kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

বানরের উৎপাতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী, বাঁচাল ‘রয়্যাল বেঙ্গল ডগ’!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বানরের উৎপাতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী, বাঁচাল ‘রয়্যাল বেঙ্গল ডগ’!

বানর তাণ্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। বাড়িতে যখন তখন ঢুকে পড়া ছাড়াও চাষের ক্ষেতে বানরের দাপাদাপিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল। হাজার চেষ্টার পরও বানরের উপদ্রব কিছুতেই বন্ধ করা যাচ্ছিল না। ফসলের ক্ষতির পরিমাণ দিনের পর দিন বেড়েই চলছিল। 

অবষেশে বাঘের ভয় দেখিয়ে হনুমান তাড়ানোর ফন্দি আঁটেন এক কৃষক। কৌশলে কাজও হয়। কিছুটা হলেও কমে বানরের তাণ্ডব। এরপর ওই কৃষকের দেখাদেখি গ্রামের বাকি বাসিন্দারাও একই কৌশলে বাঘের ভয় দেখিয়ে বানর তাড়াতে শুরু করেন।

কী ভাবছেন? বানরের উপদ্রব থেকে বাঁচতে গ্রামবাসীরা বাড়িতে বাঘ পুষতে শুরু করেছেন? মোটেই না। এলাকার কুকুরদের ধরে ধরে তাদের গায়ে বাঘের মতো ডোরা-কাটা দাগ এঁকে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। আর তাতেই কমেছে বানরের উপদ্রব। অদ্ভুত এই কৌশল কাজে লাগিয়ে বানরের উপদ্রব ঠেকিয়েছেন কর্ণাটকের তীর্থহল্লির নল্লুর গ্রামের বাসিন্দারা। 

নল্লুরের শ্রীকান্ত গৌড়া জানান, ছোটবেলায় তার বাবার থেকে জেনেছিলেন, বাঘ দেখলে এলাকা ছেড়ে পালায় বানরের দল। প্রথমে খেলনা বাঘ দিয়েও বানর তাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে খুব বেশি দিন নিশ্চিন্তে থাকা যায়নি। তাই অবশেষে তার প্রিয় কুকুর বুলবুলের সারা গায়ে বাঘের মতো ডোরা-কাটা দাগ এঁকে দেন শ্রীকান্ত। গায়ে ডোরা-কাটা দাগ নিয়ে বুলবুল ‘রয়্যাল বেঙ্গল ডগ’ হয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াতেই ফল মেলে হাতেনাতে। দেখতে দেখতে বানরের উপদ্রব কমে আসে ওই এলাকায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা