• ই-পেপার

সাকিব এমনি এমনিই নাম্বার ওয়ান হয়নি : আইসিসি

ওলিসের জন্য রেকর্ড প্রস্তাবের প্রস্তুতি রিয়াল মাদ্রিদের

ক্রীড়া ডেস্ক
ওলিসের জন্য রেকর্ড প্রস্তাবের প্রস্তুতি রিয়াল মাদ্রিদের
মাইকেল ওলিসে। ছবি : সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী ‘গ্যালাকটিকো’ হতে পারেন মাইকেল ওলিসে। ফরাসি এই উইঙ্গারকে দলে ভেড়াতে রেকর্ড অঙ্কের প্রস্তাব প্রস্তুত করছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় গণমাধ্যম সেন্ট্রাল ডিফেন্সা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওলিসেকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আনতে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরোর সমমূল্যের একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে পুরো অর্থ নগদে নয়, চুক্তির অংশ হিসেবে দলের দুই ফরাসি মিডফিল্ডার অরেলিয়েন চুয়ামেনি কিংবা এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার একজনকে ছাড়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ দীর্ঘদিন ধরেই ওলিসের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ। বিশ্বকাপেও দারুণ ছন্দে থাকা এই তারকাকে ভবিষ্যতের অন্যতম সেরা আক্রমণভাগের অস্ত্র হিসেবে দেখছে ক্লাবটি। সে কারণেই তাকে দলে ভেড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগে প্রস্তুত লস ব্লাঙ্কোরা।

জানা গেছে, বায়ার্ন মিউনিখ অতীতেও চুয়ামেনি ও কামাভিঙ্গার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওলিসের ট্রান্সফার ফি কমানোর পরিকল্পনা করছে রিয়াল। চুয়ামেনির বাজারমূল্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো এবং কামাভিঙ্গার মূল্য ধরা হচ্ছে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ইউরো।

তবে এখনো বায়ার্ন ওলিসেকে ছাড়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। জার্মান ক্লাবটি তাদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে চাইলেও রিয়াল শিবির আশাবাদী, বিশ্বকাপ শেষে ওলিসে যদি নিজেই মাদ্রিদে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহলে আলোচনার পথ সহজ হবে।

জার্মানিকে হটিয়ে ফের বিশ্বকাপে রেকর্ড ব্রাজিলের, ধারে কাছে নেই বাকিরা

ক্রীড়া ডেস্ক
জার্মানিকে হটিয়ে ফের বিশ্বকাপে রেকর্ড ব্রাজিলের, ধারে কাছে নেই বাকিরা
ছবি : রয়টার্স

মাঠের ট্রফি জয়ের লড়াই তো আছেই, তবে চলতি বিশ্বকাপে সমান্তরালভাবে চলছে এক অন্যরকম রাজকীয় মর্যাদার লড়াই। ফুটবল মহাযজ্ঞের ইতিহাসে দলগতভাবে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজেদের করে নেওয়ার এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ দ্বৈরথে মেতেছে দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও জার্মানি।

রেকর্ডের এই ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে সিংহাসনটা কেড়ে নিয়েছিল জার্মানি। তবে জার্মানদের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি সেলেসাওরা। হাইতির বিপক্ষে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার মুকুট আবারও নিজেদের মাথায় পরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলে ব্রাজিল। আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয় তারা। ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে একাই জোড়া গোল করে স্পটলাইট কেড়ে নেন ফরোয়ার্ড ম্যাথিউস কুনহা। এই ৩ গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিলের মোট গোলসংখ্যা এখন ২৪১টি। ফলে ২৩৯ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা জার্মানির চেয়ে ২ গোল এগিয়ে থেকে আবারও চূড়ায় বসল সেলেসাওরা। 

ব্রাজিল ও জার্মানি যখন গোলের ডাবল সেঞ্চুরি পার করে আড়াইশর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, সেখানে বাকি পরাশক্তিরা রয়েছে অনেক পিছিয়ে। চলতি আসরে আলজেরিয়ার বিপক্ষে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোখধাঁধানো হ্যাটট্রিকের পর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫-তে। তালিকায় তারা অবশ্য তৃতীয় অবস্থানেই রয়েছে। অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পেদের দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্সের গোলসংখ্যা এখন ১৩৯। এদিকে ১২৮ গোল নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে টানা তৃতীয় বারের মতো বিশ্বকাপে দর্শকের ভূমিকায় থাকা ইতালি। 
 

মেসির সেই ট্যাকল নিয়ে ফিফার কাছে নালিশ করল আলজেরিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির সেই ট্যাকল নিয়ে ফিফার কাছে নালিশ করল আলজেরিয়া
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর রেফারিং নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে আলজেরিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এএফএফ)।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্দির ডান পায়ে ট্যাকল করেন মেসি। তবে পোলিশ রেফারি সিজমন মারচিনিয়াক ফাউলের বাঁশি বাজালেও মেসিকে কোনো কার্ড দেখাননি।

