• ই-পেপার

ভয় নেই শিখা, আমরা দুইজন মিলে চায়ের দোকান দিব : মনিরা মিঠু

‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’

অনলাইন ডেস্ক
‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’
সংগৃহীত ছবি

কন্যাসন্তান হওয়ায় জন্মের পরপরই নিজের পরিবার থেকে চরম অবহেলা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়েছিল বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া পূজা চোপড়াকে। এমনকি তাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল তার বাবার পরিবার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সেই অন্ধকার ও কষ্টদায়ক অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। মায়ের অদম্য সাহসের কারণে কিভাবে তিনি আজ এই অবস্থানে এসেছেন, সেই গল্পও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে পূজার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তার মা নীরা চোপড়াও। তিনি জানান, তাদের প্রথম সন্তানও ছিল মেয়ে। দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে ছেলে সন্তানের জন্য তার ওপর প্রবল চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু যখন জানা যায় আবারও মেয়ে হতে চলেছে, তখন পরিস্থিতি আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। নীরাকে গর্ভপাত করানোর জন্যও চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।

পূজা জানান, তার জন্মের পর বাবার পরিবার কোনোভাবেই তাকে মেনে নিতে পারেনি। কন্যাসন্তান হওয়ার অপরাধে তার বাবা স্ত্রী নীরা এবং দুই মেয়েকে একা ফেলে চলে যান। এরপর চরম অর্থনৈতিক অনটন, সামাজিক কটূক্তি আর একাকীত্বের সঙ্গে লড়াই করে দুই মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করেন তার মা।

মায়ের এই দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে সাক্ষাৎকারে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পূজা চোপড়া। মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার মা। যদি মা সেই সময় সমাজ ও পরিবারের চাপের কাছে মাথা নত করতেন, তাহলে হয়তো আজ আমার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। মায়ের সংগ্রাম আর সাহসের কারণেই আমি আজ এই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি।’

সূত্র : এই সময়

চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে : জ্যাকি চ্যান

অনলাইন ডেস্ক
চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে : জ্যাকি চ্যান
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বখ্যাত অ্যাকশন তারকা ও মার্শাল আর্টস কিংবদন্তি জ্যাকি চ্যান তার চলচ্চিত্র জীবনের শুরুর দিকের তিনটি বড় ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সেই ইচ্ছাগুলো সব সময় চীনা সিনেমা, চীনা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে ছিল। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করে তিনি এই স্মৃতিকাতর বার্তা দেন।

৭১ বছর বয়সী এই অভিনেতা চীনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে কাটানো পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। এর মধ্যে ২০০৪ সালে বেইজিংয়ের মহাপ্রাচীর, ২০১০ সালের সাংহাই ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০১৯ সালে শানশিতে তোলা ছবি রয়েছে। এই ছবিগুলো নিয়ে জ্যাকি চ্যান বলেন, এই পুরনো ছবিগুলো দেখে আমি এখনো সেই দিনগুলোর ক্লান্তি, উত্তেজনা আর চীনের শুটিং সেটে ফেলে আসা তারুণ্যের শক্তি অনুভব করতে পারি। এত বছর ধরে আমি পৃথিবীর যেখানেই গেছি, সারা বিশ্বের মানুষ আমাকে ভালোবেসে ‘জ্যাকি’ বলে ডেকেছে।

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের কাছে চীনা সংস্কৃতিকে পরিচিত করিয়েছেন জ্যাকি চ্যান। তবে এই আন্তর্জাতিক খ্যাতির পেছনে নিজের জন্মভূমির অবদানের কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্র আমাকে নাম দিয়েছে, সীমানা পেরিয়ে গল্প বলার সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু আমি যত দূরেই যাই না কেন, সব সময় মনে রাখি আমার শুরুটা কোথায় হয়েছিল। চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে।’ তিনি আরো জানান, তারকা হওয়ার অনেক আগে থেকেই দয়া, অধ্যবসায় ও আন্তরিকতার মতো মূল্যবোধগুলো তার মনে গভীরভাবে গেঁথে গিয়েছিল।

জ্যাকি চ্যান জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তার তিনটি ইচ্ছা থাকলেও এখন জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার আরেকটি নতুন ইচ্ছা যুক্ত হয়েছে। তার সেই চতুর্থ ইচ্ছাটি হলো—সারা বিশ্বের মানুষ যেন তার ভালোবাসার দেশ চীনে ভ্রমণ করেন এবং সেখানকার সংস্কৃতি ও গল্পগুলো নিজের চোখে উপভোগ করেন।

সূত্র : গালফ নিউজ

এবার রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা

অনলাইন ডেস্ক
এবার রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা
সংগৃহীত ছবি

‘থর: র‍্যাগনারক’ বা ‘জোজো র‍্যাবিট’-এর মতো ব্লকবাস্টার ও কমেডি ঘরানার সিনেমার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত পরিচালক তাইকা ওয়াইটিটি। তবে এবার নিজের চেনা ছক ভেঙে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একটি সিনেমা নিয়ে আসছেন তিনি। কাজুও ইশিগুরোর ২০২১ সালের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। সম্প্রতি বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ এই সিনেমার প্রথম ঝলক (ফার্স্ট লুক) প্রকাশ করেছে।

