• ই-পেপার

বাংলাদেশে চাকরি করছে ‘৫ লাখ’ ভারতীয়, অধিকাংশই অবৈধ

স্বাস্থ্যে দ্বিগুণ বরাদ্দ বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যে দ্বিগুণ বরাদ্দ বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

নতুন অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যা গত বছরের বরাদ্দের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিদ্যমান সিস্টেমের দুর্বলতা দূর না করে এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রুমানা হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ শতাংশের বেশি করা হয়েছে, যা ইতিবাচক দিক। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এ বাড়তি বরাদ্দ প্রয়োজন ছিল। বাজেটে সুনির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে করছাড়ের ঘোষণা প্রশংসিত হয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে করছাড় দেওয়া হয়েছে। মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট আমদানিতেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা করেছে। তবে এর বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ কার্ডের সুবিধাভোগী কারা হবেন এবং এটি কত দিন দেওয়া হবে, তার সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। এটি জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বা ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে কীভাবে সমন্বিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কার্ডের মাধ্যমে সেবা কি কেবল সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া যাবে, নাকি বেসরকারি খাতকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে সেটিও বিবেচ্য বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে এবারের বাজেটে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হয় এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই দক্ষ জনবল নিয়োগ করা হয় সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। বাজেট বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল পাওয়া মূলত বাস্তবায়নসক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে রাজস্ব আহরণের ঘাটতি থাকলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ শেষ পর্যন্ত কমিয়ে দেওয়ার শঙ্কা থাকে। অতীতে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ ব্যয় করতে পারে না। প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব একটি বড় বাধা। ওষুধ শিল্পের মতো চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী শিল্পকেও বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া উচিত। এতে বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। নার্সদের বিদেশে পাঠানোর জন্য বিশেষ ট্রেনিংয়ের বিষয়ে এ বাজেটে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিনের অডিট আপত্তি, সমন্বয়হীনতা, প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ধীরগতি, অদক্ষতা, দীর্ঘসূত্রতা বাজেট বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। সামগ্রিকভাবে এ বাজেটকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং মানবসম্পদ উন্নয়নমুখী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমাতে হলে ই-হেলথ কার্ডের সঠিক বাস্তবায়ন, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।’

বাজেট বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, ‘গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এ বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ এবং জিডিপির অনুপাতে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ০.৫৮ থেকে বেড়ে ১.০১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ বাজেটের গুরুত্ব কেবল বরাদ্দের অঙ্কে নয়; বরং এ অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে এবং জনগণ এর কতটা সুফল পাবে সেটিই মূল প্রশ্ন। এবারের বাজেটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো উন্নয়ন খাতে ২৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিশেষ ব্লক বরাদ্দ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো নিয়মিত প্রকল্প প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়নি। ফলে এ ব্লক বরাদ্দ সেসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বরাদ্দ ব্যবহারের সীমিত সক্ষমতা। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, উন্নয়ন বাজেটের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রকল্প বিলম্ব, ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতা, সমন্বয়হীনতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে যথাসময়ে ব্যয় করা যায়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উন্নয়নের প্রকৃত ফল নিশ্চিত করতে কেবল অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন জনবল, সরঞ্জাম, ওষুধ, ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার সমন্বিত প্রস্তুতি। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল নির্মিত হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নেই; যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে কিন্তু পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষিত জনবল নেই। ফলে উন্নয়ন হলেও তার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছায় না।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

১০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
১০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ফাইল ছবি

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন, জনসচেতনতা

বাজেট বাস্তবায়নের তিন উপায়

অনলাইন ডেস্ক
বাজেট বাস্তবায়নের তিন উপায়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে মানুষের মনের কথা পড়তে পারেন, সদ্য ঘোষিত বাজেট তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত বৃহস্পতিবার বিএনপি সরকার তার প্রথম বাজেটে জনগণের আকাক্সক্ষাকে ধারণ করেছে। জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটেছে প্রস্তাবিত বাজেটে। নতুন সরকার ক্রান্তিকালে বাজেট পেশ করেছে এবং সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর প্রয়াস চালিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দেশিবিদেশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, সুষম উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা-স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনজীবনের স্বস্তি নিশ্চিত করাসহ বিদ্যমান বহুমাত্রিক সংকট কাটানোর যে রূপরেখা বাজেটে তুলে ধরা হয়েছে তা জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন।

সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য, যেমন ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্য তেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ হারে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ এবং প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সাধুবাদযোগ্য। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যেসব পরিকল্পনা রয়েছে, এসব বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাব্যবস্থা দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতির দিকে আরও এগিয়ে যাবে।

কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব যথোপযুক্ত। কৃষি খাত আমাদের অর্থনীতির অন্যতম জোগানদার। কৃষি ও কৃষকের জন্য যা কিছু কল্যাণকর সেগুলোর দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। ব্যবসাবাণিজ্য, শিল্পকারখানায় উৎপাদনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ করাও সমভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক স্তরে জোরালো আইনি সমন্বয়ের যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাহসী বাজেট। এ বাজেটে যেমন ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ আছে, তেমনি স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রচেষ্টাও বিদ্যমান। এ বাজেটে সরকারের দেশপ্রেমের অনেক স্বাক্ষর রয়েছে। বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। বন্ধ কলকারখানা চালুসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বাজেটে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে, যা ইতিবাচক হিসেবে কাজ করবে। কিন্তু বাজেট পেশ করার পর অনেকেই এর বাস্তবায়নের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন।

সিপিডিসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারকে আরও বেশি কাজ করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জটাই নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার। বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ‘প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা’ ও ‘বাস্তবসম্মত ভিত্তির’ বড় ধরনের অভাব রয়েছে বলে মনে করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বাজেটে প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার বাড়তি সম্পদ আহরণের যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে অন্তত ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন। এক বছরের মধ্যে এ বিশাল রাজস্ব আদায় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। যদি রাজস্ব আদায় কম হয় এবং সরকারি ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে, তবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর চাপ আরও বাড়বে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণের বড় লক্ষ্যমাত্রা এবং তা পরিশোধের চাপ সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

কিন্তু একটু গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে, যেভাবে মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন সেটা যদি অব্যাহত রাখতে পারেন তাহলে এ বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন কিছু নয়। প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের সরকারকে তিনটি ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিতে হবে।

প্রথমত, কর আদায়ে জনগণকে সচেতন করা।

দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি বন্ধ করা।

তৃতীয়ত, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা এবং অর্থ পাচার রোধ করা।

এই তিনটি কাজ করতে পারলে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে না। লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, বাজেট ঘোষণার পর সবাই বাজেটকে জনকল্যাণমুখী হিসেবে দেখছেন। সবার সংশয় এর বাস্তবায়ন সম্ভব কি না তা নিয়ে।

বাজেট রাজস্ব আদায়কেই সরকারের ব্যয় নির্বাহের প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ কথা কেউ অস্বীকার করবেন না, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের হার অনেক কম। একটি বিশাল পরিমাণ জনগোষ্ঠী কর কাঠামোর বাইরে। এবারের বাজেটে কর নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর দেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের সক্ষমতার অভাবের চেয়ে মানসিকতার অভাব বেশি বাধা। এবারের বাজেটে কর কাঠামোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে রাজস্ব আদায়ের জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। দেশের জনগণকে বোঝাতে হবে, এ দেশ তাদের। জনগণের করের টাকায় তাদের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন করা হবে। কর প্রদানে অনীহা দূর করার জন্য সরকার সংসদ সদস্যদের কাজে লাগাতে পারে। তারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় জনগণের কাছে গিয়ে তারা যদি কর প্রদানের যৌক্তিকতা এবং প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করে তাহলে নাগরিকদের মানসিকতার পরিবর্তন হবে বলে আশা করা যায়। একজন নাগরিক যদি বুঝতে পারেন, তার জীবন মানের উন্নয়ন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজে এ টাকা ব্যবহার করা হবে, তাহলে জনগণ কর দিতে উৎসাহিত হবে। প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন। জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করছেন। ইতোমধ্যে তাঁর ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস জন্মেছে। প্রধানমন্ত্রী যদি এ জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজে নেতৃত্ব দেন তাহলে কাজটা অনেক সহজ হবে।

দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করতে হবে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে বাজেটের অন্তত ত্রিশ শতাংশ অর্থ দুর্নীতি ও অপচয় হয়। তাই এই দুর্নীতির ছিদ্র বন্ধ করতে হবে। এখন এ সংকটকালে সব ধরনের অপচয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে সরকারকে। দেশের জনগণ যদি বুঝতে পারে তাদের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হচ্ছে তাহলে তারা কর প্রদানে উৎসাহিত হবে। আশার কথা হলো, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরই দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। সরকারের অপচয় কমাতে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যয় সংকোচ, বিনা কারণে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করাসহ তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে দুর্নীতির রাহু থেকে বাংলাদেশ মুক্তির পথ খুঁজে পাবে। আশাকরি, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি প্রতিরোধে সাহসী পদক্ষেপ নেবেন। দেশের জনগণ এ বিষয়ে তাঁর পাশে থাকবে সবসময়।

