• ই-পেপার

বসুন্ধরার কম্বল পাইছি, 'একুন আর শীত নি ভয় নাইকো'

লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ

নাঈম রহমান, লালমনিরহাট
লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্লাস্টিকদূষণ রোধে সচেতনতামূলক ‘প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ রক্ষা, বৃক্ষরোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল জমা দিয়ে বিনিময়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা সংগ্রহ করেন। কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে প্লাস্টিক জমা দিয়ে গাছের চারা গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার উপদেষ্টা এন্তাজুর রহমান ও তন্ময় আহমেদ নয়ন, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সজীব চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, সহসাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র বর্মন, দপ্তর সম্পাদক মো. মুশফিকুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মো. আশিদুল হাবিব, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শ্যামা রানী, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব রহমান, কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মোমেনা খাতুন সাথী এবং সদস্য আমির হামজা আকাশসহ অন্য স্বেচ্ছাসেবীরা।

বক্তারা বলেন, প্লাস্টিকদূষণ বর্তমানে পরিবেশের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন কর্মসূচিকে আরো বেগবান করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

মোবাইল গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি ও মাদক থেকে তরুণদের দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা জানান, কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ফুটবল দল ও ক্লাবের খেলোয়াড়দের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে তরুণদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা, সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে উপজেলার রামনগর ফুটবল একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ফুটবল তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজকর্মী মো. সবুজ খান।

আরো পড়ুন
শুভসংঘের উদ্যোগে মঠবাড়িয়ায় বিজয়ের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

শুভসংঘের উদ্যোগে মঠবাড়িয়ায় বিজয়ের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মো. সবুজ খান বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের সামনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। খেলাধুলা শুধু শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে না, এটি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধও তৈরি করে। বাংলাদেশে একজন বিসিএস ক্যাডারের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় হতে পারেন একজন সফল ক্রীড়াবিদ। জাতীয় দলের ফুটবলার হামজা চৌধুরী তার উদাহরণ। বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও একজন ফুটবলার ছিলেন। তাই এই বয়সেই তরুণদের নিজেদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।

ফুটবল পেয়ে রামনগর ফুটবল একাদশের অধিনায়ক দিহান আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিয়মিত বিকেলে খেলাধুলা করি। নতুন ফুটবল পাওয়ায় আমাদের উৎসাহ ও দায়িত্ব দুটোই বেড়ে গেল। এখন আরও নিয়মিত অনুশীলন করতে পারব।

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার (৫ জুন) পশ্চিম মালসাদহ (৫ নম্বর ওয়ার্ড) ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড়দের মাঝেও একটি ফুটবল বিতরণ করা হয়। ফুটবল পেয়ে ক্লাবের অধিনায়ক রাব্বি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই উপহার আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এতে আমাদের দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল।

আরো পড়ুন
শুভসংঘের উদ্যোগে নালিতাবাড়ীতে শিশু-কিশোরদের সাঁতার প্রশিক্ষণ

শুভসংঘের উদ্যোগে নালিতাবাড়ীতে শিশু-কিশোরদের সাঁতার প্রশিক্ষণ

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ হোসেন শিহাব।

তিনি বলেন, মাদক ও অনলাইন গেমিংয়ের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষেধক হলো খেলাধুলা। সুস্থ সমাজ গঠনে মাঠমুখী তরুণ প্রজন্মের কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা একদিকে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে এটি পেশা হিসেবেও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আমাদের জেলার গর্ব ইমরুল কায়েস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্যের মাধ্যমে সেই সম্ভাবনারই প্রমাণ রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, তরুণদের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কোন পথে এগোতে চায়। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে খেলাধুলাও হতে পারে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ।

আরো পড়ুন
শুভসংঘ কারমাইকেল কলেজ শাখার বিতর্ক প্রতিযোগিতা

শুভসংঘ কারমাইকেল কলেজ শাখার বিতর্ক প্রতিযোগিতা

 

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার উপদেষ্টা পারভেজ সাজ্জাদ, সহসভাপতি আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাসার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য জায়েদ কবির, ইয়াসিন হাবিব ও ওয়াহিদুজ্জামান স্বপ্নীল উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি রাজু আহমেদ বনি।

তিনি বলেন, এই তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য তরুণদের খেলাধুলায় আরো সক্রিয় করা। শুধু আনন্দের জন্য নয়, খেলাধুলাকে ক্যারিয়ার হিসেবেও ভাবতে হবে। বিশ্বকাপের সময় উন্মাদনা সৃষ্টি করাই শেষ কথা নয়; নিয়মিত অনুশীলন ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ফুটবলও হতে পারে কর্মসংস্থান ও সাফল্যের একটি বড় ক্ষেত্র।

