• ই-পেপার

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট ২০২৩

সেরা ৫২ স্টার্টআপ পেল ৭ কোটি টাকার অনুদান

কানাডায় ৯০০ কোটি ডলারে প্রথম ডেটা সেন্টার গড়ছে মেটা

অনলাইন ডেস্ক
কানাডায় ৯০০ কোটি ডলারে প্রথম ডেটা সেন্টার গড়ছে মেটা
ছবিঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সক্ষমতা বাড়াতে কানাডায় প্রথম বড় ডেটা সেন্টার নির্মাণ করবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা। এ প্রকল্পে প্রায় ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার (৯ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করা হবে।

বুধবার (৮ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ডেটা সেন্টারটি কানাডার আলবার্টা প্রদেশে নির্মাণ করা হবে। এর সক্ষমতা হবে ১ গিগাওয়াট। নির্মাণকাজ শেষ হতে দুই থেকে তিন বছর লাগবে।

এটি হবে মেটার ৩৩তম ডেটা সেন্টার। পাশাপাশি এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণে এটি কোম্পানির সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি।

পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, উন্নত অবকাঠামো এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার কারণে আলবার্টাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে স্টার্জন কাউন্টিতে। সেখানে আগে থেকেই শিল্পাঞ্চলের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে।

মেটার এক মুখপাত্র জানান, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ, শক্তিশালী বিদ্যুৎ গ্রিড, দক্ষ জনবল এবং স্থানীয় অংশীদারদের সহযোগিতার কারণেই এই স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।

মেটা ভবিষ্যতে ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবসায়ও প্রবেশ করতে চায়। সে জন্য অতিরিক্ত কম্পিউটিং সক্ষমতা অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিজেদের এআই মডেলে প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

তবে চলতি বছরে এআই খাতে সর্বোচ্চ ১,৪৫০ কোটি ডলার (১৪৫ বিলিয়ন ডলার) পর্যন্ত মূলধন ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। কারণ, এআই প্রতিযোগিতায় মেটা এখনও ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও গুগলের তুলনায় পিছিয়ে আছে। এছাড়া অনলাইন বিজ্ঞাপনের বাইরে আয়ের নতুন উৎসও এখনও স্পষ্ট নয়।

বড় ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিবেশগত প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ, পানির ব্যবহার এবং শব্দদূষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

মেটা জানায়, প্রকল্পের জন্য কানাডার কয়েকটি জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আগেই সমন্বয় করা হয়েছে। নির্মাণকাজের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্যও অর্থায়ন করা হবে।

বাংলাদেশে এআই মেধা বিকাশে সহযোগিতা করছে জাইকা

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে এআই মেধা বিকাশে সহযোগিতা করছে জাইকা
সংগৃহীত ছবি

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎসুও-ইওয়াসাওয়া ল্যাবরেটরির (মাৎসুও ল্যাব) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষা কর্মসূচি জিসিআই ওয়ার্ল্ড ২০২৬ সমাপ্ত হয়েছে।

১৪ সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজন্মের মেধাবী উদ্ভাবকদের এআই, ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং বিষয়ে দক্ষ করে তোলা।

মাৎসুও-ইওয়াসাওয়া ল্যাবরেটরির গ্লোবাল এডুকেশন প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচালিত জিসিআই ওয়ার্ল্ডে এ বছর ১১৪টি দেশের ২৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী।

প্রোগ্রামের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জিসিআই ওয়ার্ল্ড হ্যাকাথন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব সমস্যার সমাধানে এআইভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া জাপানের শীর্ষস্থানীয় এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাৎসুও-ইওয়াসাওয়া ল্যাবরেটরির গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং ব্যবসা ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন।

৮ জুলাই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইন ও সরাসরি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিশিষ্ট অতিথি অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ এআই ট্যালেন্ট তৈরি করা।

জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেজেন্টেটিভ মোরিকাওয়া ইউকো বলেন, ‘এআই শিক্ষাকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, গবেষণা ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশ নিজস্ব সমস্যার সমাধান নিজেই করতে পারবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্বকে নতুন নতুন উদ্ভাবনও উপহার দিতে সক্ষম হবে।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘আউটস্ট্যান্ডিং স্টুডেন্ট সার্টিফিকেট’ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশ্বব্যাপী নির্বাচিত ১৭ জন সেরা শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ থেকেও একজন স্থান পেয়েছেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আগামী আগস্টে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎসুও ল্যাব পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

জাইকার মতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন বাস্তবায়ন করা হয়েছে। জিসিআই ওয়ার্ল্ডের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কর্মসূচিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এআই, ডেটা সায়েন্স ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল রূপান্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনে কোটি কোটি ডলার ঢালছে এআই কম্পানিগুলো, কেন?

অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচনে কোটি কোটি ডলার ঢালছে এআই কম্পানিগুলো, কেন?
ছবি ঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু প্রযুক্তির জগতে সীমাবদ্ধ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও নিজেদের প্রভাব বাড়াতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে এআই কম্পানিগুলো। তাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে এআই নিয়ে যেসব আইন ও নীতিমালা তৈরি হবে, সেগুলো প্রণয়নে ভূমিকা রাখা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনকে সামনে রেখে এআই-সংশ্লিষ্ট দুটি বড় রাজনৈতিক তহবিল বা সুপার পিএসি ইতিমধ্যে ২০ কোটি (২০০ মিলিয়ন) ডলারের বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত ৪৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করা হয়েছে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের ৪০ জন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে।

কেন এত অর্থ ব্যয় করছে এআই কম্পানিগুলো?

