kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

বিশ্বসাহিত্য

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



মিলান কুন্ডেরা

নব্বইয়ে সম্মানিত কুন্ডেরা

সাবেক চেকোস্লোভাকিয়ায় জন্ম নেওয়া ফরাসি লেখক মিলান কুন্ডেরা গত ১ এপ্রিল ৯০ বছরে পা দিয়েছেন। আর এ সময়েই তাঁকে স্লোভেনিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘গোল্ডেন অর্ডার অব মেরিট’ প্রদান করা হলো। স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরুত পাহোরের কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, স্লোভেনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনে অকুণ্ঠ সমর্থন এবং অসাধারণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে কুন্ডেরাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। কুন্ডেরা ১৯৭৫ সাল থেকে ফ্রান্সে বসবাস করছেন। ১৯২৯ সালে সাবেক চেকোস্লোভাকিয়ায় জন্ম নেওয়া কুন্ডেরার ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত ‘দ্য বুক অব লাফটার অ্যান্ড ফরগেটিং’ বইয়ে চেকোস্লোভাকিয়ার কমিউনিস্ট শাসনাধীনে মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়। ওই বছরই চেকোস্লোভাকিয়া সরকার কুন্ডেরা ও তাঁর স্ত্রী ভেরার নাগরিকত্ব বাতিল করে। কিছুদিন আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির শতবর্ষ উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্যারিসে যান চেক রিপাবলিকের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ ব্যাবিস। সে সময় তিনি জানান, কুন্ডেরার চেক রিপাবলিকের নাগরিকত্ব পুনর্বহালের চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু চেক রিপাবলিকের নাগরিকত্ব ফেরত নেওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দেন ‘দ্য জোক’, ‘দি আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং’, ‘লাইফ ইজ এলসহোয়্যার’ ইত্যাদি বইয়ের স্রষ্টা কুন্ডেরা। সর্বশেষ তিনি চেক রিপাবলিকে যান ২২ বছর আগে।

ওলগা টোকারচুক

বুকার ইন্টারন্যাশনালের সংক্ষিপ্ত তালিকা

‘ফ্লাইটস’ উপন্যাসের জন্য গত বছর বুকার ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার পেয়েছিলেন পোলিশ ঔপন্যাসিক ওলগা টোকারচুক। টোকারচুকের ‘ড্রাইভ ইউর প্লাউ ওভার দ্য বোনস অব দ্য ডেড’ উপন্যাসটি এ বছরের বুকার ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কারের জন্য মনোনীত বইয়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছে। সম্প্রতি এ তালিকা ঘোষণা করা হয়। টোকারচুকের বইটি পোলিশ ভাষা থেকে অনুবাদ করেছেন অ্যান্টোনিয়া লয়েড-জোনস। তালিকার অন্য বইগুলো হচ্ছে—ওমানের জোখা আলহারথির ‘সেলেস্টিয়াল বডিস’ (অনুবাদ : মেরিলিন বুথ), ফ্রান্সের অ্যানি আর্নক্সের ‘দ্য ইয়ারস’ (অনুবাদ : অ্যালিসন স্ট্রেয়ার), জার্মানির মারিয়ন পশম্যানের ‘দ্য পাইন আইল্যান্ডস’ (অনুবাদ : জেন কালেজা), কলম্বিয়ার হুয়ান গাব্রিয়েল ভাসকুয়েসের ‘দ্য শেপ অব দ্য রুইনস’ (অনুবাদ : অ্যান ম্যাকলিন) এবং চিলির আলিয়া ত্রাবুকো জেরানের ‘দ্য রিমাইন্ডার’ (অনুবাদ : সোফি হিউজ)। এবারের তালিকায় স্থান পাওয়া ছয় লেখকের পাঁচজনই নারী। ৫০ হাজার পাউন্ড অর্থমূল্যের পুরস্কারজয়ীর নাম আগামী ২১ মে লন্ডনে এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ঘোষণা করা হবে। পুরস্কারের অর্থ লেখক ও অনুবাদকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে।

 শেকসপিয়ার 

শেকসপিয়ারের বাড়ি

লন্ডনের ঠিক কোন বাড়িতে বসে উইলিয়াম শেকসপিয়ার তাঁর কালজয়ী রচনাগুলো লিখেছিলেন, সে সম্পর্কে এত দিন নিশ্চিত ছিলেন না গবেষকরা। সম্প্রতি থিয়েটার-সংক্রান্ত ইতিহাসবিদ জিওফ্রে মার্শ দাবি করেছেন, লন্ডনে শেকসপিয়ারের সেই বাড়িটির খোঁজ তিনি পেয়েছেন। ওই বাড়িতেই সৃষ্টি হয়েছিল মহাকবি ও নাট্যকারের ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ কিংবা ‘আ মিডসামার নাইটস ড্রিম’-এর মতো বিখ্যাত রচনাগুলো। এত দিন মনে করা হতো, ১৫৯৭-১৫৯৮ সালের দিকে শেকসপিয়ার ইস্ট লন্ডনের একটি বাড়িতে থাকতেন। জায়গাটিতে এখন লিভারপুল স্ট্রিট স্টেশন অবস্থিত। কিন্তু জিওফ্রে মার্শ নানা দিক থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের সাহায্যে জোর দিয়ে বলছেন, ওই তথ্য সঠিক নয়। আসল বাড়িটি সেন্ট হেলেন গির্জার সমাধিস্থলের কাছে অবস্থিত। মার্শ বলেন, কিছু প্রমাণ থেকে দেখা যাচ্ছে, ১৫৯০ সালে সেন্ট হেলেনের চার্চ লাগোয়া সমাধিক্ষেত্রের আড়ালে একটি জায়গায় থাকতেন শেকসপিয়ার। কম্পানি অব লেদারসেলার্সের ভাড়াটে ছিলেন। ‘লন্ডনের যেখানে  শেকসপিয়ার থাকতেন, তাঁর কাজ ও জীবনে সেই জায়গাটি থেকে তিনি কিভাবে অনুপ্রেরণা পেতেন, সেটা আমাদের বুঝতে সুবিধা হবে।’

►রিয়াজ মিলটন

মন্তব্য