স্থানীয়রা মনে করছেন, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও উৎসাহের অভাবে অনেক প্রতিভাবান কিশোর-তরুণ মাঠ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এমন উদ্যোগ তাদের আবার মাঠমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণদের সুস্থ বিকাশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরো বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছেন তারা।

প্লাস্টিক বর্জন করে বৃক্ষকে গ্রহণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে লালমাইয়ে শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জহিরুল ইসলাম জহির লালমাই-সদর দক্ষিণ (কুমিল্লা)
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে লালমাইয়ে শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

 

 

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমাই উপজেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের দোশারীচোঁ মিয়াজী বাড়ির সামনে ‘প্লাস্টিক বর্জন করে বৃক্ষকে গ্রহণ’ স্লোগানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে প্লাস্টিকের বিনিময়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের দুই শতাধিক চারা গ্রামের শিশু কিশোরদের মাঝে বিতরণ করেন। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। পরে কিছু চারা গ্রামের কাঁচা সড়ক ও দোশারীচোঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে রোপণ করা হয়।

দৈনিক কালেরকণ্ঠের লালমাই-সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রতিনিধি, সাপ্তাহিক লালমাই বার্তার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহিরের সার্বিক তত্বাবধানে এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী ইয়াকুব আলী নিমেলের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি রিংকু।

কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন– লালমাই রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ মজুমদার, ব্যবসায়ী আবদুর রহমান, বিএনপি নেতা ফখরে আলম, কন্ট্রাক্টর মিলন, সরকারি চাকরিজীবি আবদুর রশিদ, প্রবাসী রুবেল রানা, কুয়েত প্রবাসী আখতার হোসেন, শিক্ষানুরাগী মাহফুজুর রহমান শাকিল, ছাত্রনেতা মেহেদী মজুমদার, বসুন্ধরা শুভসংঘের ইভেন্ট সম্পাদক ইয়ামিন, অর্থ সম্পাদক মো. সৈকত, সদস্য রশিদুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান, মো. রিমন, মাসুদ আলম, আল আমিন, আব্দুল আল নোমান, শাকিব আহম্মেদ, সাফায়াত হোসেন ও মো. ইয়াকুব মজুমদার প্রমুখ। 

প্রধান অতিথি বিএনপি নেতা ওসমান গনি রিংকু বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে বেশি বেশি গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই সরবরাহ করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমাই উপজেলা শাখার সভাপতি মফিজুল ইসলাম মুন্না বলেন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

লালমাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ও সারিন টেক্সটাইল লিমিডেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে এবং নিজেদের অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

লালমাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ গত কয়েক বছরে লালমাই উপজেলায়  বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন বিতরণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন বিতরণ, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প, ফ্রি দন্ত সেবা, নারী শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা, অসহায় পরিবারে খাদ্য সহায়তা, হাম সচেতনতায় সেমিনার, বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ ও এতিমদের সঙ্গে ইফতারসহ অর্ধশতাধিক সামাজিক কমর্সূচি গ্রহণ করেছে। আশা করি আগামীতেও সংগঠনটি প্রতি মাসে আমাদের উপজেলায় কর্মসূচি রাখবেন।

আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া ও ছাতিয়ানগ্রাম এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম জেন্টু এবং কার্যকরী কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম সুমন, সহসভাপতি আহসান হাবীব তুহিন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম শাকিল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিলা আক্তার, কোষাধ্যক্ষ ফিরোজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক রঞ্জন কুমার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাগর আলী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান সম্রাট, ক্রীড়া সম্পাদক নাইমুল হাসান জিকু, শাকিল হোসেন ও ছায়া আক্তার প্রমুখ।

বৃক্ষরোপণ প্রসঙ্গে হাসিবুল ইসলাম শাকিল বলেন, ‘বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু। প্রত্যেক ব্যক্তিকে বৃক্ষপ্রেমিক হতে হবে। বিশেষ দিনগুলোকে উপলক্ষ করে বৃক্ষরোপণ করলে সেটা ভালো কাজে দেবে। যেমন সেটা হতে পারে প্রত্যেক ব্যক্তির নিজ নিজ জন্মদিনে, সন্তানের জন্মদিনে, সন্তানের প্রথম স্কুলে যাওয়ার দিন, বিবাহবার্ষিকীতে, বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে, পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের নামে, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনে বা অন্য কোনো বিশেষ কারণে। আমরা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে এই উপজেলায় শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করি।’
 
বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে। গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’ 
 

বসুন্ধরার কম্বল পাইছি, 'একুন আর শীত নি ভয় নাইকো' | কালের কণ্ঠ