• ই-পেপার

দক্ষিণ সুদানে

শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে ১৩৪ জন নৌসদস্যের ঢাকা ত্যাগ

জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে এমপি রোকেয়ার ক্ষোভ, যা বললেন আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে এমপি রোকেয়ার ক্ষোভ, যা বললেন আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচারকাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে বলে অভিযোগ তুলে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই শহীদের মাতা ও সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম। পাশাপাশি শহীদ পরিবার ও আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত ‘শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর কর্মীদের বেতন বকেয়া থাকা এবং আহতদের ভুল ক্যাটাগরিতে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগও সংসদে তুলে ধরেন তিনি। 

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবং জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়ে আইনমন্ত্রী ফ্লোর নিয়ে জানান, আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই বর্তমান সরকার জুলাইযোদ্ধাদের সব ধরনের রাজনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করছে এবং প্রয়োজনে এই কাঠামোর ভেতরে আরো সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রোকেয়া বেগম। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোকেয়া বেগম বলেন, গত ৫ আগস্ট তার ছোট ছেলে জাবির ইব্রাহিম গুলিবিদ্ধ হয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শাহাদাত বরণ করে। যখন তিনি ছেলেকে দেখছিলেন, তখন পুরো শরীর সাদা ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল এবং শরীরে এক ফোঁটা রক্তও অবশিষ্ট ছিল না। তার ছেলের মতো অসংখ্য শহীদের রক্ত ও বীর সন্তানের অঙ্গহানির আর্তনাদে এই জাতীয় সংসদ ভাসছে। দীর্ঘ ১৭ বছর নানা জুলুম-নির্যাতনের পর এই রক্তস্নাত জাতীয় সংসদে আবারও অধিবেশন চলছে, যা জুলাই বিপ্লব না এলে কোনোভাবেই সম্ভব হতো না।

তিনি বলেন, জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর জন্য মাসিক ভাতা, আহত যোদ্ধাদের জন্য শ্রেণিভিত্তিক ভাতা এবং আবাসন সহায়তার জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখায় তিনি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, একজন বাবা বা মা সব সুযোগ-সুবিধার ঊর্ধ্বে তার সন্তান হত্যার বিচার চান এবং দৃশ্যমান বিচার ছাড়া ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলুপ্তি সম্ভব নয়।

সংসদে বিগত দিনের তথ্যের বরাত দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, আইনমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার ঘটনায় ৮০টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত প্রায় দুই বছরে মাত্র সাতটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে, ২২টি সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এবং ৫১টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। এই ধীরগতির বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মামলাগুলোর ৪৬৩ জন আসামির মধ্যে মাত্র ১৭৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে এবং এখনো ২৮৮ জন পলাতক রয়েছে। এই পলাতকদের গ্রেপ্তারের অগ্রগতি কী তা জানতে চেয়ে তিনি প্রতি সেশনে শহীদ সন্তানদের বিচার কাজের আপডেট জানিয়ে বাবা-মা’দের আশ্বস্ত করার দাবি জানান।

শহীদ ও আহতদের তালিকা এবং তাদের সুযোগ-সুবিধার নানা বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে রোকেয়া বেগম বলেন, জুলাই বিপ্লবে শহীদের সংখ্যা হাজারেরও বেশি হলেও এ পর্যন্ত গেজেটভুক্ত করা হয়েছে মাত্র ৮৩৪ জনকে, বাকিদের তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পাশাপাশি আহত যোদ্ধাদের ক্যাটাগরি নির্ধারণে চরম জটলা ও ভোগান্তি চলছে। যার হাত চলে গিয়েছে সে কিভাবে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে থাকে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তদন্তের দাবি করেন। এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ১২০ কোটি টাকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করলেও গত তিন মাস ধরে এর কর্মীরা বেতন ও ঈদ বোনাস পাচ্ছেন না। তিনি এই ফাউন্ডেশনকে সরকারি আর্থিক কোডের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া, প্রতিশ্রুত অবশিষ্ট ২৬৩ কোটি টাকা ছাড় করা এবং একে আনুষ্ঠানিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে স্মৃতিসৌধ, জাদুঘর এবং ডিজিটাল আর্কাইভ প্রতিষ্ঠার জন্য বাজেট বরাদ্দের অনুরোধ করেন। আন্দোলনে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির দাবিও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, যিনি শহীদ মাতা হিসেবে এখানে বক্তৃতা দিয়েছেন, তিনি আমাদের বিপ্লব ও সংগ্রামের প্রেরণার মূল চেতনা। তিনি যে কথাগুলো বলেছেন, তা সংসদের প্রত্যেকেই ধারণ করে এবং তার প্রতিটা দাবি ও আবেগকে সরকার নিজের বলে মনে করে। তবে জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হলেও রাজনৈতিক সুরক্ষা দেওয়া হয়নি, শহীদ মাতার এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটা আইনই আসলে একটি রাজনৈতিক দলিল এবং সরকারের পাবলিক পলিসি।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব, তা একমাত্র আইনি কাঠামোর মধ্যে এনেই বাস্তবায়ন করতে হয়। বর্তমান সরকার বিএনপির সরকার, জুলাইযোদ্ধাদের সরকার এবং জুলাই চেতনার সরকার। ফলে আইনি কাঠামোর মধ্যে এনেই জুলাইযোদ্ধাদের যে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে, সেটিই মূলত তাদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সুরক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর বাইরেও যদি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন হয় এবং সংসদ সদস্য যদি তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তবে সরকার সেটিও আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মেধাবীদের খুঁজে পেতে কার্যক্রম শুরু করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মেধাবীদের খুঁজে পেতে কার্যক্রম শুরু করবে সরকার

