• ই-পেপার

বিনোদনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হচ্ছে মৌলভীদের ওয়াজ: জবি উপাচার্য

হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৬৪ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৯ হাজার ৪৬৪ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২২ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ৬৩৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২২ হাজার ৩০০ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১৭৮ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৬৪ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৮৪টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৮টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৭৪৫টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ২৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমানের খবর কী

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমানের খবর কী

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। সেই দূষণের কবলে পড়েছে মেগাসিটি ঢাকাও। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার স্কোর ১০৭। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) তথ্যে জানা গেছে, বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান অষ্টম।

তালিকায় ১৮৬ স্কোর নিয়ে দূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে ভারতের দিল্লি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার বায়ুমান সূচক রেকর্ড করা হয়েছে ১৫৯। তৃতীয় অবস্থোনে ১৫৭ স্কোর নিয়ে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের আর একটি শহর কলকাতা। যার বায়ুমান সূচক রেকর্ড করা হয়েছে ১৫৫। এছাড়া পঞ্চম অবস্থানে থাকা উগান্ডার রাজধানী কাম্পালার স্কোর ১৫৪।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পথে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পথে সরকার

বাংলাদেশ বর্তমানে নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২২ জুন) সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সদস্য ফাহিমা নাসরিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, নেপাল থেকে আরো বেশি জলবিদ্যুৎ আমদানি করার লক্ষ্যে এই ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যৌথভাবে নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনাধীন।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে নেপালের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার অংশ হিসেবে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যতে আঞ্চলিক জলবিদ্যুৎ খাতে যদি কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়, তবে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণে খাসজমি বরাদ্দের নির্দেশ

বাসস
পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণে খাসজমি বরাদ্দের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেগুলোতে এখনো ডাম্পিং স্টেশন নেই, সেগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খাসজমি বরাদ্দ দিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপসচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত চিঠিটি দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দূষণমুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১১ জুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়- যেসব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন নেই, সেসব এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য শহরের কাছাকাছি কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনীয় খাসজমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণের লক্ষ্যে উপযুক্ত খাসজমি চিহ্নিত করে প্রথমে বার্ষিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে তা পৌরসভাকে ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে জমিটি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। 

এছাড়া খাসজমির স্থায়ী বরাদ্দ চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমিটি সাময়িকভাবে বর্জ্য ডাম্পিংয়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ জেলা প্রশাসকদের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলেছে।

বিনোদনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হচ্ছে মৌলভীদের ওয়াজ: জবি উপাচার্য | কালের কণ্ঠ