তৃতীয়ত, অর্থ পাচার প্রতিরোধ করতে হবে যেকোনো মূল্যে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে (২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত) বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩ হাজার ৪০০ কোটি (২৩৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে, যা বর্তমান বাজারদরে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা। জাতীয় সংসদে দেওয়া সরকারি হিসাব এবং অর্থনীতি পুনর্গঠনে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি থেকে ২ লাখ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এ প্রতিবেদনে। এই টাকা ফেরত আনতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতি পাল্টে যাবে। আশার কথা এ পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার জন্য এবারের বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরকারকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। ইউনূস সরকার তাঁর দেড় বছরের শাসনকালে এ পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।

ইউনূস এবং তৎকালীন গভর্নর পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের নামে নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নে বিদেশে সফর করেছেন। রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করেছেন। ইউনূস সরকারের অনেকের বিরুদ্ধেও এখন দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি, বিএনপি বিগত সব আমলের অর্থ পাচার নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে। নতুন করে যেন অর্থ পাচার না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে সরকারকে। সরকার যদি পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে পারে, তাহলে একদিকে যেমন সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়বে তেমনি দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। ব্যাংকিং খাতে ফিরবে শৃঙ্খলা এবং স্বস্তি। তাই আপাতদৃষ্টিতে এ বাজেট বাস্তবায়নকে যারা কঠিন এবং অবাস্তব মনে করছেন, তারা বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃঢ়তা এবং বিচক্ষণতাকে বিবেচনায় নিতে পারেননি। দেশের মানুষ আশাবাদী কারণ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী। দেশের মানুষ বিশ্বাস করে, তারেক রহমান আন্তরিক। তিনি পিতা ও মাতার মতোই জনকল্যাণে নিবেদিত। আপাতত দৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও এ বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব। সম্ভব অফুরন্ত সম্ভাবনার দেশটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৪ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৪ জুন)
ব্যবসা চাঙ্গায় গুচ্ছ পদক্ষেপ

ব্যবসা চাঙ্গায় গুচ্ছ পদক্ষেপ

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির তীব্র চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা করা,...

 

যতক্ষণ প্রাণ থাকবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব

যতক্ষণ প্রাণ থাকবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার সকালে পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলি খাল...

 

‘গালিভার’ জার্মানির মুখোমুখি ‘লিলিপুট’ কুরাসাও

‘গালিভার’ জার্মানির মুখোমুখি ‘লিলিপুট’ কুরাসাও

লড়াইটা যেন গালিভার বনাম লিলিপুটের! ইতিহাস-ঐতিহ্য আর শক্তির নিরিখে দুই দলের ব্যবধান আক্ষরিক অর্থেই আকাশ-পাতাল! এক...

 

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ভেঙে বিনিয়োগে বড় সংস্কারের ঘোষণা

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ভেঙে বিনিয়োগে বড় সংস্কারের ঘোষণা

ব্যবসা ও বিনিয়োগের পথে দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অনুমোদন প্রক্রিয়ার ধীরগতি এবং নীতিগত বাধা দূর করতে বড়...

 

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বাজেট কতটা বাস্তবসম্মত?

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বাজেট কতটা বাস্তবসম্মত?

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট এমন এক সময়ে উপস্থাপিত হয়েছে যখন অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে...

 

গণভোটের রায় না মানলে ৯৬ সালের মতো পরিস্থিতি হবে

গণভোটের রায় না মানলে ৯৬ সালের মতো পরিস্থিতি হবে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারকে গণভোটের রায় মেনে নিতে হবে। তা না হলে...

 

লাইসেন্স বাতিলের ৭২ ঘণ্টা পরও আদ-দ্বীনে ২৩৪ রোগী

লাইসেন্স বাতিলের ৭২ ঘণ্টা পরও আদ-দ্বীনে ২৩৪ রোগী

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের তৃতীয় দিনেও পুরোপুরি খালি হয়নি রাজধানীর আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিক্যাল...

 

আয় লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকই অধরা

আয় লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকই অধরা

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বেশির ভাগ আন্ত নগর ও লোকাল মেইল ট্রেনে লোকসান হচ্ছে। আয়ের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেকই...

 

৫১% লেভেলক্রসিংই অননুমোদিত

৫১% লেভেলক্রসিংই অননুমোদিত

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার রেলপথে এক হাজার ৪৮৮টি লেভেলক্রসিংয়ের ৭৫৯টিই অননুমোদিত। এ...

 

২০ ডেথ রেফারেন্স নিয়ে বিশেষ বেঞ্চের বিচার শুরু

২০ ডেথ রেফারেন্স নিয়ে বিশেষ বেঞ্চের বিচার শুরু

নারী-শিশু ধর্ষণ, হত্যার দায়ে বিচারিক আদালত যাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের ২০টি মামলা...

