• ই-পেপার

‘জীবন কোনো দিনই সরল ছিল না, হবেও না’

জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চান, জানালেন তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চান, জানালেন তটিনী
সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। বিশেষ করে প্রেম ও বিয়ে প্রসঙ্গে প্রায়ই আলোচনায় আসেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রেমের গুঞ্জন, বিয়ের পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যতের জীবনসঙ্গী নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

কিছুদিন আগে অভিনেতা ইয়াশ রোহানের সঙ্গে তটিনীর প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সেই জল্পনা আবারও উড়িয়ে দিয়ে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইয়াশ তার শুধুই একজন ভালো বন্ধু, এর বেশি কিছু নয়।

তটিনীর কথায়, ‘হি ইজ আ ভেরি গুড ফ্রেন্ড অফ মাইন। এটা আমি অনেকবারই বলেছি। যদি প্রেম থাকত, তাহলে বিষয়টি আরও ব্যক্তিগতভাবে সামলাতাম। এটা নিয়ে কথা বলার সুযোগই দিতাম না। তাই নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, কোনো প্রেম নেই।’

লাইটস্ট্যান্ড মাথায় পড়ে আহত তটিনী, সবশেষ অবস্থা নিয়ে যা জানা গেল

প্রেম না থাকলেও বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনার কথা অকপটে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, সঠিক মানুষকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে চান তিনি। এমন একজন, যিনি তাকে, তার পরিবারকে এবং তার পেশাকে সম্মান করবেন।

এ প্রসঙ্গে তটিনী বলেন, ‘বিয়ে করব যখন সঠিক মানুষ পাব। যে মানুষ আমাকে প্রপার সম্মান দেবে, আমাকে, আমার প্রফেশনকে এবং আমার পরিবারকে ভালোবাসবে। আমার কাছে মনে হয়, জীবনে ভালোবাসার মানুষের থেকেও ভালো রাখার মানুষ বেশি দরকার। আল্লাহ যদি সঠিক সময়ে সঠিক মানুষ দেন, তাহলে অবশ্যই বিয়ে করব।’

সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালোবাসার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্মান, মানসিক স্বস্তি এবং নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বলেও জানান তিনি। তার বিশ্বাস, শুধু ভালোবাসা দিয়ে একটি সম্পর্ক টিকে থাকে না; একজন মানুষ যদি সম্মান ও মানসিক শান্তি দিতে না পারেন, তবে সেই সম্পর্কে প্রকৃত সুখ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

২৬ বছর পর বাংলা সিনেমায় অনুপম খের

বিনোদন ডেস্ক
২৬ বছর পর বাংলা সিনেমায় অনুপম খের
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও বাংলা চলচ্চিত্রে ফিরছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা অনুপম খের। এবার অভিনেতা হিসেবে নয়, প্রযোজকের ভূমিকায় নতুন বাংলা সিনেমা ‘শুরু থেকে শুরু’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত ‘বাড়িওয়ালি’ ছবির প্রযোজনার পর বাংলা চলচ্চিত্রে আর সক্রিয় ছিলেন না অনুপম। মাঝখানে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তিকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে তৈরি হওয়া জটিলতায়ও হতাশ হয়েছিলেন তিনি। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ফের বাংলায় কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা-প্রযোজক।

অনুপম প্রযোজিত নতুন ছবি ‘শুরু থেকে শুরু’ পরিচালনা করবেন শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরদৌসুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করছেন তিনি। সিনেমাটির প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করবেন টোটা রায়চৌধুরী, পাওলি দাম ও রাহুল বোস।

May be an image of dais

পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন অনুপম। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, নতুন সরকারের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার ইচ্ছার কথাও তুলে ধরেন।

অনুপম বলেন, ‘এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির থেকেই আমাদের সবকিছু শেখা। বাংলা থেকে শুরু পথচলা। গান-বাজনা হোক অথবা সিনেমা, সাহিত্য অথবা পরিচালনা সবকিছুই এই বাংলার থেকেই শিখেছি আমি। তাই আমি চাই বাংলায় অ্যাক্টিং স্কুল বানাতে। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে শুভকামনা জানিয়েছেন। আগামী দিনে এই স্কুল তৈরির স্বপ্নকে পূরণ করার ইচ্ছা আছে।’

গল্পের দিক থেকেও ব্যতিক্রমী হতে যাচ্ছে ‘শুরু থেকে শুরু’। একদিকে বাবা-মেয়ের আবেগঘন সম্পর্ক, অন্যদিকে এক দম্পতির জীবনের কঠিন বাস্তবতা—দুটি সমান্তরাল গল্পকে কেন্দ্র করেই এগোবে সিনেমার কাহিনি। পাহাড়ের শান্ত ও নৈসর্গিক পরিবেশে নির্মিত হবে ছবিটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

