• ই-পেপার

জিহ্বার রং দেখে জেনে নিন আপনি কোন রোগে আক্রান্ত

গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন শনাক্তে ৭৩ শতাংশ সফল কমিউনিটি প্যারামেডিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন শনাক্তে ৭৩ শতাংশ সফল কমিউনিটি প্যারামেডিক
ছবি : কালের কণ্ঠ

গ্রামীণ এলাকায় মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যের প্রমাণ তুলে ধরে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কমিউনিটি প্যারামেডিকদের (সিপি) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের কর্মকর্তা, গবেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দেশে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজারের বেশি কমিউনিটি প্যারামেডিক কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ফার্স হোটেলে সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের ‘আস্থা’ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ।

সভায় উপস্থাপিত ব্র্যাকের এক গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন শনাক্তকরণে কমিউনিটি প্যারামেডিকদের সাফল্যের হার ৭৩ শতাংশ, যেখানে সাধারণ সেবাদাতাদের ক্ষেত্রে তা মাত্র ৩৬ শতাংশ। গর্ভধারণ পরীক্ষায় এ হার যথাক্রমে ৮১ ও ৪৬ শতাংশ, রক্ত পরীক্ষায় ৫৭ ও ৩৩ শতাংশ। এছাড়া জটিল রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে রেফার করার ক্ষেত্রে কমিউনিটি প্যারামেডিকদের সাফল্যের হার ৯৪ শতাংশ।

গবেষণায় আরো দেখা যায়, কমিউনিটি প্যারামেডিকদের কাছে আসা অর্ধেকের বেশি মানুষ আগে গ্রাম্য চিকিৎসক বা ওষুধের দোকানের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। বর্তমানে তারা প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছ থেকে সেবা নিচ্ছেন, যা এ খাতে মানুষের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এর ফলে চিকিৎসা ব্যয় কমছে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘আস্থা’ প্রকল্পের টিম লিডার আবদুল আওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশ গত ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে কমিউনিটি প্যারামেডিক তৈরিতে কাজ করছে। এখন সময় এসেছে তাদের সরকারি স্বীকৃতি দিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনার।’

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের (ডিজিএফপি) সহকারী পরিচালক (এমসিএইচ) মনজুর হোসাইন বলেন, ‘দেশে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে কমিউনিটি প্যারামেডিকরা কার্যকর বিকল্প হতে পারেন। তাদের কাজের পরিধি আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।’

কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডা. আবু মুহাম্মদ জাকির হুসাইন বলেন, ‘গ্রামীণ জনগণের সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন কমিউনিটি প্যারামেডিকরা। তাদের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে আরও সরাসরি সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।’

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক ডা. কাওসার আফসানা বলেন, ‘গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও তদারকি নিশ্চিত করা গেলে কমিউনিটি প্যারামেডিকরা উচ্চমানের স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম। সরকার নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করলে সেখানে বিদ্যমান ১০ হাজার প্রশিক্ষিত সিপিকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।’

আইসিডিডিআর,বির গবেষক ডা. সোহানা শফিক বলেন, ‘শুধু গ্রাম নয়, শহরাঞ্চলেও স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই কমিউনিটি প্যারামেডিক মডেলটি শহরেও প্রয়োগ করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘২০১৩ সালের কমিউনিটি প্যারামেডিক নীতিমালা সংস্কার, কারিকুলামের মানোন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের তদারকি জরুরি। এ বিষয়ে সুইসকন্ট্যাক্টের ‘আস্থা’ প্রকল্প ও বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের (বিএনএমসি) সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

সমাপনী বক্তব্যে সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হুসাইন বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নতুন মডেল খুঁজতে হবে না। আমাদের কাছে ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি প্রশিক্ষিত কমিউনিটি প্যারামেডিক রয়েছে। এখন প্রয়োজন তাদের কাজের স্থায়ী স্বীকৃতি ও কার্যকর সংযুক্তি।’

অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সভার সমাপ্তি হয়।

উল্লেখ্য, ‘আস্থা’ প্রকল্পটি নোভারটিস, হ্যাপেল ফাউন্ডেশন, লাগুনা ফাউন্ডেশন এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

হাম সন্দেহে আরো ৪ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম সন্দেহে আরো ৪ জনের মৃত্যু

সারা দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি।

শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হামে রোগীর সংখ্যা ৮৬৯ জন। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১০৭ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক হাম রোগী সংখ্যা ৮১ হাজার ২৮৩ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে ৭৭ হাজার ৬১৩ জন।

অপরদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৯ জন। এ সময় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের।

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৯ মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৯ মৃত্যু

সারা দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হামে রোগীর সংখ্যা ৮৯৩ জন। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫২ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৮০ হাজার ৪৯৭ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৫। এ সময় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। 

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মা-শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবার মানোন্নয়নে নতুন আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রত্যন্ত অঞ্চলের মা-শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবার মানোন্নয়নে নতুন আশা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে বসবাসকারী হাজার হাজার মা ও শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় পর্যায়ের লার্নিং প্রচার অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পুষ্টি সামগ্রীর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

‘ট্রান্সফর্মিং লাইভস থ্রু নিউট্রিশন’ প্রকল্পের অর্জন ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান (আইপিএইচএন) এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রকল্পটি ‘দ্য চার্চ অব জেসাস ক্রাইস্ট অব ল্যাটার-ডে সেন্টস’-এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি বৈশ্বিক কনসোর্টিয়ামের অংশ, যা হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, ভিটামিন অ্যাঞ্জেলস ও আইডিই-এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১২টি দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (ডব্লিউএইচ উইং) শেখ মোমেনা মনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ মা ও শিশুদের জন্য কমিউনিটি পুষ্টিসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পুষ্টি তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।’

এ ছাড়া তিনি দেশের পিছিয়ে থাকা ও প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর কাছে অত্যাবশ্যকীয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রকল্পটির অবদানের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আইপিএইচএনের পরিচালক ড. মোহাম্মদ ইউনুস আলী দেশব্যাপী মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার পাশাপাশি কমিউনিটি-ভিত্তিক তীব্র অপুষ্টি ব্যবস্থাপনা (সিএমএএম) এবং শিশু ও নবজাতকের খাদ্যাভ্যাসসংক্রান্ত (আইওয়াইসিএফ) কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরো শক্তিশালী করতে টেকসই সহযোগিতার প্রয়োজনিয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রকল্পটি দেশের কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে এবং মানসম্মত পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর পূজা পান্ডে রানা বলেন, ‘প্রকল্পটি স্থানীয় অংশীদার সিএনআরএস ও এফআইভিডিবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে পুষ্টি-নির্দিষ্ট এবং পুষ্টি-সংবেদনশীল উভয় ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে, তীব্র অপুষ্টি ইউনিটগুলো পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্তন্যপান করানোর কর্নার পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। ফলে মা ও ছোট শিশুদের জন্য আরো কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।’

তিনি বলেন, ‘অর্জিত অগ্রগতির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি হলেও কাজ এখনো শেষ হয়নি। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও শিশুদের কাছে পৌঁছাতে এবং অর্জিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশব্যাপী পুষ্টি উন্নয়ন কার্যক্রম আরো ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখবে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল।’

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রকল্পের অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রকল্পের অর্জিত শিক্ষা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং পুষ্টিসেবা আরো উন্নত করতে প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য এসব উদ্যোগকে আরো সম্প্রসারণের প্রয়োজনিয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

বর্তমানে সুনামগঞ্জ, বরিশাল এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বাস্তবায়নাধীন ‘ট্রান্সফর্মিং লাইভস থ্রু নিউট্রিশন’ প্রকল্পটি দেখিয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করলে দেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য একটি সুস্থ সূচনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।

জিহ্বার রং দেখে জেনে নিন আপনি কোন রোগে আক্রান্ত | কালের কণ্ঠ