• ই-পেপার

লুকিয়ে প্রেম, এক ছাদের তলায় থাকছেন বিজয়-তৃষা!

ব্রাজিল সমর্থক ঊষসীর উন্মাদনা রোনাল্ডোকে ঘিরে

অনলাইন ডেস্ক
ব্রাজিল সমর্থক  ঊষসীর উন্মাদনা রোনাল্ডোকে ঘিরে
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলের উ”সবে মেতেছে গোটা বিশ্ব। এই উন্মাদনায় ছড়িয়ে পড়েছে সবার মধ্যে। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাত জেগে খেলা দেখে সমর্থন জোগাচ্ছে শোবিজ তারকাও। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা জানালেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। এবারের বিশ্বকাপে সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে, পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত বলে জানান ব্রাজিল সমর্থক এই অভিনেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে  ঊষসী রায় বলেছেন, আমার কাছে ফুটবল বিশ্বকাপ একটা উৎসবের মতো। কারণ ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা আমাদের বাড়িতে একটু বেশিই। আর এই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার বহু স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রথম বড় কালার টিভি এসেছিল ২০০২-এর বিশ্বকাপের সময়। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ স্পেশাল। ওটা মিস করা যাবে না, ওটা কালার টিভিতেই দেখতে হবে। আমেজ নিতে হবে। টিভি নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয় আর কী! তার আগে আমাদের সাদা-কালো টিভিই ছিল। পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের জন্যই আমাদের বাড়িতে কালার টিভি আর কেবল লাইন এল। এইরকম অনেক ঘটনা রয়েছে।

বড় টিভিতে এবারের বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী আরো বলেছেন, মাঠে গিয়ে তো আর খেলা দেখার উপায় নেই, তাই  দুধের সাধ ঘোলেই মেটাতে হয়! তবে ওই যে আজকাল সবাই বলে ‘মেনিফস্টেশন’। একদিন অবশ্যই সশরীরে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হবে। আশা করি সেইরকম অবস্থা একদিন তৈরি হবেই।

আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু এবার তো সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে। এটা তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। পর্তুগাল কী করবে? আর্জেন্টিনা কী করবে? পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত। সিআর সেভেনের এটা শেষ বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ান কে হবে? এটা এখন আর বলছি না। মনে মনে থাকুক বলে যোগ করেন তিনি। 

রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখা আমার বাড়িতে চাপের নয় উল্লেখ করে  ঊষসী বলেন, ‘কারণ আমাদের বাড়িতে ফুটবল নিয়ে একটা উত্তেজনা আছে। ফলে রাত জেগে খেলা দেখা নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঝামেলা হয়নি কখনো। কোনও জার্সি আমার কাছে নেই এখনো অবধি। টিকিটের দাম খুবই আকাশ ছোঁয়া। সেটা চারদিকে যুদ্ধের জন্য কী না, জানি না। অন্যবারের তুলনায় টিকিটের দাম এবার খুব বেশি। একটা নর্মাল টিকিটের দামও বেশি। এমনকী, স্টেডিয়ামের ভিতরে জলের বোতল, খাবার যেটাই হোক দাম বেশি। 

তবে বোধহয় কোনও কোনও ভেন্যুতে কমপেরিটেভলি টিকিটের দাম আমার মনে হয় কম। স্টেডিয়ামের ভিতরে যা যা জিনিস পাওয়া যায় তার দাম তুলনামূলকভাবে কম। এটা আমি কোনও একটা কাগজে পড়েছি। যুদ্ধের আবহে থাকলেও ইরান খেলছে এই বিশ্বকাপে। তাদের অলরেডি একটা ম্যাচ খেলাও হয়ে গিয়েছে। তবে এখানে আমি একটা বিতর্কিত কথা বলতে পারি। একদম নিউট্র্যালভাবে। কাউকে কিছু বলছি না। গত বছর বিশ্বকাপের উদ্বোধনে এবারের তুলনায় উন্মাদনা বেশি ছিল। সেলিব্রেশনটা বিশাল ছিল। এবারের উদ্বোধনটা আমার মনে হয়েছে একটু কম কম। যাই হোক, দেখা যাক। যতদিন বিশ্বকাপ চলবে একটা আনন্দ উৎসব তো চলবেই। আমি খুবই এক্সাইটেড বলে জানিয়েছে তিনি।

আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইল পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইল পরিবার

দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও পাপেট শিল্পের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত চারদিন ধরে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন।

