলি স্লাইড দিয়ে বলকে থামালে আর গোলটি পাওয়া হয়নি এমবাপ্পের। 

দলকে লিড এনে দেওয়া গোলে একটা কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় রোনালদো নাজারিওকে ছুঁয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। ইরাকের বিপক্ষে করা তার প্রথম গোলটি বিশ্বকাপে ১৫তম। সমান গোল ব্রাজিল কিংবদন্তিরও। 

যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন এমবাপ্পে-রোনালদো। তাদের ওপরে আছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা ও লিওনেল মেসি। ১৬ গোল নিয়ে দুইয়ে আছেন জার্মান কিংবদন্তি। তাকে আজ রাতেই ছাড়িয়ে গেছেন মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে এখন চূড়ায় এখন মেসি। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের গোল ১৮। 

৯ দল মাঠে নেমেছে: ভারতের জন্য বাড়তি সুবিধা আইসিসির? | কালের কণ্ঠ