পরিচালক শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যও এটি একটি বিশেষ কাজ। দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপন নির্মাণে যুক্ত থাকলেও এটিই তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে শুটিং। এরপর আগামী বছর বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সিনেমাটির।

অনুভূতি জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত মিম

বিনোদন প্রতিবেদক
অনুভূতি জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত মিম

ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে অরিজিনাল ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। গল্প, নির্মাণশৈলী ও অভিনয়ের জন্য ইতিমধ্যেই দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে ছবিটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়েও ছবিটি নিয়ে চলছে ইতিবাচক আলোচনা।

গত ২৫ জুন রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অডিটোরিয়ামে ‘লাইফলাইন’-এর বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রটির কলাকুশলী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। প্রদর্শনী শুরুর আগে চলচ্চিত্রটির সম্পাদক ময়ূখ বারীর বাবার প্রয়াণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

ছবি প্রদর্শন শেষে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। বাবা-মেয়ের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত গল্পে খায়রুল আলম সবুজ ও মিমের অভিনয় দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে খায়রুল আলম সবুজের কণ্ঠও আবেগে ভারী হয়ে ওঠে।

মিম ও রেজওয়ান পারভেজের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়েছেন আ খ ম হাসান। দীর্ঘদিন পর ওটিটিতে তার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, ‘এটা পরিচালকরা ভালো বলতে পারবেন। আমি অভিনেতা, যেখানে কাজ করার সুযোগ পাই সেখানেই কাজ করি।’

নিজের অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘পর্দায় আমার চরিত্র দেখে ওই চরিত্রকেই মনে হয়েছে, মনে হয়নি আ খ ম হাসান অভিনয় করছেন। এটা পরিচালক এবং ইউনিটের সাফল্য।’

চলচ্চিত্রটির ‘আমারে নাও’ গানটিও দর্শক-শ্রোতাদের মন জয় করেছে। কাজী আসাদের কথায় এবং জাহিদ নিরবেনের সুর ও সংগীত পরিচালনায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। 

চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে নির্মাতা কাজী আসাদ বলেন, ভালোবাসার টানে একজন মানুষ কত দূর যেতে পারে, আর সেই পথে কত বড় ঝুঁকি নিতে পারে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মধ্য দিয়েই এগিয়েছে ‘লাইফলাইন’। শহুরে মেয়ে অনন্যার দুর্গম যাত্রা এবং তার পরিণতির ভেতর দিয়ে গভীর কিছু মানবিক অনুভূতির গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

‘লাইফলাইন’-এ অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, রেজওয়ান পারভেজ, গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, খায়রুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা নূর আয়াত ও ফাতেমাতুজ জোহরা ইভা।

সিয়া-কেতন কাণ্ডে তোলপাড়, মুখ খুললেন কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক
সিয়া-কেতন কাণ্ডে তোলপাড়, মুখ খুললেন কঙ্গনা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের বহুল আলোচিত সিয়া গয়াল ও কেতন আগারওয়াল হত্যা মামলায় এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি নিজের মতামত জানান।

মহারাষ্ট্রের লোহাগড় দুর্গে ট্রেকিংয়ের সময় ২৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী কেতন আগারওয়ালের মৃত্যু প্রথমে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও, তদন্তে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় কেতনের বাগ্‌দত্তা সিয়া গয়াল এবং তাঁর কথিত প্রেমিক চেতন চৌধরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিয়ার পাশাপাশি তাঁর পরিবারেরও সমালোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান কঙ্গনা।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, ‘এখনকার দিনে শুধু কোনো পরিবারের পরিবেশ বা বাবা-মাকে দেখে সন্তানের আচরণ বা স্বভাব সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কে তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করছে? বা তারা কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে? সমাজমাধ্যম বা বাস্তব জীবনে তাদের উপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে? এগুলো দেখা উচিত।’

অভিনেত্রী ও সাংসদ আরো লেখেন, ‘সন্তানের সব কাজের জন্য বাবা-মাকে দায়ী করা যায় না। তাই সন্তানের কাজের জন্য পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত নয়।’

কঙ্গনার মতে, বর্তমান সময়ে মানুষের চিন্তাভাবনা ও আচরণ গঠনে শুধু পারিবারিক পরিবেশ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই কোনো অপরাধের ঘটনায় পরিবারের ওপর দায় চাপানোর আগে এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

পুলিশের তথ্যমতে, ট্রেকিংয়ের সময় লোহাগড় দুর্গসংলগ্ন একটি খাদে পড়ে কেতনের মৃত্যু হয়। তদন্তে অভিযোগ ওঠে, সিয়া ও তাঁর কথিত প্রেমিক চেতন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এরপরই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে সিয়ার পরিবারও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে। তাঁর মা জানিয়েছেন, তদন্তে মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষেই থাকবেন। অন্যদিকে, সিয়ার বাবা অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।