• ই-পেপার

সোহানা সাবার এখনো আশা, ‘আলো আসবেই’

সাফল্যের দৌড় আসলে একটা ভ্রম : সামান্থা

অনলাইন ডেস্ক
সাফল্যের দৌড় আসলে একটা ভ্রম : সামান্থা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন জগতের এমন এক প্রতিযোগিতার দৌড়ে শামিল ছিলেন যার আসলে কোনো শেষ নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবন ও ক্যারিয়ারের এই বড় উপলব্ধির কথা শেয়ার করেছেন দক্ষিণী তারকা সামান্থা রুথ প্রভু। অসুস্থতার কারণে কাজ থেকে লম্বা বিরতি নেওয়ার পরই তার এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে বলে জানান তিনি।

সামান্থা বলেন, আমরা মনে করি একটা দৌড় চলছে, একটা ফিনিশিং লাইন আছে আর কাউকে হারাতে হবে। কিন্তু বিরতির পর বুঝেছি, এগুলো সবই এক ধরনের ভ্রম। আসলে কোনো প্রতিযোগিতা বলে কিছু নেই, কাউকে হারানোরও প্রয়োজন নেই।

ছোট শহরের এক সাধারণ মেয়ে থেকে হঠাৎ বড় তারকা বনে যাওয়া সমান্থার কাছে ছিল এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। প্রেক্ষাগৃহে নিজের নাম ধরে দর্শকের চিৎকার আর ভালোবাসা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। এই অভিজ্ঞতাই ধীরে ধীরে তাকে ‘স্টারডমের খেলায়’ আসক্ত করে তোলে।

সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি একের পর এক ছবিতে কাজ করতে থাকেন। এক বছরে তার পর পর পাঁচটি ছবি বক্সঅফিসে দারুণ ব্যবসা করায় তাকে ‘গোল্ডেন লেগ’ তকমা দেওয়া হয়। এই তকমা ধরে রাখার একটা বাড়তি চাপও তিনি অনুভব করতেন।

টানা সাফল্যের মাঝে নিজের কাজের মূল্যায়ন করার সুযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে স্বীকার করেন সামান্থা। তিনি অকপটে বলেন, ক্যারিয়ারে এমন বেশ কিছু ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন, যেগুলো নিয়ে এখন তিনি মোটেও গর্বিত নন।

তার ভাষায়, তখন বক্সঅফিস সাফল্যই ছিল প্রধান মাপকাঠি। নিজের অভিনয় দক্ষতা কতটা উন্নত হচ্ছে বা একজন শিল্পী হিসেবে তিনি কতটা অবদান রাখছেন—এসব প্রশ্ন তখন নিজেকে করার সময় পাননি।

অসুস্থতা কাটিয়ে ফেরার পর সমান্থার জীবনকে দেখার চোখ অনেকটাই বদলে গেছে। তিনি এখন মনে করেন, শুধু সাফল্য বা জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে, শিল্পী হিসেবে নিজের আত্মতৃপ্তির জন্য কাজ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এই কারণেই তিনি এখন কোনো কৃত্রিম প্রতিযোগিতার দৌড়ে নেই, নেই কোনো বাড়তি ফিনিশিং লাইনের চাপও।

সূত্র : আনন্দবাজার

টিজারে ‘শ্রেক ৫’-এর প্রথম ঝলক

অনলাইন ডেস্ক
টিজারে ‘শ্রেক ৫’-এর প্রথম ঝলক
সংগৃহীত ছবি

অ্যানিমেশন সিনেমার জনপ্রিয় চরিত্র শ্রেক, ফিওনা আর ডাঙ্কি (গাধা) আবারও বড় পর্দায় ফিরছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মুক্তি পেয়েছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন সিনেমা ‘শ্রেক ৫’-এর প্রথম টিজার ট্রেলার। ২০২৭ সালের ৩০ জুন বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

২০০১ সালে প্রথম ‘শ্রেক’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এর বিশাল ভক্তকুল তৈরি হয়েছে। এর আগে মূল সিরিজের ৪টি সিনেমা এবং ‘পুস ইন বুটস’ নামে দুইটি স্পিন-অফ ছবি দারুন ব্যবসা করেছে। টিজারটি ভক্তদের মনে বেশ কিছু রহস্য আর কৌতূহল তৈরি করেছে। এবারের গল্পে শ্রেক ও ডঙ্কিকে এক বিশাল শহরে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে দেখা যাবে। টিজারের এক পর্যায়ে শ্রেক, ফিওনা, ডাঙ্কি এবং তাদের দুই ছেলে ফার্গাস ও ফার্কলকে কারাগারে বন্দি অবস্থায় দেখা যায়। তারা কিভাবে এই পরিস্থিতিতে পড়ল, তা নিয়ে রহস্য জমে উঠেছে। শ্রেক-ফিওনার মেয়ে ফেলিসিয়াকে টিজারে দেখা যায়নি। তবে এই চরিত্রে কণ্ঠ দিচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনডায়া। ফেলিসিয়ার অনুপস্থিতি ছবিতে তার ভূমিকা নিয়ে কৌতূহল আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বরাবরের মতোই এই ট্রেলারেও রয়েছে ভরপুর কমেডি ও হাস্যকর কৌতুক। একটি দৃশ্যে গাধাটিকে কাজে ফেরার জন্য এতটাই উত্তেজিত দেখা যায় যে, সে নিজের পশ্চাৎদেশসহ সম্পূর্ণ নতুন রূপে নিজেকে সাজানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে। এ ছাড়া মুখে কেক মাখা অবস্থায় জিঞ্জারব্রেড ম্যানকেও এক পলক দেখা যায়।

