• ই-পেপার

মব দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো শুধু গণতন্ত্রের জন্য নয় বরং রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি : জিল্লুর রহমান

এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

অনলাইন ডেস্ক
এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, এমপি হানজালারে চিরিয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিরিয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কীভাবে এমপি হলো?

রাশেদ লেখেন, এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিল আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিলো? আজকাল এসব লোকদের এত বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মতো ট্রিট করে।

তিনি আরো লেখেন, হানজালাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে ওরাই ক্ষমতায় আর বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপির দুর্ভাগ্য যে, এদের হজম করা লাগছে। রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট না থাকলে আমি নিশ্চিত ঐ বিএনপি নেতা এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নীচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিত।

মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি : মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি : মাহফুজ আলম
ফাইল ছবি

মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, মধ্যবিত্ত প্রশ্ন (কালচার ও পলিটিক্যাল ইকোনমি) জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি। বিপ্লব/রূপান্তরের ‘স্তর’ না বুঝে ‘মুরব্বি’দের উসকানিতে পড়ে তাঁরা ঢাকা শহর-মফস্বলকে ধীরে ধীরে নিজেদের জন্য মিত্রহীন করেছেন। সেসব মুরব্বিরা ভালো আছেন।

তিনি লেখেন, মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণ ছাড়া জুলাই আরেকটা বড় আকারের ‘শাপলা’ হতো।

তিনি আরো লেখেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদই এখন পর্যন্ত মধ্যবিত্ত প্রশ্ন মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদও ব্যর্থ হয়েছে। ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ প্রমাণ।

মাহফুজ আলম বলেন, এখনো সময় আছে ম্যাক্সিমাম মিত্রতা তৈরি করে জুলাইয়ের রাষ্ট্রকল্পকে প্রধান করে তোলার।

ফেসবুকে রাশেদ খান

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে
রাশেদ খান।

খুব শিগগির বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। জামায়াতের এই পতনের জন্য তাদের নেতাকর্মীরা দায়ী হবেন বলেও জানান রাশেদ।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন তিনি।

যৌক্তিক সমালোচনা করার জন্য প্রতিনিয়ত তাকে গালাগাল করা হয় বলে দাবি করেন রাশেদ খান। উদাহরণ হিসেবে তিনি একটি স্ক্রিনশর্ট শেয়ার করেন ফেসবুক পোস্টে।

রাশেদ খান বলেন, ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাব। মূলত আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু এই গালিবাজরা বুঝতেছে না,  সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের পতন ঘণ্টা বাজা শুরু হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা ইতিপূর্বে শুধু সরকারি দলের পতন দেখেছি। কিন্তু এবার ভিন্নতা ঘটবে। ইতিমধ্যে পতনের ঘণ্টা বাজা শুরু হয়ে গেছে। তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান। তারা যত মুখ খুলবে, তত তাদের ভুল ও অযোগ্যতা বের হয়ে আসবে।

রাশেদ খান বলেন, খুব শিগগির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধী দল জামায়াতের নির্মম পতন হবে। আর এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি
ভিডিও থেকে নেওয়া

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন বাংলাদেশি দুই যুবক। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দেখা যায় দুই বাংলাদেশি যুবক দেশে ফিরতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীর সহযোগিতা চান।

ভিডিও বার্তায় শোনা যায়, এক যুবক অপরজনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন—মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন। উনার বাড়ি চাঁদপুর। তাবে তার পরিচয় দেননি তিনি।

বাঁচার আকুতি জানিয়ে ভিডিও বার্তায় তারা বলেন, আপনার কাছে একটা অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। চেষ্টা করেন। যেকোনো সময় আমাদের ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেবে। আমরা মারা যেতে পারি যেকোনো সময়। ড্রোন হামলায়, গ্রেনেড হামলা অথবা মাইনে পা পড়ে মারা যেতে পারি। এভাবে মৃত্যু চাই না আমরা। আমরা চাই আমাদের মৃত্যুর পরে আমাদের জানাজা হোক। এভাবে শিয়াল কুকুরের মতো আমরা মরতে চাই না।

তারা বলেন, আমরা ৩০ জন লোক একসাথে রাশিয়াতে আসছিলাম। ৩০ জন একসাথে আসার পরে আমাদের এজেন্সি দুজন রাশিয়ানের হাতে তুলে দেয়। তারা আমাদেরকে কম্পানিতে কাজ দেবে, কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ দেবে—এই সমস্ত কথাবার্তা বলে আমাদেরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দিয়েছে। 

এখানে আসার পরে আমাদের একটা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ১৪ জনকে এক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। আর আমাদের ১৬ জনকে আরেক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এখানে নিয়ে আসার পর আমাদেরকে তিন থেকে চার দিন ট্রেনিংয়ে পাঠানোর পর পাঁচজন-ছয়জন করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়েছে যুদ্ধ করার জন্য। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা বলেন, আমাদের এখান থেকে ১২ জন মানুষ মারা গেছে। আমরা চারজন এখন জীবিত আছি। তবে আমরা চারজনই আহত। এই যে মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন, উনার বাড়ি চাঁদপুরে। উনি মাথায় ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। আমি বাম হাতে আঘাত পেয়েছি। এখন আপনাদের কাছে, দেশবাসীর কাছে একটাই অনুরোধ, দেশের সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। আমাদেরকে রক্ষা করুন। হেল্প করুন।

মব দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো শুধু গণতন্ত্রের জন্য নয় বরং রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি : জিল্লুর রহমান | কালের কণ্ঠ