• ই-পেপার

টাইফয়েডের টিকা পাবে ৫ কোটি শিশু, রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস : নীরব ধমনী রোগ

ডা. ফারজানা সুমি
টাকায়াসু আর্টেরাইটিস : নীরব ধমনী রোগ
সংগৃহীত ছবি

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বিরল হলেও এমন এক প্রদাহজনিত রোগ, যা মূলত দীর্ঘসময় ধরে শরীরের বড় রক্তনালী, বিশেষ করে মহাধমনী ও এর প্রধান শাখাগুলোকে নীরবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। তাই একে ‘পালসলেস ডিজিজ’ও বলা হয়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণত ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণীদের মধ্যে টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষরাও ঝুঁকির বাইরে নয়। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল হলেও এশিয়ায়, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে প্রাদুর্ভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়। রোগের শুরুতে সাধারণত অস্পষ্ট কিছু উপসর্গ দেখা যায়, যেমন—জ্বর, ক্লান্তি, ওজন কমে যাওয়া, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রক্তনালীগুলো সরু হয়ে রক্তপ্রবাহ কমে যেতে পারে এবং মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, দৃষ্টিজনিত সমস্যা, বুকে ব্যথা বা হাত নাড়াতে অসুবিধা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কব্জিতে নাড়ির স্পন্দন দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকতে পারে। আর এই কারণে এই রোগকে ‘পালসলেস ডিজিজ’ বলা হয়।

টাকায়াসু আর্টেরাইটিসের নির্দিষ্ট ও সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে টাকায়াসু আর্টেরাইটিসকে একটি অটোইমিউন রোগ হিসেবে ধরা হয়, যেখানে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত রক্তনালীর দেয়ালে আক্রমণ করে। ফলস্বরূপ প্রদাহ ও শরীরে দাগ তৈরি হয়। বংশগত ও পরিবেশগত কারণেও এটি হয়ে থাকতে পারে। 

প্রাথমিক উপসর্গগুলো অন্যান্য রোগের মতো হওয়ায় অনেকসময় সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়। চিকিৎসকরা শারীরিক পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা এবং সিটি ও এমআর এঞ্জিওগ্রাফি’র মতো ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তনালীর সংকোচন বা অ্যানিউরিজম শনাক্ত করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর প্রধান চিকিৎসা হলো কর্টিকোস্টেরয়েড, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধের প্রয়োজন হয়। যদি রক্তনালী গুরুতরভাবে সংকুচিত হয়ে যায়, তাহলে ভাস্কুলার সার্জারি বা স্টেন্ট বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। সুস্থতার পরও রোগটি পুনরায় সক্রিয় হতে পারে, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

যদিও এটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তবে সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মমাফিক চলাফেরা রোগীদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করতে পারে। দ্রুত রোগ নির্ণয়, নিয়মিত ফলো-আপ এবং লাইফস্টাইলে পরিবর্তন, যেমন; রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, সঠিক খ্যাদাভ্যাস ইত্যাদি স্ট্রোক বা হৃদযন্ত্রের জটিলতার মতো গুরুতর সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। 

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বিরল হলেও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোন তরুণ/তরুণী অজানা কারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি, নাড়ির স্পন্দন না পাওয়া বা দুই হাতে রক্তচাপের অস্বাভাবিক পার্থক্য অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো শনাক্তকরণ ও সঠিক চিকিৎসাই পারে জীবন রক্ষা করতে। 

লেখক :

কনসালট্যান্ট, রিউমাটোলজি,
এভারকেয়ার হসপিটাল, ঢাকা।

হাম উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ছয়জন। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৭ জন। শনিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৮৪ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১০ হাজার ৯৪৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯১ হাজার ৭৮৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০৪ জন ও আক্রান্ত ৪৯ হাজার ৭৮৩ জন।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে সন্দেহজনক হামে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৯৮২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জন।

আইসিডিডিআরবির গবেষণা

গ্রামাঞ্চলে প্রতি ৩ জনে দুজন কিশোরী ভুগছে মাসিক সংক্রান্ত সমস্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামাঞ্চলে প্রতি ৩ জনে দুজন কিশোরী ভুগছে মাসিক সংক্রান্ত সমস্যায়