 

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত তদন্ত কমিটি

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত তদন্ত কমিটি

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) এক এসআই ও এক কনস্টেবলকে...

 

‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন প্রয়োগে স্পেশাল কোর্ট করা যেতে পারে’

‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন প্রয়োগে স্পেশাল কোর্ট করা যেতে পারে’

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন প্রয়োগে স্পেশাল কোর্ট করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির...

 

মহাত্মা গান্ধী ‘প্রবীণ সেবা পদক’ পেলেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

মহাত্মা গান্ধী ‘প্রবীণ সেবা পদক’ পেলেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

প্রবীণদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রবীণ সেবা পদক ২০২৫ পেয়েছেন...

 

হরমুজ না খুললে তেলের দাম রেকর্ড ছাড়াবে

হরমুজ না খুললে তেলের দাম রেকর্ড ছাড়াবে

বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরো বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, হরমুজ প্রণালি...

 

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

ভারতের সেনাবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। বর্তমানে তিনি বাহিনীর উপপ্রধান...

 

ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে : পুতিন

ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে : পুতিন

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা বেড়ে যাওয়ায় মস্কোর অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে...

 

কলকাতায় মমতার বিরুদ্ধে মামলা

কলকাতায় মমতার বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের...

 

কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগে উৎসাহ

কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগে উৎসাহ

শিল্পায়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে...

 

জৈবসার উৎপাদনে সফল সাজু

জৈবসার উৎপাদনে সফল সাজু

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুধখাওয়া মৌজার মণ্ডলপাড়া গ্রামের কৃষক সাজু মণ্ডল লাল কেঁচো ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব...

 

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে নিটা হিসাব সহজীকরণে

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে নিটা হিসাব সহজীকরণে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে...

 

পোশাকশিল্পে সহায়তার অপেক্ষা

পোশাকশিল্পে সহায়তার অপেক্ষা

বাজেটে কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন, ব্যবসা সহজীকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎসাহ এবং বিনিয়োগবান্ধব বিভিন্ন...

 

কৃত্রিম আঞ্চলিক বয়ান তৈরির চেষ্টা হলে সন্দেহের চোখে দেখা হবে

কৃত্রিম আঞ্চলিক বয়ান তৈরির চেষ্টা হলে সন্দেহের চোখে দেখা হবে

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এবং আঞ্চলিক ক্ষেত্রে সার্কই...

 

ধানমণ্ডিতে আটতলা থেকে পড়ে অভিনেত্রীর মৃত্যু, স্বামী রিমান্ডে

ধানমণ্ডিতে আটতলা থেকে পড়ে অভিনেত্রীর মৃত্যু, স্বামী রিমান্ডে

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে পড়ে আসমা আক্তার ঝিলিক (৩০) নামের এক...

 

প্রতিদিন ১ ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করবেন পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা

প্রতিদিন ১ ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করবেন পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও বঞ্চনার অবসানের দাবিতে ব্যতিক্রমী এক কর্মসূচি ঘোষণা...

 

গণমাধ্যম কমিশনকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণমুক্ত হতে হবে

গণমাধ্যম কমিশনকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণমুক্ত হতে হবে

নতুন সরকারের স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী...

 

আগামী চার দিন ভারি বৃষ্টি হতে পারে

আগামী চার দিন ভারি বৃষ্টি হতে পারে

বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে আগামীকাল রবিবার থেকে দেশে বর্ষা শুরু হবে। এর আগেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কয়েক দিন ধরে...

 

ডাচ মেয়েদের নিয়ে সতর্ক নিগাররা

ডাচ মেয়েদের নিয়ে সতর্ক নিগাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ নারী...

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি বিচ্ছিন্নতার জাল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি বিচ্ছিন্নতার জাল

পুকুরপারে এক তরুণ ছবি তুলছে। বন্ধুর হাতে স্মার্টফোন। নির্দেশনা আসছে-ঘাড় সোজা কেন, একটু বাঁকা করো। ঘাড় বাঁকা হতেই...

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব : অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব : অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে বহুপক্ষীয় কূটনীতির সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (UNGA)।...

 

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ...

 

গুনাহে অনুতপ্ত না হয়ে বিদ্রোহী হওয়া ধ্বংসাত্মক

গুনাহে অনুতপ্ত না হয়ে বিদ্রোহী হওয়া ধ্বংসাত্মক

আল্লাহর মনোনীত বিশেষ বান্দা নবী-রাসুলরা ছাড়া মানুষ মাত্রই গুনাহগার। তারা শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গুনাহ করে ফেলে।...

 
বাংলাদেশে চাকরি করছে ‘৫ লাখ’ ভারতীয়, অধিকাংশই অবৈধ | কালের কণ্ঠ