শিল্পীর স্ত্রী মেরী মনোয়ার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৪ জুন শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মুস্তাফা মনোয়ারকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সে সময় তার রক্তচাপ ও শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন।

মেরী মনোয়ার বলেন, ‘ওনার প্রেসার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আইসিইউতে রাখা হয়েছে। সবাই ওনার জন্য দোয়া করবেন।’

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিউমোনিয়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টেও নিতে হয়েছিল। পরে কিছুটা সুস্থ হলেও সাম্প্রতিক এই সংক্রমণ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম উজ্জ্বল নাম মুস্তাফা মনোয়ার। চিত্রশিল্পী, শিক্ষক, উপস্থাপক ও পাপেট শিল্পী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবদান রেখে চলেছেন। বিশেষ করে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাচকে আধুনিক মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অনন্য। শিশু-কিশোরদের জন্য নির্মিত তার বিভিন্ন অনুষ্ঠান এখনও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।

শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাকে ‘সুলতান স্বর্ণপদক’ প্রদান করে।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান

অনলাইন ডেস্ক
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান
সংগৃহীত ছবি

সড়ক দুর্ঘটনায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি। 

পোস্টে জোভান লেখেন, কিছুদিন আগে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে আমি বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু ঘটনাটি আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে।

এই অভিনেতা লেখেন, রাস্তায় আমরা অনেক সময় ভাবি, আরেকটু স্পিডে গেলে কী হবে? বা আমি তো ভালোই চালাই। কিন্তু দুর্ঘটনা কখন, কিভাবে, কার সঙ্গে ঘটবে—তা কেউ জানে না। কয়েক সেকেন্ডের অসাবধানতা জীবন বদলে দিতে পারে।

জোভান আরো লেখেন, বাইক চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার করুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। কারণ আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছে আপনার পরিবার, আপনার প্রিয় মানুষগুলো। গন্তব্যে একটু দেরিতে পৌঁছানো ভালো, কিন্তু নিরাপদে পৌঁছানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অভিনেতার এই পোস্টে তার ভক্ত-অনুরাগীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করছেন।

মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?

বিনোদন ডেস্ক
মা হিন্দু, বাবা মুসলিম; কোন ধর্মে বিশ্বাসী জিনাত আমান?
মায়ের দিক থেকে আমার নাম ললিতেশ্বরী বললেন জিনাত আমান। ছবি: সংগৃহীত।

‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘কুরবানি’, ‘ডন’ বা ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’—এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে ভারতীয় সিনেমায় নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন জিনাত আমান। পর্দায় সাহসী ও স্বাধীনচেতা চরিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দেওয়া এই অভিনেত্রী বাস্তব জীবনেও বরাবরই স্পষ্টভাষী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দুটি নাম, মা-বাবার ভিনধর্মে বিয়ে এবং নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই বলিউড তারকা।

সাক্ষাৎকারে জিনাত জানান, আসলে তার দুটি নাম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাবার দিক থেকে আমার নাম জিনাত আমান, আর মায়ের দিক থেকে আমার নাম— ললিতেশ্বরী।’ জিনাতের মা বর্ধিনী ছিলেন একজন কট্টর হিন্দু মহিলা, যিনি প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা পুজো করতেন। জন্মের সময় অবশ্য অভিনেত্রীর নাম ছিল জিনাত আমানুল্লাহ খান।

মা হিন্দু ও বাবা মুসলিম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে জিনাত নিজে কোন ধর্ম মানেন? এর জবাবে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, তিনি নিজে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসী নন।

জিনাত বলেন, ‘আমি ধার্মিক নই। কারণ ছোট থেকেই আমি নানা রকমের সংস্কৃতি দেখেছি। আমার মা ছিলেন হিন্দু, বাবা মুসলিম, আর আমার সন্তানদের বাবাও মুসলিম। আবার আমি পড়াশোনা করেছি ক্যাথলিক স্কুলে, অন্যদিকে আমার সৎ বাবা ছিলেন জার্মান।’

সব ধর্মকে খুব কাছ থেকে দেখলেও কোনো বিশেষ ধর্ম বেছে নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি জিনাত। নিজের বিশ্বাস নিয়ে তিনি বলেন, ‘সব ধর্মই ভালো, কেউ খারাপ কিছু শেখায় না। আমি মূলত মানবতা, দয়া, শান্তি এবং মানুষ ও প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। এটাই আমার ধর্ম।’

লুকিয়ে প্রেম, এক ছাদের তলায় থাকছেন বিজয়-তৃষা! | কালের কণ্ঠ