সিনেমার মূল চরিত্র ‘ক্লারা’। এটি মূলত একটি সৌরশক্তিচালিত রোবট বা ‘কৃত্রিম বন্ধু’। এই ক্লারা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনা ওর্তেগা। গল্পে দেখা যাবে, এক মা তার অসুস্থ মেয়ের একাকীত্ব দূর করতে ও সঙ্গী হিসেবে এই রোবটটিকে কিনে নেন। মানুষের আচরণ, ভালোবাসা, একাকীত্ব ও বিশ্বাসকে একটি কৃত্রিম সত্তা বা রোবট কিভাবে দেখছে—তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।

তাইকা ওয়াইটিটি জানান, শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ সিনেমা হবে এবং তিনি এটিকে তার চেনা ‘কমেডি’ স্টাইলে বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শুরুতে লেখার সময় ভেবেছিলাম এটাকে একটা সাধারণ ‘তাইকা ফিল্ম’ বানাই আর ফালতু রোবট রসিকতায় ভরিয়ে দিই। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম, এতে চমৎকার বইটির মূল আবেদন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজের চেনা ধারা থেকে বের হয়ে এটিকে একটি সিরিয়াস ড্রামা হিসেবে তৈরি করেছি। এটিই সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে নাটকীয় ছবি।’

এই সিনেমার ভবিষ্যৎ জগৎটি অন্য আর দশটা ঝলমলে সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো নয়। এখানে এমন এক রঙিন ও কিছুটা পুরনো ধাঁচের ভবিষ্যৎ দেখানো হয়েছে, যেখানে দৈনন্দিন জীবন থেকে ইন্টারনেট হাওয়া হয়ে গেছে এবং সমাজ সামনের দিকে না এগিয়ে পেছনের দিকে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কিভাবে মানুষের সম্পর্কের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৩শে অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহে আসার আগে বিখ্যাত টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রিমিয়ার হতে পারে।

রণবীর-ইমরান ফিরিয়ে দেওয়ার পর ‘ককটেল’ ছবিতে সুযোগ পান সাইফ

অনলাইন ডেস্ক
রণবীর-ইমরান ফিরিয়ে দেওয়ার পর ‘ককটেল’ ছবিতে সুযোগ পান সাইফ

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘ককটেল’। সাইফ আলি খান, দীপিকা পাডুকোন ও ডায়ানা পেন্টি অভিনীত ২০১২ সালের এই ছবিটি আজও দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা জুড়ে রয়েছে। তবে ছবিটির এক যুগেরও বেশি সময় পর জানা গেল এক চমকপ্রদ তথ্য—সিনেমার মূল পুরুষ চরিত্র ‘গৌতম’-এর জন্য সাইফ আলি খান পরিচালকদের প্রথম পছন্দ ছিলেন না। সাইফ জানান, তৎকালীন সময়ের দুই হার্টথ্রব ইমরান খান ও রণবীর কাপুর-কে এই চরিত্রের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

‘ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া’র সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সাইফ আলি খান পুরোনো দিনের স্মৃতি হাতড়ে জানান, ছবির নির্মাতারা শুরুতে প্রধান পুরুষ চরিত্রে অভিনেতা নির্বাচন করতে বেশ হিমশিম খেয়েছিলেন। কারণ চিত্রনাট্যে নারী চরিত্র দুইটি এতটাই শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ছিল যে, কোনো নায়ক তাদের পাশে স্ক্রিন শেয়ার করতে রাজি হচ্ছিলেন না। বিশেষ করে দীপিকা পাডুকোন অভিনীত ‘ভেরোনিকা’ চরিত্রটি ছিল ভীষণ নজরকাড়া। সাইফ বলেন, দীপিকা ও ডায়ানা আগে থেকেই চূড়ান্ত ছিলেন, কিন্তু ভেরোনিকার চরিত্রটি বেশি আকর্ষণীয় হওয়ায় কোনো নায়ক এই সিনেমা করতে চাচ্ছিলেন না। পরে চিত্রনাট্যটি সাইফের কাছে এলে তিনি রাজি হন এবং দারুণভাবে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলেন।

হালকা রসিকতা করে সাইফ বলেন, ‘আমার মনে আছে ওরা ইমরান আর রণবীরসহ আরো কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করেছিল। পরে আমি বলেছিলাম—ঠিক আছে, চলো আমিই এটা করব। আমি কাজটা করে দারুণ মজা পেয়েছিলাম। আমার মনে হয়, আমি ছবিটা করায় ওদের সবার এখন আমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’

‘ককটেল’ ছবির মাধ্যমে পরিচালক হোমি আদাজানিয়ার সঙ্গে সাইফের দারুণ রসায়ন তৈরি হয়। এর আগে ২০০৫ সালে ‘বিইং সাইরাস’ নামের একটি ভিন্নধারার ছবিতেও তারা একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। ছবিতে ‘গৌতম’ চরিত্রটি কিছুটা ত্রুটিপূর্ণ ও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভরা থাকলেও সাইফ তাঁর নিখুঁত অভিনয়ের মাধ্যমে সেটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান, যা আজও সিনেমা প্রেমীদের মনে দাগ কেটে আছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৯ জুন) মুক্তি পেয়েছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি ‘ককটেল ২’।

ভয় নেই শিখা, আমরা দুইজন মিলে চায়ের দোকান দিব : মনিরা মিঠু | কালের কণ্ঠ