• ই-পেপার

রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব

ঢাকার বাতাসে সুখবর, দূষণে শীর্ষে দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বাতাসে সুখবর, দূষণে শীর্ষে দিল্লি
সংগৃহীত ছবি

সারা বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থানের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আজ রবিবার (১৪ জুন) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের লাইভ র‍্যাংকিংয়ে ঢাকা ২২তম অবস্থানে রয়েছে।

আজ সকাল ৯টা ০৯ মিনিটের পরিমাপ অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৮১। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী এই স্কোরকে ‘মাঝারি’ বা গ্রহণযোগ্য বাতাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সংবেদনশীল মানুষের জন্য এই বাতাস সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আইকিউএয়ারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এই মুহূর্তে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যার একিউআই স্কোর ১৯৫। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তানের লাহোর (১৮৭ স্কোর) এবং চিলির সান্তিয়াগো (১৬৫ স্কোর)।

এ ছাড়াও শীর্ষ ১০-এর মধ্যে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ (৪র্থ, ১৬২ স্কোর), ডিআর কঙ্গোর কিনসাসা (৫ম, ১৫৮ স্কোর), ভারতের কলকাতা (৬ষ্ঠ, ১৫৩ স্কোর), ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা (৭ম, ১৪৯ স্কোর), উগান্ডার কাম্পালা (৮ম, ১৪৪ স্কোর), ফিলিপাইনের ম্যানিলা (৯ম, ১৩২ স্কোর) এবং আরব আমিরাতের দুবাই (১০ম, ১২৯ স্কোর)।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রধান শহরের তুলনায় আজকের সকালটিতে ঢাকার বাতাসের অবস্থা তুলনামূলক ভালো। ভারতের দিল্লি ও কলকাতার বাতাস যেখানে ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে, সেখানে ঢাকার বাতাস হলুদ জোনে অর্থাৎ ‘মাঝারি’ অবস্থানে রয়েছে। এমনকি নেপালের কাঠমান্ডু (১৩তম, ৯৬ স্কোর) এবং মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের (১৭তম, ৮৪ স্কোর) চেয়েও ঢাকা আজ তালিকায় পেছনের দিকে (ভালো অবস্থানে) রয়েছে।

আইকিউএয়ারের সূচক অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে স্কোর থাকলে বাতাসের মান ভালো ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে তা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে সবার জন্যই ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

সাধারণত শুষ্ক ও শীতকালে ঢাকার বায়ুদূষণ চরম আকার ধারণ করলেও বর্ষা বা বৃষ্টির মৌসুমে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমে আসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টানা বৃষ্টিতে বাতাসে ধুলাবালির পরিমাণ কম থাকা এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে আজ সকাল থেকে ঢাকার বাতাসের মানে এই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।

১০ জেলায় আজ থেকে চালু হচ্ছে আইসিইউ

অনলাইন ডেস্ক
১০ জেলায় আজ থেকে চালু হচ্ছে আইসিইউ

দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি) প্রকল্পের আওতায় এসব আইসিইউ স্থাপন করা হবে।

রোববার (১৪ জুন) এসব হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু হচ্ছে সেগুলো হলো, মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি আইসিইউতে প্রয়োজনীয় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় জনবলও। এর মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হলে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবার জন্য আর রাজধানী বা বড় শহরের দিকে ছুটতে হবে না। স্থানীয় পর্যায়েই এখন থেকে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্যে দ্বিগুণ বরাদ্দ বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যে দ্বিগুণ বরাদ্দ বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

নতুন অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যা গত বছরের বরাদ্দের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিদ্যমান সিস্টেমের দুর্বলতা দূর না করে এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রুমানা হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ শতাংশের বেশি করা হয়েছে, যা ইতিবাচক দিক। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এ বাড়তি বরাদ্দ প্রয়োজন ছিল। বাজেটে সুনির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে করছাড়ের ঘোষণা প্রশংসিত হয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে করছাড় দেওয়া হয়েছে। মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট আমদানিতেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা করেছে। তবে এর বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ কার্ডের সুবিধাভোগী কারা হবেন এবং এটি কত দিন দেওয়া হবে, তার সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। এটি জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বা ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে কীভাবে সমন্বিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কার্ডের মাধ্যমে সেবা কি কেবল সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া যাবে, নাকি বেসরকারি খাতকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে সেটিও বিবেচ্য বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে এবারের বাজেটে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হয় এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই দক্ষ জনবল নিয়োগ করা হয় সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। বাজেট বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল পাওয়া মূলত বাস্তবায়নসক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে রাজস্ব আহরণের ঘাটতি থাকলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ শেষ পর্যন্ত কমিয়ে দেওয়ার শঙ্কা থাকে। অতীতে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ ব্যয় করতে পারে না। প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব একটি বড় বাধা। ওষুধ শিল্পের মতো চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী শিল্পকেও বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া উচিত। এতে বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। নার্সদের বিদেশে পাঠানোর জন্য বিশেষ ট্রেনিংয়ের বিষয়ে এ বাজেটে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিনের অডিট আপত্তি, সমন্বয়হীনতা, প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ধীরগতি, অদক্ষতা, দীর্ঘসূত্রতা বাজেট বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। সামগ্রিকভাবে এ বাজেটকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং মানবসম্পদ উন্নয়নমুখী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমাতে হলে ই-হেলথ কার্ডের সঠিক বাস্তবায়ন, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।’

বাজেট বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, ‘গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এ বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ এবং জিডিপির অনুপাতে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ০.৫৮ থেকে বেড়ে ১.০১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ বাজেটের গুরুত্ব কেবল বরাদ্দের অঙ্কে নয়; বরং এ অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে এবং জনগণ এর কতটা সুফল পাবে সেটিই মূল প্রশ্ন। এবারের বাজেটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো উন্নয়ন খাতে ২৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিশেষ ব্লক বরাদ্দ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো নিয়মিত প্রকল্প প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়নি। ফলে এ ব্লক বরাদ্দ সেসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বরাদ্দ ব্যবহারের সীমিত সক্ষমতা। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, উন্নয়ন বাজেটের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রকল্প বিলম্ব, ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতা, সমন্বয়হীনতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে যথাসময়ে ব্যয় করা যায়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উন্নয়নের প্রকৃত ফল নিশ্চিত করতে কেবল অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন জনবল, সরঞ্জাম, ওষুধ, ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার সমন্বিত প্রস্তুতি। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল নির্মিত হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নেই; যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে কিন্তু পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষিত জনবল নেই। ফলে উন্নয়ন হলেও তার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছায় না।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

১০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
১০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ফাইল ছবি

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।