• ই-পেপার

সময়ের সীমানা পেরিয়ে ৮৭-তেও অমলিন আব্দুল হাদী

পারিশ্রমিকে নায়িকাদের শীর্ষে আলিয়া

বিনোদন ডেস্ক
পারিশ্রমিকে নায়িকাদের শীর্ষে আলিয়া
সংগৃহীত ছবি

যশরাজ ফিল্মসের বহুল প্রতীক্ষিত স্পাই থ্রিলার ‘আলফা’ এখনও মুক্তি পায়নি, কিন্তু এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ছবিটির তারকাদের পারিশ্রমিক। বিশেষ করে আলিয়া ভাটের পারিশ্রমিক নতুন করে চমকে দিয়েছে বলিউডকে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘আলফা’তে কেন্দ্রীয় স্পাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আলিয়া ভাট নিয়েছেন ২৫ কোটি রুপি। এই অঙ্কের মাধ্যমে পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনি বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকায় নতুন মাইলফলক গড়েছেন। একই সঙ্গে পারিশ্রমিকের হিসেবে ছাড়িয়ে গেছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফকে।

একসময় বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের মধ্যে ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হলিউডের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েই বেশি ব্যস্ত। অন্যদিকে ক্যাটরিনা কাইফও দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বড় পর্দায় দেখা যাচ্ছেন না। 

বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ক্যাটরিনা প্রতি সিনেমায় প্রায় ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন। আর ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’খ্যাত দীপিকা পাড়ুকোনের পারিশ্রমিক ২০ কোটির কিছু বেশি।

‘আলফা’য় আলিয়ার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি দেওল। ‘অ্যানিম্যাল’-এর পর ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করা এই অভিনেতা ছবিটির জন্য প্রায় ৬ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

ছবির আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন শর্বরী ওয়াঘ। যশরাজ ফিল্মসের ব্যানারেই বলিউডে অভিষেক হওয়া এই অভিনেত্রী ‘আলফা’র জন্য প্রায় ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। একই অঙ্কের পারিশ্রমিক পেয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অনিল কাপুরও।

এদিকে যশরাজের স্পাই ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র ‘কবির’ হিসেবে বিশেষ উপস্থিতিতে (ক্যামিও) দেখা যাবে হৃত্বিক রোশনকে। তবে এই সংক্ষিপ্ত উপস্থিতির জন্য তিনি কত পারিশ্রমিক নিয়েছেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

অ্যাকশনধর্মী এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ স্পাই চরিত্রে দেখা যাবে আলিয়া ভাটকে। খবরটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। 

অনেকেই মনে করছেন, এমন হেভিওয়েট অ্যাকশন চরিত্রে আলিয়াকে দেখা নতুন অভিজ্ঞতা হবে, আবার কেউ কেউ এ নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন। তবে নির্মাতারা ছবিটির সাফল্য নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

‘টক্সিক’-এর নতুন টিজারে চমকপ্রদ যশের নায়িকারা

বিনোদন ডেস্ক
‘টক্সিক’-এর নতুন টিজারে চমকপ্রদ যশের নায়িকারা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে ইয়াশ অভিনীত বহুল আলোচিত প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা ‘টক্সিক : অ্যা ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’-এর নতুন ঝলক। এবার দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ছবির নারী চরিত্রগুলোকে, যেখানে একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন রূপে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘লেডিস অ্যান্ড লেডিস’ শিরোনামের ভিডিওটি শুরুতেই একটি সতর্কবার্তা দিয়ে শুরু হয়। সেখানে শিশুদের ভিডিওটি না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

এরপর ভয়েসওভারে শোনা যায়, ‘ভালোবাসা নারীদের দানবীতে পরিণত করে। এর ছলনার গভীরতা উপলব্ধি করতে পারলে এটি একটি সুন্দর বিভ্রম।’ এই সংলাপের সঙ্গে একে একে হাজির হন ছবির পাঁচ অভিনেত্রী।

Kids Stay Away From Toxic Ladies -

ভিডিওতে নয়নতারাকে দেখা যায় সুপারবাইক চালাতে এবং একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নিতে। কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া ও হুমা কুরেশি নিজেদের গ্ল্যামারাস উপস্থিতিতে নজর কাড়েন। অন্যদিকে রুক্মিণী বসন্তকে রহস্যময়ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক দৃশ্যে তাকে কারো দিকে বন্দুক তাক করে থাকতে দেখা যায়।

ঝলকের শেষ দিকে যশকে দেখা যায় এক স্টাইলিশ অ্যাকশন সিকোয়েন্সে, যেখানে নারী যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় তাকে। নতুন এই ভিডিওটি আবারও ইঙ্গিত দিয়েছে, সিনেমাটি একটি স্টাইলাইজড পিরিয়ড অ্যাকশন ড্রামা হতে যাচ্ছে।

Rate the new glimpse of Toxic out of 10 ? #Toxic #ToxicOnAugust26 #Yash

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’ মূলত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও এটি প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা হিসেবে একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে। ছবিতে যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুক্মিণী বসন্ত, নয়নতারা, কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি ও তারা সুতারিয়া।

সিনেমাটি প্রথমে ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। পরে আন্তর্জাতিক পরিবেশনা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এরপর ৪ জুন মুক্তির পরিকল্পনাও পিছিয়ে যায়। সবশেষে নির্মাতারা আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ‘টক্সিক’কে বড় ক্যানভাসের সিনেমা হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় পুরস্কারজয়ী রাজীব রবি সিনেমাটির চিত্রগ্রাহক, সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন রবি বসরুর, সম্পাদনার দায়িত্বে উজ্জ্বল কুলকার্নি এবং প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন টিপি আবিদ।

