• ই-পেপার

শনাক্তের হার নামল ৫ শতাংশের ঘরে

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

দেশের ৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

সোমবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যার ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

আরো পড়ুন
চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

 

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বেগবান করতে আজ সোমবার (৮ জুন) মস্কোতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের আমন্ত্রণে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

ঢাকাস্থ রুশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা পর্যালোচনার পাশাপাশি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু স্থান পাবে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সের্গেই ল্যাভরভের ঐতিহাসিক ঢাকা সফরের পর এটিই দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বর্তমান দায়িত্বে আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের এটিই প্রথম মস্কো সফর।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ায় ঢাকা-মস্কোর অংশীদারিত্ব দীর্ঘদিনের ও অত্যন্ত সুদৃঢ়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে প্রথম সারির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনে তাদের ভূমিকা ছিল অনন্য। বিশেষ করে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ও তৎসংলগ্ন জলসীমাকে নিরাপদ করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর মাইন অপসারণ এবং ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধারের অভিযান দুই দেশের বন্ধুত্বকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।

রুশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যা-ই হোক না কেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পর, এবার দুই দেশের সর্বোচ্চ আইনসভার (পার্লামেন্ট) মধ্যেও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশ বরাবরই গঠনমূলক সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে।

তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘রোসাটোম’-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করবেন। বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। পাশাপাশি রুশ ফেডারেশনের ‘ফেডারেল কাউন্সিল’র নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও তার দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।

এর আগে, তিন দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে গত রবিবার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সফরে তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

দেশে ফিরলেন ৪১২৩২ হাজি

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরলেন ৪১২৩২ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ৯৭টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৪১ হাজার ২৩২ জন হাজি। দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৮ জন। চিকিৎসাধীন ১৩ জন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৪১ হাজার ২৩২ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৭ হাজার ৯০৪ জন রয়েছেন। আর ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৫ হাজার ৭২২ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১৬ হাজার ১০৯ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজি পরিবহন করেছে।

আরো পড়ুন
তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীতসহ ১২ দফা সুপারিশ

তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীতসহ ১২ দফা সুপারিশ

 

এখন পর্যন্ত মোট ৯৭টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৩৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪০টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। মারা যাওয়াদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১২ ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

এ ছাড়া, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪০১ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৩ জন হাজি।

আরো পড়ুন
ডিএমকে নেই, তৃণমূল ক্ষমতাহীন—গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’ জোট

ডিএমকে নেই, তৃণমূল ক্ষমতাহীন—গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’ জোট

 

এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে।

অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীতসহ ১২ দফা সুপারিশ

অনলাইন প্রতিবেদক
তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীতসহ ১২ দফা সুপারিশ

জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ সংকট প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশ করেছে এ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি। জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ কমপক্ষে তিন মাসে উন্নীত করা, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মনিটরিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে কমিটি।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণভাবে প্যানিক বায়িং, অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারির কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।’

কমিটি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্প এবং ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।

এ ছাড়া রুফটপ সোলার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বিদ্যুৎ বিতরণে সিস্টেম লস কমাতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কমিটি তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ুশক্তিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ সৃষ্টি করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনা করা প্রয়োজন।’

একই সঙ্গে জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে সংকটকালীন সময়ে অযৌক্তিক মজুদ বা প্যানিক বায়িং কমানো যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নীতি, অবকাঠামো এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো স্থিতিশীল, বহুমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা সময়ের দাবি।’

বিশেষ কমিটি মনে করে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদনে বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া ১০টি সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধী দল বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা নির্ধারণে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে, চাহিদার অতিরঞ্জিত পূর্বাভাস এড়িয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, স্থলভাগ ও সমুদ্রভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান, অপরিশোধিত তেল অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা এবং এসপিএম ও ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সুপারিশে সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক সম্প্রসারণ, পার্বত্য অঞ্চলে মাইক্রো-হাইড্রোর সম্ভাব্যতা যাচাই, নদীপ্রবাহভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং জ্বালানি সংকটকালে সরকারি যানবাহনের ব্যবহার কমানোর কথাও বলা হয়েছে।

পাশাপাশি হাইড্রোজেন ফুয়েল প্রযুক্তি, বায়োগ্যাস এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদলের মতে, কোনো একক জ্বালানি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে বহুমুখীকরণ করা জরুরি।

শনাক্তের হার নামল ৫ শতাংশের ঘরে | কালের কণ্ঠ