• ই-পেপার

কাঁচা মরিচের ঝালের মধ্যেই আলুতে আঁচ!

বজ্রসহ বৃষ্টি-তাপপ্রবাহ নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক
বজ্রসহ বৃষ্টি-তাপপ্রবাহ নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ছবি : এআই দিয়ে তৈরি

সারা দেশের অনেক জায়গায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বজ্রসহ ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু চট্টগ্রাম পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

ওমর ফারুক জানান জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

বাসস
এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

আরো পড়ুন
বিদ্রোহ ও ভাঙনের মুখে দলে পরিবর্তন আনলেন মমতা

বিদ্রোহ ও ভাঙনের মুখে দলে পরিবর্তন আনলেন মমতা

 

হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

হাকান ফিদান বলেন, ‘আমার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।’

এ লক্ষ্যে উভয় পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছে।

আরো পড়ুন
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

 

এ ছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরো জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্বেগ

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মন্ত্রীর পদত্যাগের কারণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা, মতামত ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। এ ঘটনা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে ঘিরে বিদ্যমান অনিশ্চয়তাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির যুগ্ম সমন্বয়ক মানবাধিকারকর্মী জাকির হোসেন ও অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী এ উদ্বেগ জানান।

তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন অতিক্রম করলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ বা দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে দেশবাসী অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। মন্ত্রীর পদত্যাগকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে সক্রিয় করা জরুরি। একই সঙ্গে চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

সরকারের প্রতি অবিলম্বে সময়সীমাবদ্ধ চুক্তি বাস্তবায়ন রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানান বিবৃতিদাতারা। পাশাপাশি চুক্তির অন্যতম পক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ শুরুর দাবি জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে দ্রুত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে সক্ষম হবে।

উল্লেখ্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সাড়ে তিন মাসের মাথায় শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেন।

‘বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

দেশে শিশু নির্যাতন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, বিচার ত্বরান্বিত করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে শিশু নির্যাতন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, বিচার ত্বরান্বিত করার দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশে শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট নাগরিক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও সমাজকর্মীরা। তারা বলেছেন, কেবল আইন দিয়ে শিশু নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।

রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন ও করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। বৈঠকটির আয়োজন করে ‘নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সম্প্রতি নৃশংসভাবে হত্যার শিকার শিশু রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা তার মেয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরেন। তার বক্তব্য দেওয়ার সময় অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী এবং বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ (উজ্জ্বল), ওরাকল কান্ট্রি ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা, আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ডা. তৌহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা আকতার, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, ওজিএসবি সভাপতি অধ্যাপক ফিরোজা বেগম, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস’র মহাসচিব ডা. মো. নিজাম উদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরীন আই খান, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কাজী গোলাম মোখলেসুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সাকলায়েন রাসেল এবং সাংবাদিক মো. মাহতাব উদ্দিন।

বৈঠকে বক্তারা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে শিশু নির্যাতনের বর্তমান পরিসংখ্যান ও এর পেছনের মূল কারণগুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন। অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন নৃশংস শিশু নির্যাতনের ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা বিচার বিলম্বিত হওয়ার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।

এ ছাড়া শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।

গোলটেবিল বৈঠকের বক্তারা বলেন, শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শুধু সরকার নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই আলোচনা যেন শুধু এই কক্ষেই সীমাবদ্ধ না থাকে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও মতামতকে লিখিত সুপারিশ আকারে তুলে ধরেন সঞ্চালক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

উপস্থিত অতিথিরা এই সুপারিশগুলো দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পৌঁছানোর তাগিদ দেন। একই সঙ্গে এই সময়োপযোগী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য ও সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

কাঁচা মরিচের ঝালের মধ্যেই আলুতে আঁচ! | কালের কণ্ঠ