এই ঘটনাটি ঘটে মেসির প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মাঝখানে। পরে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের জয় এনে দেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা।

আলজেরিয়ার দাবি, মেসির ওই ট্যাকল ছাড়াও আরো দুটি ঘটনায় তাদের খেলোয়াড়দের কনুই দিয়ে আঘাত করা হলেও রেফারি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি। বিষয়গুলো নিয়েই ফিফার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

ম্যাচ শেষে আলজেরিয়ার কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচও রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'সবাই ঘটনাটি দেখেছে। আমি নিজেও দেখেছি। এর বেশি কিছু বলার নেই।'

তবে অনেকের মতে, ঘটনাটি বিতর্কিত হলেও সরাসরি লাল কার্ড দেওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তাদের ভাষ্য, ট্যাকলটি বিপজ্জনক দেখালেও এতে ইচ্ছাকৃত আঘাতের প্রমাণ বা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না।

তবু ধীরগতির রিপ্লেতে দেখা যায়, মেসির ট্যাকল সরাসরি মান্দির পায়ে লাগে। তাই অনেকের মতে, ভিএআর রিভিউয়ের জন্য রেফারিকে মনিটরে ডাকা হলে সিদ্ধান্ত ভিন্নও হতে পারত।

মেসির হ্যাটট্রিকে ম্যাচ জিতলেও এই ট্যাকল নিয়ে বিতর্ক এখনো থামেনি। ফিফা অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও বিষয়টি বিশ্বকাপে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ব্রাজিল তারকা রাফিনিয়ার চোট কতটা গুরুতর

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিল তারকা রাফিনিয়ার চোট কতটা গুরুতর
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে ব্রাজিল। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচে জোড়া গোল করে সেলেসাওদের জয়ের নায়ক মাতেউস কুনিয়া। তবে এমন দাপুটে জয়ের দিনেও ব্রাজিল শিবিরে আনন্দের চেয়ে বিষাদের সুরটাই বেশি ভারী। কারণ, দল জিতেছে ঠিকই, কিন্তু হারিয়ে ফেলেছে তাদের অন্যতম সেরা অস্ত্র রাফিনিয়াকে। ম্যাচের প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বার্সেলোনার এই অভিজ্ঞ উইঙ্গারকে। 

ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতির রক্ষণভাগে কাঁপুনি ধরিয়েছিলেন রাফিনিয়া। ১২তম মিনিটে বল জালে জড়িয়ে উদযাপনেও মেতেছিলেন, কিন্তু অফসাইডের কাটাকাতায় বাতিল হয় সেই গোল। তবে সেই আক্ষেপের চেয়েও বড় ধাক্কাটা আসে ম্যাচের ৪০তম মিনিটে। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর আর খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। চিকিৎসকদের সহায়তায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই তারকা।

প্রাথমিক সূত্র ও স্টেডিয়ামে উপস্থিত সাংবাদিকদের দেওয়া তথ্যমতে, রাফিনিয়ার এই চোট নতুন কিছু নয়। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ ক্লাব মৌসুমের শেষভাগে যে পুরোনো চোট তাকে ভুগিয়েছিল, এবারও ঠিক একই জায়গায় আঘাত পেয়েছেন তিনি। ব্রাজিলের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের এক্সক্লুসিভ ফুটেজেও তার পুরোনো চোটের জায়গায় অস্বস্তির চিত্র ফুটে উঠেছে।

এর আগে গত মার্চেও জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় একই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছিলেন রাফিনিয়া। সেবার প্রায় দেড় মাস মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। যার খেসারত দিতে হয়েছিল তার ক্লাব বার্সেলোনাকেও। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দুটি মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও সেই পুরোনো চোট ফিরে আসায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ব্রাজিলের টিম ম্যানেজমেন্টের।

রাফিনিয়ার এই ছিটকে যাওয়া সেলেসাওদের বিশ্বকাপ মিশনকে কতটা বাধাগ্রস্ত করবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শিষ্যের চোট নিয়ে নীরবতা ভেঙে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিশ্বকাপে রাফিনিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে পরবর্তী মেডিকেল রিপোর্টের ওপর।

আনচেলত্তি বলেন, ‘আগামীকাল রাফিনিয়ার চোটের জায়গায় বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা (স্ক্যান) করা হবে। এই মুহূর্তে আসলে চোটের গভীরতা কতটা, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আমাদের মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা করতেই হবে।’ 

সাকিব এমনি এমনিই নাম্বার ওয়ান হয়নি : আইসিসি | কালের কণ্ঠ