সিনেমার মূল চরিত্রগুলোতে আবারও কণ্ঠ দিয়েছেন পুরোনো অভিনেতারাই। শ্রেক চরিত্রে মাইক মায়ার্স, ডাঙ্কি চরিত্রে এডি মারফি এবং ফিওনা চরিত্রে থাকছেন ক্যামেরন ডিয়াজ। সিনেমায় ডাঙ্কি চরিত্রে কণ্ঠ দেওয়া বিখ্যাত অভিনেতা এডি মারফি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি বরাবরই বলে এসেছি যে আমি শ্রেক আজীবন করব। ডাঙ্কি চরিত্রটি করার অভিজ্ঞতা দারুণ। তাই যখন শুনলাম আরেকটি সিনেমা হচ্ছে এবং ডাঙ্কিকে নিয়ে আলাদা কাজ করার পরিকল্পনা আছে, আমি খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ি।’

ভয়েস ওভার দেওয়ার পেছনের পরিশ্রম নিয়ে তিনি বলেন, ‘শ্রেক-এর রেকর্ডিং সেশনের পর মাথা ধরে যায়। কারণ গাধাটাকে অনেক গান গাইতে হয় এবং একই কাজ বারবার করতে হয়। তবে সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, মানুষ যখন সিনেমাটা পছন্দ করে, তখন সব পরিশ্রম সার্থক মনে হয়।’

‘মেসি এত ভালো খেলে কেন’, আরো যা বললেন ব্রাজিল সমর্থক বুবলী

অনলাইন ডেস্ক
‘মেসি এত ভালো খেলে কেন’, আরো যা বললেন ব্রাজিল সমর্থক বুবলী
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই বাম পায়ের জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। তার একের পর এক বাম পায়ের জাদুতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে আলজেরিয়া। তার হ্যাটট্রিকে ৩-০ গোলের বড়  জয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করল শুরু করল আর্জেন্টিনা।

মাঠের ফুটবল কেবল গ্যালারি কিংবা স্টেডিয়ামেই সীমাবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে পড়েছে পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানেও। ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা দেখা যায় শোবিজ তারকাদের মাঝেও। এবার ফুটবল আবেগকে ধরে রাখতে পারলেন না ঢালিউড নায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। তিনি আর্জেন্টিনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ব্রাজিলের সমর্থক।

তবে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চুপ থাকতে পারেননি তিনি। প্রকাশ করেছেন নিজের অনুভূতি। ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে মেসির ছবি যোগ করে তিনি লিখেছেন, ‘মেসি এত ভালো খেলে কেন?’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘দল যার যার মেসি কিন্তু সবার।’ পোস্টে তিনি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লেখেন, লিওনেল মেসি, সত্যিকারের জাদুকর, হ্যাটট্রিক।’

টানা ৯৮ দিন কাজ করে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল জেনিফার লোপেজকে

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৯৮ দিন কাজ করে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল জেনিফার লোপেজকে
সংগৃহীত ছবি

টানা ৯৮ দিন ছুটি ছাড়া কাজ করার পর অতিরিক্ত ক্লান্তিতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল মার্কিন তারকা জেনিফার লোপেজকে। সম্প্রতি ‘স্মার্টলেস’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে ৫৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী ও গায়িকা তার ক্যারিয়ারের সেই ঘটনার কথা জানান।

জেনিফার লোপেজ জানান, ঘটনাটি ঘটেছিল তার ‘এনাফ’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন। সে সময় তিনি একসঙ্গে চারটি সিনেমা এবং তার ‘জেএলও’ অ্যালবামের কাজ করছিলেন। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় শুটিং শেষ করে রাতে স্টুডিওতে গান রেকর্ড করতেন এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতেন। এভাবে টানা ৯৮ দিন কাজ করার পর একদিন শুটিং সেটে তিনি অসুস্থ বোধ করেন।

লোপেজ বলেন, ‘হঠাৎ আমার বুকের ভেতর ধড়ফড়ানি শুরু হয়। ট্রেলারে গিয়ে বসার পর আমি চোখে ঝাপসা দেখছিলাম এবং শরীর পুরোপুরি অবশ হয়ে গিয়েছিল, আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না।’ পরে তার সহকারীর সাহায্যে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, অতিরিক্ত ক্লান্তি ও মানসিক চাপের কারণেই তার শরীর সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়েছিল।

পডকাস্টে লোপেজ তার তারকাখ্যাতি ও প্যানিক অ্যাটাক নিয়ে  অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। তিনি জানান, ‘সেলিনা’ সিনেমায় অভিনয়ের পর তার জনপ্রিয়তা যখন অনেক বেড়ে যায়, তখন থেকেই তিনি প্যানিক অ্যাটাকের মুখোমুখি হতে শুরু করেন। একবার ভক্তরা তাকে ঘিরে ধরলে তিনি মারাত্মক অস্বস্তিতে পড়েন।

লোপেজ জানান, অতিরিক্ত জনপ্রিয়তার কারণে তিনি এখন খুব একটা বাইরে যান না। পাপারাজ্জিদের এড়াতে তিনি ঘরের ভেতরেই সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।