• ই-পেপার

নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: খাদ্যমন্ত্রী

দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সঙ্গে ফিরেছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরা।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় তাকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও দলটির শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।

এর আগে, স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় ৩টা) চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফর সঙ্গীরা বেইজিং তাসিং বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান চীনা প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওয়ং।

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী নিয়োগের দাবি ৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী নিয়োগের দাবি ৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পার্বত্য অঞ্চলের একজন আস্থাভাজন প্রতিনিধিকে অবিলম্বে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা বলেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দিনই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন পূর্ণমন্ত্রীর হাতে অর্পণ করায় পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের পর সেই আস্থা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে সই করেন মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক, লেখক ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তাদের মধ্যে রয়েছেন- সুলতানা কামাল, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান, জেড আই খান পান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ড. শহিদুল আলম, ড. গীতি আরা নাসরিন, ড. জোবাইদা নাসরীন, পাভেল পার্থ, সালমা আলী, কাজল দেবনাথ, রেজাউল করিম চৌধুরী, দীপায়ন খীসা, মুক্তাশ্রী চাকমা, মেইনথিন প্রমীলা প্রমুখ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ মহল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। ফলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সরকারের প্রতি যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

বিবৃতিদাতারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিক ভাবে বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। তাদের স্বতন্ত্র জীবনধারা, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সই হয়।

তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারেও পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের অধিকার বিবেচনায় নিয়ে ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে বর্তমান শূন্যতা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করছে, যা সরকারের ভাবমূর্তির জন্যও ইতিবাচক নয়।

এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দ্রুত বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিধান অনুযায়ী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদের আস্থাভাজন একজনকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পুরো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা উচিত।

বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৯ ধারার উল্লেখ করে বলা হয়, সেখানে উপজাতীয়দের মধ্য থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতে বিএনপি সরকারের সময়ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর একজন সদস্যকে উপমন্ত্রী করা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দায়িত্ব তার ওপরই ন্যস্ত ছিল।

রাশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের বিবৃতি

রাশিয়ার মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিবকে নিয়ে সম্প্রতি একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে দূতাবাস।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে গত ১৯ জুন দেওয়া এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ১৮ জুন একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ঘুষ বাণিজ্য-ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন প্রথম সচিব’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি একটি কথিত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ ধরনের কোনো অভিযোগপত্র সম্পর্কে দূতাবাস অবগত নয়।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, অভিযোগটি যদি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েও থাকে, তবু তদন্ত বা কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই সেটিকে সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। দূতাবাসের দাবি, প্রথম সচিবের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি।

এতে আরো বলা হয়, প্রথম সচিবের পদায়নের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে উৎকোচ দেওয়ার অভিযোগটি ‘হাস্যকর’। দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতেও একই নাম ও ব্যাচের অন্য এক কর্মকর্তার তথ্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

দূতাবাস আরো জানায়, দূতাবাসে কোনো আবেদন বা চাহিদাপত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক। ফলে ঘুষ বা মূল্যবান উপহারের বিনিময়ে আবেদন অনুমোদনের অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়, রাষ্ট্রদূতের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট প্রথম সচিব সততা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দিয়ে আসছেন। মন্ত্রণালয়ের কোনো দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বার্তা ছাড়াই শুধুমাত্র একটি অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করাকে দূতাবাস অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে।

গরিবের ১০০ টাকাই অর্থনীতি সচল রাখে : সংসদে রেজা কিবরিয়া

অনলাইন ডেস্ক
গরিবের ১০০ টাকাই অর্থনীতি সচল রাখে : সংসদে রেজা কিবরিয়া

কোটিপতিদের হাজার টাকা দিলেও লাভ নেই, গরিবের ১০০ টাকাই অর্থনীতি সচল রাখে বলে মন্তব্য করেছেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, আপনি একজন কোটিপতিকে যদি ১০ হাজার টাকা দেন, সে হয়তো খরচই করবে না- এটা আমাদের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু গরিবরা ১ হাজার টাকা কি, ১০০ টাকা পেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যয় করে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই কোটিপতিদের তোষণ বন্ধ করে প্রান্তিক মানুষের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা উচিত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থনীতিতে আয়ের সুষম বণ্টন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রেজা কিবরিয়া বলেন, একজন দিনমজুরের দৈনিক আয় এবং বাজারে সবচেয়ে সস্তা চালের দামের অনুপাত দেখলেই সাধারণ মানুষের প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। জনবান্ধব সরকারের উচিত নিয়মিত এ সূচকের দিকে নজর রাখা।

তিনি আরো বলেন, দেশের অর্থ দিয়ে শুধু বড় বড় শপিং মল বা বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করলে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি বাড়বে না। টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগকে উৎপাদনমুখী শিল্প ও কারখানা স্থাপনের দিকে নিতে হবে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছাবে।

দেশের ব্যাংকিং খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ৫ শতাংশ সুদ দিলেও ব্যাবসায়িক ঋণে ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। এটি ব্যাংকিং খাতের অদক্ষতার প্রতিফলন।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সমালোচনা করে রেজা কিবরিয়া বলেন, বিগত ১৫ বছরে সরকারের রাজস্ব আদায় কখনো লক্ষ্যমাত্রার ৮০ থেকে ৮৪ শতাংশের বেশি হয়নি। উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরে বাজেট প্রণয়ন করায় বছর শেষে সরকারকে ব্যাংক, বেসরকারি খাত ও বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়ে ঘাটতি পূরণ করতে হয়। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়।

নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: খাদ্যমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