দেশের গ্রামাঞ্চলে প্রতি তিন জনে দুজন কিশোরী মাসিক সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। এর মধ্যে অনেকেরই তীব্র ব্যথার কারণে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেকে স্কুলেও অনুপস্থিত থাকছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) প্রকল্প অ্যাডসার্চ পরিচালিত এক সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফলে এই চিত্র উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর কানাডা ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে ‘অ্যাডসার্চ’ প্রকল্পের গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ক জ্ঞানের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে, যা আরো আগে থেকেই তাদের জন্য কার্যকর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বালিয়াকান্দি হেলথ অ্যান্ড ডেমোগ্রাফিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের (এইচডিএসএস) আওতাধীন ২ হাজার ৭১৩ জন কিশোর-কিশোরীর ওপর দীর্ঘ ২৪ মাস ধরে এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি চার মাস পর পর গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণার একটি অংশে দেখা যায়, ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১ হাজার ২৫৫ জন কিশোরীর মধ্যে ৬৪ শতাংশ অন্তত একটি মাসিক সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা ছিল মাসিকের তীব্র ব্যথা বা ডিসমেনোরিয়া, যা ৫৬ শতাংশ কিশোরীর মধ্যে দেখা গেছে। প্রতি তিন জন মেয়ের মধ্যে এক জন গবেষণাকালীন সময়ে তিন বা তার বেশি বার মাসিকের চক্রে তীব্র ব্যথার সম্মুখীন হয়েছে। ৯ শতাংশ কিশোরী প্রতিনিয়ত মাসিকের ব্যথায় ভুগেছে।

প্রায় ৪০ শতাংশ কিশোরী বলেছে, মাসিকের ব্যথার কারণে তাদের প্রতিদিনের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। প্রতি চার জনের মধ্যে এক জন কিশোরী তীব্র ব্যথা বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে স্কুলে যেতে পারেনি। নিয়মিত মাসিকের ব্যথায় ভোগা ৪৩ শতাংশ কিশোরী অন্যান্য শারীরিক জটিলতারও মুখোমুখি হয়েছে।

বালিয়াকান্দি ও রাজবাড়ীর ১ হাজার ৭৭ জন ১৬ বছর বয়সী অবিবাহিত কিশোর-কিশোরীর ওপর পরিচালিত এক পৃথক বিশ্লেষণে প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞানের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশি কিশোর (৩৪ শতাংশ) জানত না যে, ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার পর মেয়েরা গর্ভবতী হতে পারে। কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ১৬ শতাংশ।

পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণাও ছিল সীমিত, বিশেষ করে কিশোরীদের মধ্যে। যেখানে ৮৪ শতাংশ কিশোর জন্মনিরোধক উপকরণ কনডম সম্পর্কে শুনেছে, সেখানে মাত্র ৪৫ শতাংশ কিশোরীর এই বিষয়ে ধারণা ছিল না। একইভাবে, ৩৮ শতাংশ কিশোর ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল বা জরুরি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সম্পর্কে জানলেও কিশোরীদের মধ্যে এই হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ।

গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, বিয়ের আগে প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞান পরবর্তী জীবনে প্রভাব ফেলে। ফলে যেসব মেয়ে বিয়ের আগে পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানত, তাদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার, এই জ্ঞান না থাকা মেয়েদের তুলনায় প্রায় অর্ধেক ছিল (১০ শতাংশের বিপরীতে মাত্র ৫ শতাংশ)।

পর্যবেক্ষণকালীন সময়ে প্রায় ২০০ জন কিশোরীর বিয়ে হয় এবং ৭২ জন গর্ভবতী হয়; যা বিয়ের আগেই সঠিক প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য প্রদানের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য প্রজনন স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুস্থতা বিষয়ক তথ্য প্রাপ্তি সহজতর করার লক্ষ্যে অ্যাডসার্চ-এর দুটি উদ্ভাবনী প্রকল্পও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল চাঁদপুরের মতলবে স্মার্টফোনভিত্তিক একটি শিক্ষা প্রকল্প, যা ৮৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী পছন্দ করেছে।

অন্যটি হলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য বাংলা মোবাইল অ্যাপ ‘কৈশোর কথা’- যাতে অ্যানিমেটেড ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক্স এবং ভুল ধারণার সঠিক ব্যাখ্যা রয়েছে।

আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী ড. ফাওজিয়া আখতার হুদার সঞ্চালনায় গবেষণা বিষয়ে প্যানেল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন- অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফারহানা দেওয়ান, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনানের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ নুরুদ্দীন, বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটির কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর নন্দিনী লোপা, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ সার্ভিস ইউনিটের সহকারী পরিচালক ডা. মনজুর হোসেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্কুল হেলথ শাখার সহকারী পরিচালক ডা. আসিফ ইকবাল।

আলোচনায় অধ্যাপক ফারহানা দেওয়ান মাসিক নিয়ে সমাজে প্রচলিত লোকলজ্জা ও কুসংস্কারের ওপর আরো বেশি নজর দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর তাদের কার্যক্রমে ‘প্রাক-বৈবাহিক কাউন্সেলিং’ অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানান ডা. মনজুর হোসেন।

ডা. আসিফ ইকবাল কিশোর-কিশোরীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ক তথ্য প্রাপ্তি সহজতর করতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টাগুলো তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি এডওয়ার্ড ক্যাব্রেরা তার বক্তব্যে কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার নিশ্চিতের জন্য ‘গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার’ প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

টাইফয়েডের টিকা পাবে ৫ কোটি শিশু, রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে | কালের কণ্ঠ