এ ছাড়া হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন পরিচালক জেজে পেরি, যিনি ‘জন উইক’ সিরিজে কাজ করেছেন; জাতীয় পুরস্কারজয়ী অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার জুটি আনবারিভ এবং কেচা খামফাকদির সঙ্গে মিলে সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণ করেছেন। ফলে অ্যাকশনপ্রেমীদের প্রত্যাশার পারদ আরও বেড়ে গেছে।

আনুশকার ১৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

বিনোদন ডেস্ক
আনুশকার ১৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই ছবিটি ভেঙে দিয়েছে তেলুগু সিনেমার একটি ১৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড। এর মাধ্যমে আনুশকা শেঠির দীর্ঘদিনের একটি কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।

পরিচালক বিভি নন্দিনী রেড্ডির নির্মাণে ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া নারীপ্রধান এই সিনেমাটি ইতোমধ্যেই ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। ফলে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে গেছে এটি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ডটি ছিল ‘অরুন্ধতী’র দখলে।

Maa Inti Bangaaram' movie review: Samantha is winsome in an entertaining  but uneven action drama - The Hindu

তবে সামান্থার সামনে এখন আরও বড় লক্ষ্য। তেলুগু ভাষার নারীপ্রধান সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড এখনও রয়েছে ২০১৮ সালের ‘মহনতি’র ঝুলিতে। কীর্তি সুরেশ অভিনীত সেই ছবির আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।

বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ সেই রেকর্ডও ভেঙে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ আয়কারী নারীপ্রধান সিনেমার তকমা অর্জন করবে।

তেলুগু চলচ্চিত্রে বরাবরই নায়কনির্ভর সিনেমার আধিপত্য দেখা যায়। ১০০, ৫০০ কিংবা ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে সাধারণত পুরুষ তারকাদের ছবিই জায়গা করে নেয়। সেই বাস্তবতায় নারীপ্রধান একটি সিনেমার এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

ফিফার বিশ্বকাপ পেজে বাংলাদেশের গান

বিনোদন প্রতিবেদক
ফিফার বিশ্বকাপ পেজে বাংলাদেশের গান
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষার একটি অনুপ্রেরণামূলক গানের লাইন এবার জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরের অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে। ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোর প্রত্যাবর্তনকে তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়েছে বহুল পরিচিত লাইন—‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে’।

মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময়) বিকেল ৩টা ৫২ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটিতে কোনো অনুবাদ ছাড়াই বাংলা ভাষাতেই লাইনটি ব্যবহার করা হয়। ব্রাজিলের ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়া সেই পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই পোস্টটিতে ৭৫ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি মন্তব্য এবং দেড় হাজারেরও বেশি শেয়ার জমা পড়ে।

বিশ্বমঞ্চে নিজের লেখা গানের এমন ব্যবহার দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন গীতিকার আসিফ ইকবাল। ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি স্মরণ করেন, ২০০৪ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান : তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার জন্য গানটি লিখেছিলেন তিনি। এতে সুর করেছিলেন নকীব খান। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু, পার্থ বড়ুয়া, কনকচাঁপা, বাপ্পা মজুমদার, দিনাত জাহান মুন্নীসহ একাধিক শিল্পী।

স্ট্যাটাসে আসিফ জানান, গানটি লেখার সময় তিনি কখনো ভাবেননি এটি একদিন কোটি মানুষের অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠবে। তার বিশ্বাস ছিল, হয়তো কিছু মানুষ গানটি শুনবে, গুনগুন করবে কিংবা কঠিন সময়ে সাহস পাবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে গানটি মানুষের জীবনের নানা প্রেক্ষাপটে নতুন অর্থ খুঁজে নিয়েছে।

তিনি জানান, গানটির লাইন দেশের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে খেলাধুলার মাঠ, সভামঞ্চ, সংকট কিংবা বিজয়ের মুহূর্ত—নানা উপলক্ষে এটি উচ্চারিত হয়েছে। পরে এই গানের জনপ্রিয়তা থেকেই নিজের একটি বইয়ের নামও রাখেন ‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট’। 

তবে ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল পেজে নিজের লেখা দেখতে পাবেন, এমন কল্পনাও কখনো করেননি বলে জানিয়েছেন এই গীতিকার। 

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘আল্লাহর পরিকল্পনা আমার কল্পনার চেয়ে অনেক বড়। আজ সেই একই লাইন ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল পেজে। আমার প্রিয় খেলোয়াড় কাসেমিরোর ছবিসহ ব্রাজিলের ফিরে আসার গান হিসেবে। বাংলায়। কোনো অনুবাদ ছাড়া। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুটবল মঞ্চে।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘একটা লাইন। গান থেকে সংসদে। সংসদ থেকে বইয়ের নামে। বই থেকে ফিফার পেজে। প্রতিটা ধাপে আমি শুধু দিয়ে গেছি। কোনো দিন ভাবিনি, কোথায় কী পৌঁছাবে।’

এই স্বীকৃতিকে নিজের একার অর্জন হিসেবে দেখতে নারাজ আসিফ ইকবাল। বরং এটি বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সম্মান বলেই মনে করেন তিনি। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লিখেছেন, ‘এই অর্জন আমার না। এ অর্জন বাংলাদেশের। বাংলা ভাষার। চট্টগ্রামের একটা ছেলে একদিন একটা লাইন লিখেছিল। সে লাইন আজ বিশ্বমঞ্চে। কারণ ছোট দেশের ছোট মানুষের কথাও একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মঞ্চে পৌঁছায়। শুধু লক্ষ্য থাকতে হয় অটুট।’