এআই প্রযুক্তি দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ব্যবসা, শিল্প ও সরকারি সেবাসহ প্রায় সব খাতে ছড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা, ভুয়া তথ্য, চাকরির ভবিষ্যৎ এবং শক্তিশালী এআই ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে এআই নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন তৈরির আলোচনা চলছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো চায়, এসব আইন যেন উদ্ভাবনের গতি কমিয়ে না দেয় এবং ব্যবসার জন্য অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকে।

আই

কারা অর্থ দিচ্ছে?

সবচেয়ে বড় এআইভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন লিডিং দ্য ফিউচার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১২৫ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। এই তহবিলে অর্থ দিয়েছেন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান অ্যান্ড্রিসেন হোরোউইটজ, ওপেনএআইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান, প্যালান্টিরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জো লনসডেল, এসভি অ্যাঞ্জেলের প্রতিষ্ঠাতা রন কনওয়ে এবং এআই প্রতিষ্ঠান পারপ্লেক্সিটি।

অন্যদিকে পাবলিক ফার্স্ট অ্যাকশন জুনের শেষ পর্যন্ত ৮০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে অ্যানথ্রোপিক ২০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। তবে এই অর্থ রাজনৈতিক প্রচারের জন্য নয়, বরং এআই নীতিমালা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির কাজে ব্যয় করা হবে।

যাদের সমর্থন, তারাই এগিয়ে

এআই-সমর্থিত সুপার পিএসিগুলোর প্রভাব ইতিমধ্যেই নির্বাচনে দেখা যাচ্ছে।

লিডিং দ্য ফিউচার যেসব ২৮ জন প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে, তাদের মধ্যে ২৫ জনই প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে পাবলিক ফার্স্ট অ্যাকশন যেসব প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে, তাদের প্রায় সবাই জয় পেয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী রাজনীতিতে এআই শিল্পের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে।

আই

কী ধরনের আইন চায় তারা?

দুটি সংগঠনই এআই নিয়ন্ত্রণে আইন চাইলেও, সেই আইনের ধরন নিয়ে তাদের অবস্থান পুরোপুরি এক নয়।

লিডিং দ্য ফিউচার চায়, পুরো যুক্তরাষ্ট্রে এআই নিয়ন্ত্রণে একটি অভিন্ন জাতীয় আইন থাকুক, যাতে সব অঙ্গরাজ্যে একই নিয়ম কার্যকর হয়।

অন্যদিকে পাবলিক ফার্স্ট অ্যাকশন মনে করে, অঙ্গরাজ্যগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের আইন করার সুযোগ পাবে। তবে কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ ফেডারেল আইন হলে সেটিকে তারা সমর্থন করবে।

যেখানে উভয়ের মত এক

দুটি সংগঠনই মনে করে, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহার এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন।

নতুন শক্তিশালী রাজনৈতিক লবি

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক বছর আগে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত যেভাবে নির্বাচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে নিজেদের পক্ষে আইন প্রণয়নে প্রভাব ফেলেছিল, এখন একই পথ অনুসরণ করছে এআই শিল্প।

তাদের ধারণা, আগামী কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে এআই-সংক্রান্ত যেসব গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হবে, সেগুলোর পেছনে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর এই রাজনৈতিক বিনিয়োগ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

হংকংয়ে লাক্সশেয়ারের প্রথম দিনের লেনদেনে শেয়ারদর কমল

অনলাইন ডেস্ক
হংকংয়ে লাক্সশেয়ারের প্রথম দিনের লেনদেনে শেয়ারদর কমল
ছবিঃ রয়টার্স

অ্যাপলের এয়ারপড উৎপাদনকারী এবং যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী চীনা প্রতিষ্ঠান লাক্সশেয়ার প্রিসিশন ইন্ডাস্ট্রি হংকং শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করেছে। তবে প্রথম দিনেই কম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

গত বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর পর একপর্যায়ে শেয়ারটির দাম প্রায় ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। পরে বুধবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও দিন শেষে শেয়ারটি ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ৬২ দশমিক ৩০ হংকং ডলারে লেনদেন শেষ করে।

চলতি বছরে হংকংয়ের সবচেয়ে বড় প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি (আইপিও) করেছে লাক্সশেয়ার। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৬৩ দশমিক ২৮ হংকং ডলার নির্ধারণ করে কম্পানিটি ২৪ দশমিক ২৭ বিলিয়ন হংকং ডলার (প্রায় ৩০৯ কোটি মার্কিন ডলার) সংগ্রহ করেছে।

লাক্সশেয়ার আগে থেকেই চীনের শেনজেন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি শুরুতে অ্যাপলের এয়ারপড সংযোজনের কাজ করলেও বর্তমানে ভোক্তা ইলেকট্রনিকস, গাড়ির ইলেকট্রনিকস, যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ডেটা সেন্টারের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করছে।

কম্পানিটির মোট আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশই অ্যাপল থেকে আসে। ২০২৫ সালে লাক্সশেয়ারের আয় দাড়ায় ৩৩২ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ইউয়ান, যা আগের বছরের ২৬৮ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ইউয়ান থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ ও কৌশলগত অংশীদারত্বে গুরুত্ব দিচ্ছে লাক্সশেয়ার। চলতি বছরের এপ্রিলে জার্মানির অটোমোটিভ কেবল নির্মাতা লিওনি এজি-তে নিজেদের নিয়ন্ত্রণমূলক অংশীদারি বাড়িয়ে ৭৪ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করেছে।

এ সপ্তাহে হংকং শেয়ারবাজারে লাক্সশেয়ার ছাড়াও স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মোমেন্টা এবং চিপ নির্মাতা নেক্সচিপ শেয়ারবাজারে এসেছে। 

সেরা ৫২ স্টার্টআপ পেল ৭ কোটি টাকার অনুদান | কালের কণ্ঠ