kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

বাজেট নিয়ে ২৪ তামাক বিরোধী সংগঠনে সংবাদ সম্মেলন

তামাকের মূল্য ও কর বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যে ভর্তুকি দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জুন, ২০২১ ১৯:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তামাকের মূল্য ও কর বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যে ভর্তুকি দেওয়ার আহ্বান

ক্ষতিকর তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যে ভর্তুকি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যরত ২৪টি তামাক বিরোধী সংগঠন। তাদের পক্ষ থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও কর বৃদ্ধির সুপারিশ করায় ১৫৪ জন জনপ্রতিনিধিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়াল মিটিং প্লাটফর্ম ‘জুমে’ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এসএম আবদুল্লাহ। বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুকের সঞ্চলনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দীন আহমেদ, তামাক বিরোধী নারী জোটের সমন্বয়কারী ফরিদা আকতার, দ্যা ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ঢাকা আহসানিয়া মিশনের হেলথ সেক্টরের ডিরেক্টর ইকবাল মাসুদ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাজিম উদ্দিন আহমেদ ও প্রজ্ঞা’র হেডঅব প্রোগ্রাম হাসান শহরিয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশে সিগারেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে নিম্নস্তরের সিগারেট সেবন করে প্রায় ৭২ ভাগ মানুষ। নিম্ন ও মধ্যমস্তর মিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ ভাগ। প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন ও মধ্যমস্তরের সিগারেটের দাম ও কর অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে উচ্চ এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের দাম যথাক্রমে ৫ টাকা (৫.২%) এবং ৭ টাকা (৫.৫%) বৃদ্ধি এবং ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে। ফলে শলাকাপ্রতি সিগারেটের দাম উচ্চ স্তরে মাত্র ৫০ পয়সা এবং প্রিমিয়াম স্তরে মাত্র ৭০ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। এক বছরে মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় সকল তামাকজাত দ্রব্যের প্রকৃতমূল্য আগের বছরের তুলনায় কমে গিয়েছে। ফলে বর্তমান ব্যবহারকারীরা তামাক ব্যবহারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবে এবং কিশোর-তরুণরা তামাক ব্যবহারে উৎসাহিত হবে।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্ক-নীতি গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও উক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কোনো প্রতিফলন নেই। তারা নিম্ন, মধ্যমস্তরের সিগারেটসহ সকল তামাকজাত দ্রব্যের উপর সুনির্দিষ্ট কর আরোপ ও মুদ্রাস্ফিতির সাথে সামঞ্চস্য রেখে কর বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।



সাতদিনের সেরা