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, চলচ্চিত্র বা অভিনয়সহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মেধাবীদের খুঁজে পেতে শিগগিরই ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) যৌথভাবে এই কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিএফডিসি প্রাঙ্গণে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনুতোষিক ও ছুটি নগদায়নের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ইয়াসের খান বলেন, বর্তমান সংস্কৃতিবান্ধব সরকার এফডিসির হারানো গৌরব ও স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। এফডিসির আয় বৃদ্ধি ও চলচ্চিত্র শিল্পের সামগ্রিক আধুনিকায়নে সরকার নানামুখী বাস্তবসম্মত ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এফডিসির বিদ্যমান নীতিমালায় পেনশন সুবিধা না থাকায়, দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচুইটির অর্থই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একমাত্র সম্বল। অতীতে এই পাওনা টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করা হলেও বর্তমান সরকার সেই নিয়মে পরিবর্তন এনেছে। অবসরপ্রাপ্তরা যেন এই অর্থ ভালোভাবে কোথাও বিনিয়োগ করে সম্মানের সঙ্গে জীবন নির্বাহ করতে পারেন, সেজন্য এবার পুরো টাকা এককালীন পরিশোধ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে তহবিলে কিছুটা অর্থসংকট থাকলেও পর্যায়ক্রমে পরবর্তী বছরগুলোতে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাওনাও দ্রুত পরিশোধ করা হবে। এফডিসির আয় বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে দ্রুততম সময়ে ‘বিএফডিসি কমপ্লেক্স’-এর নির্মাণকাজ শেষ করে এটি চালু করা হবে, যা হবে এফডিসির আয়ের অন্যতম বড় উৎস। এ ছাড়া প্রশাসনিক ভবনের পেছনের খালি জায়গায় একটি আধুনিক ‘মিনি মার্কেট’ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের প্রতিভাবান অভিনেতা-অভিনেত্রী ও দক্ষ কলাকুশলীদের মূলধারার চলচ্চিত্রে তুলে আনার লক্ষ্যে সরকার ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বাস্তবমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএফডিসি তার হারানো জৌলুস ফিরে পাবে এবং এই প্রাঙ্গণ থেকেই আবারও কালজয়ী ও বিশ্বজয়ী সব চলচ্চিত্র নির্মিত হবে।

বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাঈদ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক অভিনেতা হেলাল খান, গায়ক সাজ্জাদ হোসেন পলাশ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থালেদ এনাম মুন্না ও চিত্র পরিচালক মো. শাহীন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মো. শাহ আলম, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ অনেকেই।

জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’র ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন আ শিফটিং গ্লোবার ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। চীনের ডালিয়ান শহরের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অংশীদারি, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করা এবং পাশাপাশি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে কার্যকর করতে হবে।

সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।
 
উল্লেখ্য, চীনের ডালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

ভূমিকম্প মোকাবেলায় ঢাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্প মোকাবেলায় ঢাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত
সংগৃহীত ছবি

ভূমিকম্পসহ নগর দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সংসদে জানান, চিহ্নিত ৪৪৫টি আশ্রয়স্থলের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৮৯টি স্থান রয়েছে। পাশাপাশি, বড় ধরনের দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য ঢাকা মহানগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ‘সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডেটাবেইস’ তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে ।

বাংলাদেশ ভূপ্রকৃতিগতভাবে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের নিকটবর্তী অবস্থানে থাকায় সরকার এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, দুর্যোগের আগাম তথ্য ও দ্রুত প্রচারের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে ভূমিকম্প সহনশীল টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে ১৩৪ জন নৌসদস্যের ঢাকা ত্যাগ | কালের কণ্ঠ