kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বাংলাদেশ ৪০০ আইডির বিষয়ে জানতে চায় গত বছর, ফেসবুক তথ্যসহায়তা দিচ্ছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মে, ২০১৯ ১৪:৩২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ ৪০০ আইডির বিষয়ে জানতে চায় গত বছর, ফেসবুক তথ্যসহায়তা দিচ্ছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের কাছ থেকে গত এক বছরে মোট ৪০০টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। সে আবেদনে সাড়া দিয়ে বেশ কিছু তথ্য সরকারকে দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২০৫টি অ্যাকাউন্ট এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৯৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছিল সরকার। তবে তাদের সবগুলো তথ্য সরকারকে সরবরাহ করেনি ফেসবুক।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২০৫টি আইডির তথ্যের চাহিদার ৫৭ শতাংশ তথ্য সরকারকে সরবরাহ করে ফেসবুক। অন্যদিকে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৯৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্যের চাহিদার বিপরীতে সরকারকে ৪৪ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করে ফেসবুক।

সম্প্রতি গত বছরের এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ফেসবুক। এ বছরের তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। পরিসংখ্যানে প্রকাশ, গত বছরের প্রথম অর্ধবছরে ফেসবুক সরকারকে ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করলেও শেষ অর্ধাংশে এ তথ্য সরবরাহ করার হার কমে ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার নিজেদের নিয়মিত ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট প্রকাশ করে ফেসবুক। প্রতি ছয় মাস পরপর এই রিপোর্ট প্রকাশ করে ফেসবুক। এতে বিভিন্ন দেশের সরকারের তথ্য চাওয়ার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। তবে কোন কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য সরকার চেয়েছে বা সরকারকে দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয় না।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য পাওয়ার জন্য সরকারের অনুরোধ বৈশ্বিক পর্যায়ে ৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৮ সালের শেষ ছয় মাসের সরকারি অনুরোধের হিসাব প্রকাশ করে ফেসবুক তাদের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ফেসবুকের কাছ থেকে কোন কোন দেশ বেশি তথ্য চায়? এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ একজন নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে করা অনুরোধের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে এবং তারপরের অবস্থানে আছে ভারত।

এছাড়া বাংলাদেশ থেকে একটি কনটেন্ট বন্ধ করার অনুরোধও পেয়েছিল বলে জানিয়েছে ফেসবুক। অবৈধ ছদ্মবেশের অভিযোগে একটি ভিডিও নিয়ে অভিযোগ ওঠায় তা বাংলাদেশে দেখানো নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশে জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ২২ ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল বলেও উঠে এসেছে ফেসবুকের তথ্যে।

গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে ফেসবুকের কাছে ১৯৫টি অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে চায় বাংলাদেশ সরকার। এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় তথ্য চাওয়া হয় ১৯টি অ্যাকাউন্টের। আর জরুরি ভিত্তিতে করা হয় ১৩০টি অনুরোধ। সরকারের জরুরি অনুরোধের ক্ষেত্রে ৪৪ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করলেও আইনি অনুরোধে ১৬ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা