• ই-পেপার

১৯৯০ সালে গড়া ‘নাট্যকেন্দ্র’ নিয়ে যা বললেন তারিক আনাম খান

গুরুতর অসুস্থ ‘দুই দিনের দুনিয়া’ অভিনেতা, খোঁজ নিচ্ছে না কেউ!

বিনোদন প্রতিবেদক
গুরুতর অসুস্থ ‘দুই দিনের দুনিয়া’ অভিনেতা, খোঁজ নিচ্ছে না কেউ!
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। তার শারীরিক অবস্থা এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতেও কষ্ট হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি অভিনেতার বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরেছেন অভিনয়শিল্পী এম কে এইচ পামির। ঈদ উপলক্ষে নিজ জেলা পাবনায় গিয়ে অসুস্থ শেলীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পরে ফেসবুকে একটি পোস্টে অভিনেতার অসুস্থতার বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরেন।

পামির লিখেছেন, ‘শেলী ভাই এতটাই অসুস্থ যে উঠে দাঁড়ালে পুরো শরীর কাঁপে। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। তার সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে।’

অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি আরো লেখেন, ‘আমরা সবাই শেলী ভাইয়ের জন্য দোয়া করব, আল্লাহ তায়ালা যেন দ্রুত সুস্থ করে দেন শেলী ভাইকে।’

এমকেএইচ পামির ও আব্দুল হান্নান শেলী

একই পোস্টে শেলীর সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন পামির। তিনি লেখেন, ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ঈদে বাড়িতে যাব এবং শেলী ভাইকে দেখতে যাব, ইনশাআল্লাহ। শেলী ভাইয়ের বাড়িতে আমাকে দেখার পর তিনি যে কী খুশি হয়েছেন, তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না। আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, আমি অসুস্থ হওয়ার পর এ পর্যন্ত কেউ আমাকে দেখতে আসেনি; আপনি আসছেন পামির ভাই, আমার যে কী ভালো লাগছে বলেই কেঁদে ফেললেন।’

শেলীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা দিচ্ছেন।

অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী দীর্ঘদিন ধরে নাটক, বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রে কাজ করে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় পর্দাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘কীত্তনখোলা’, ‘দ্য লাস্ট ঠাকুর’। এ ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দুই দিনের দুনিয়া’ তেও অভিনয় করেছেন তিনি।

তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান

বিনোদন ডেস্ক
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান
সংগৃহীত ছবি

সম্পর্কের কথা আগেই জানিয়েছিলেন, এবার তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধোঁয়াশা থাকলেও এবার শোনা যাচ্ছে, প্রেমিকা গৌরি স্প্র্যাটের সঙ্গে নতুন জীবনে পা রাখতে যাচ্ছেন এই তারকা।

ইন্ডিয়া টুডেসহ ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আগামী ৫ জুলাই ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন আমির ও গৌরী। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি তারা।

খবরে বলা হয়েছে, ৬১ বছর বয়সী আমির ও ৪৭ বছর বয়সী গৌরী তাদের সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়েটি হবে নিবন্ধনের মাধ্যমে এবং অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হবে আমির খানের নিজ বাসভবনে।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, সম্প্রতি তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে বিয়ের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। 

সূত্রটি জানিয়েছে, ‘তারা দুজনই জীবনের একটি স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছেন। নিজেদের সম্পর্ককে উদ্‌যাপন করতেই এই সিদ্ধান্ত। অনুষ্ঠানটি খুবই ব্যক্তিগত হবে, যেখানে শুধু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই উপস্থিত থাকবেন।’

এখনো অতিথি তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে বলিউড মহলে জোর আলোচনা, আমিরের দীর্ঘদিনের বন্ধু সালমান খান এবং শাহরুখ খান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন, যদি তাদের সময়সূচি অনুকূলে থাকে।

২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরী স্প্র্যাটকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। এরপর বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের জীবনে গৌরীর গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন।

এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, ‘আমি খুব ভাগ্যবান যে গৌরীর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল এবং আমরা সম্পর্কে আছি। ও খুব ভালো মানুষ। ওর সঙ্গে থাকলে আমি শান্তি পাই। যদিও কিরণ আর রিনার সঙ্গেও আমার সম্পর্ক খুব গভীর ছিল, কিন্তু সেটা টেকেনি। এখন মনে হয়, আমার জীবনে গৌরীর আসাটা আশীর্বাদের মতো। আমরা একসঙ্গে খুব সুখে আছি। আমার মনে হয় এত দিনে আমি পরিপূর্ণ হয়েছি।’

বলা দরকার, গৌরী স্প্র্যাটের আগের সংসারের সাত বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে, যার নাম কুইন। তার পারিবারিক ইতিহাসও বেশ আলোচিত। গৌরীর দাদা ফিলিপ স্প্র্যাট ছিলেন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত এক কমিউনিস্ট নেতা, যিনি ১৯২০-এর দশকে ভারতে এসে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। দীর্ঘ বৈবাহিক জীবনের পর ২০০০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। প্রায় ১৫ বছর সংসার করার পর ২০২১ সালে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এই দম্পতি।

তবে বিচ্ছেদের পরও দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন আমির। পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানে এখনো তাদের একসঙ্গে দেখা যায়।

গুগল ম্যাপ নিয়ে ঠাট্টা করায় ৪৭ দিন জেলে থাকতে হয়েছে কমেডিয়ানকে

বিনোদন ডেস্ক
গুগল ম্যাপ নিয়ে ঠাট্টা করায় ৪৭ দিন জেলে থাকতে হয়েছে কমেডিয়ানকে
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি রসাত্মক ভিডিও প্রকাশের জেরে দুবাইয়ে ৪৭ দিন আটক থাকতে হয়েছে ভারতীয় স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান যশ ভরদ্বাজকে। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ঘটনাটি তার এবং পরিবারের জীবনে বড় ধরনের মানসিক, শারীরিক ও আর্থিক চাপ তৈরি করেছিল।

যশের দাবি, ২০২৬ সালের মার্চে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সময় তিনি দুবাইয়ে গুগল ম্যাপের কার্যকারিতা নিয়ে একটি হাস্যরসাত্মক রিল তৈরি করেছিলেন। 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি ছিল সম্পূর্ণ নিরীহ এবং কৌতুকনির্ভর। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখেছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে ঘটনার বর্ণনায় তিনি জানান, গত ১৯ মার্চ দুবাইয়ে একটি শো চলাকালে পুলিশ তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং অবিলম্বে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। পরে তাকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট ভিডিওটিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এরপরই যশকে আটক করা হয় এবং প্রায় ৪৭ দিন একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। দীর্ঘ এই সময় তিনি পুলিশি হেফাজতেই ছিলেন বলে জানিয়েছেন।

অবশেষে গত ৫ মে তাকে ভারত ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন এবং নতুন করে নিজের পেশাগত জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এই অভিজ্ঞতার প্রভাব সম্পর্কে যশ বলেন, বন্দিদশার সময় তার পরিবারকে নানা ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিরও মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের।

তবে কঠিন সেই সময় পেছনে ফেলে আবারও মঞ্চে ফিরতে শুরু করেছেন এই কমেডিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ে ফিরে দর্শক ও সহকর্মীদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন। প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত তিনি আবার স্ট্যান্ডআপ কমেডিতে সক্রিয় হতে পেরেছেন।

নতুন শুরুর অংশ হিসেবে শিগগিরই বেঙ্গালুরুতে যাচ্ছেন যশ। শহরটির সঙ্গে তার আবেগঘন স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। কারণ প্রায় ১৬ বছর আগে বেঙ্গালুরুতেই মঞ্চ এবং স্ট্যান্ডআপ কমেডির প্রতি তার ভালোবাসার শুরু হয়েছিল।

‘অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে’, কেন এমনটা বললেন মনোজ?

বিনোদন ডেস্ক
‘অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে’, কেন এমনটা বললেন মনোজ?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য প্রশংসিত চরিত্র উপহার দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী। তবে সফলতার শিখরে পৌঁছেও মাঝে মাঝে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছেন তিনি। 

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন এবং না-পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা।

পডকাস্টে মনোজ জানান, গত এক দশক ধরে মাঝেমধ্যেই অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার চিন্তা এসেছে তার মনে। তবে নতুন কোনো চরিত্রের প্রতি আকর্ষণই তাকে বারবার ফিরিয়ে এনেছে অভিনয়ে।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, প্রায় ১০ বছর ধরে মাঝে মাঝেই আমার অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করেছে। কিন্তু তারপর একটা নতুন চরিত্র আসে, আর আমি চলে যাই। তাই, আমি বাধ্য হয়ে অভিনয় করি না যে, আমাকে ঘরে খাবার আনতে হবে বা অন্য কোনো প্রয়োজন মেটাতে হবে। আমি সে জন্য অভিনয় করতে চাই না। আমি অভিনয় করতে চাই কারণ আমি একটি চরিত্রকে উপভোগ করব, আমি এই কথাটা আপনার শো-তে প্রথমবার বলছি। আজকাল, আমি সত্যিই একটা বাণিজ্যিক সিনেমার জন্য আকুল হয়ে আছি। আমি জানি না কেন, যদিও আমি অনেকদিন দূরে ছিলাম। ফালতু কমেডি, গানের সঙ্গে কিছু নাচ। আপনাকে প্রস্তুত হয়ে বাড়ি ফিরতে হবে না, আপনি শুধু বিদায় জানিয়ে চলে যান। আপনি কী করছেন তা না ভেবেই।’

আলোচনায় তিনি বর্তমান সময়ের কনটেন্ট নিয়েও কথা বলেন। তার মতে, দর্শক ও নির্মাতারা আবারও মৌলিক গল্পের দিকে ঝুঁকছেন। একই সঙ্গে সাফল্যের জন্য যে ব্যক্তিগত মূল্য দিতে হয়েছে, সেটিও অকপটে স্বীকার করেন অভিনেতা।

মনোজ বলেন, ‘পেছনে ফিরে তাকালে দেখি, আমি অনেক কিছু হারিয়েছি। আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাতে পারিনি। তারা যখন মারা গেলেন, আমরা একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করছিলাম। আমি কখনো তদের সঙ্গে থাকিনি। আমরা এতটাই দূরে চলে গিয়েছিলাম যে আর বুঝতেই পারতাম না। প্রথমে আমি একটি বোর্ডিং হাউসে থাকতাম। আমরা গ্রামের মানুষ ছিলাম, তাই আমাদের বোর্ডিং হাউসে রাখা হতো। এরপর অভিনেতা হওয়ার জন্য আমি দিল্লিতে আসি। দিল্লিতে অনেক কিছু শিখেছি। ইংরেজি শিখেছি শহরের পরিবেশটা চিনেছি। আমাকে প্রতিদিন খাবারেরও ব্যবস্থা করতে হতো।’

অভিনেতা জানান, জীবনের কঠিন সময়ে বন্ধুদের সহায়তাই তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। কর্মজীবনের ব্যস্ততা এবং স্বপ্নপূরণের লড়াইয়ে ধীরে ধীরে পরিবার থেকে দূরে সরে যান তিনি। যোগাযোগ সীমাবদ্ধ ছিল মূলত চিঠি এবং মাঝে মধ্যে ফোনালাপে।

জীবনের অর্জন আর অপূর্ণতার হিসাব টানতে গিয়ে মনোজ বলেন, ‘আমি পার্থিব জিনিসের সন্ধানে অনেক কিছু ত্যাগ করেছি। যখন সবকিছু অর্জন হয়ে যায়, তখন ভাবি, এসব কী আদৌ সার্থক ছিল। মাঝে মাঝে ভাবি, যদি বাবার সঙ্গে আরো বেশি সময় কাটাতে পারতাম। মায়ের সঙ্গে আমার অনেক সমস্যা ছিল, হয়তো আমি সেগুলো সমাধান করতে পারতাম।’

বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে গেছে বলে জানান তিনি। স্মৃতিবিজড়িত পৈতৃক বাড়িতে গেলে এখন আর বেশিক্ষণ থাকতে পারেন না।

তার ভাষায়, ‘এখন আমি সেখানে গেলে বেশিক্ষণ থাকি না। কারণ এতে কোনো লাভ নেই। আপনাকে মেনে নিতে হবে যে আপনি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। আপনি আপনার অন্তিম যাত্রার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।’