• ই-পেপার

ঈদের নাটকে ক্রিকেটার আশরাফুল

সিয়া-কেতন কাণ্ডে তোলপাড়, মুখ খুললেন কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক
সিয়া-কেতন কাণ্ডে তোলপাড়, মুখ খুললেন কঙ্গনা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের বহুল আলোচিত সিয়া গয়াল ও কেতন আগারওয়াল হত্যা মামলায় এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি নিজের মতামত জানান।

মহারাষ্ট্রের লোহাগড় দুর্গে ট্রেকিংয়ের সময় ২৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী কেতন আগারওয়ালের মৃত্যু প্রথমে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও, তদন্তে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় কেতনের বাগ্‌দত্তা সিয়া গয়াল এবং তাঁর কথিত প্রেমিক চেতন চৌধরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিয়ার পাশাপাশি তাঁর পরিবারেরও সমালোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান কঙ্গনা।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, ‘এখনকার দিনে শুধু কোনো পরিবারের পরিবেশ বা বাবা-মাকে দেখে সন্তানের আচরণ বা স্বভাব সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কে তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করছে? বা তারা কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে? সমাজমাধ্যম বা বাস্তব জীবনে তাদের উপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে? এগুলো দেখা উচিত।’

অভিনেত্রী ও সাংসদ আরো লেখেন, ‘সন্তানের সব কাজের জন্য বাবা-মাকে দায়ী করা যায় না। তাই সন্তানের কাজের জন্য পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত নয়।’

কঙ্গনার মতে, বর্তমান সময়ে মানুষের চিন্তাভাবনা ও আচরণ গঠনে শুধু পারিবারিক পরিবেশ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই কোনো অপরাধের ঘটনায় পরিবারের ওপর দায় চাপানোর আগে এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

পুলিশের তথ্যমতে, ট্রেকিংয়ের সময় লোহাগড় দুর্গসংলগ্ন একটি খাদে পড়ে কেতনের মৃত্যু হয়। তদন্তে অভিযোগ ওঠে, সিয়া ও তাঁর কথিত প্রেমিক চেতন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এরপরই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে সিয়ার পরিবারও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে। তাঁর মা জানিয়েছেন, তদন্তে মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষেই থাকবেন। অন্যদিকে, সিয়ার বাবা অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কেন বলিউড ছেড়েছিলেন কমল হাসান?

বিনোদন ডেস্ক
কেন বলিউড ছেড়েছিলেন কমল হাসান?
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় সিনেমার অন্যতম কিংবদন্তি অভিনেতা কমল হাসান। তামিল চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিন ধরে দাপটের সঙ্গে কাজ করলেও আশির দশকে বলিউডেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন তিনি। তবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকতেই হিন্দি চলচ্চিত্র থেকে অনেকটা সরে যান এই অভিনেতা। 

কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সে বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছিলেন তিনি।

২০১৭ সালে ইন্ডিয়া টুডে সাউথ কনক্লেভ-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কমল হাসান জানান, সে সময় বলিউডের কাজের পরিবেশ তাঁর কাছে স্বস্তিদায়ক ছিল না। 

তাঁর কথায়, হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পে তিনি নিজেকে অনেকটা অবহেলিত মনে করতেন।

কমল হাসান বলেন, ‘সেই সময়টা এমনই ছিল। আমি যেন হিন্দি সিনেমার গরিব আত্মীয় ছিলাম। নিজের অনেক কাজ নিজেকেই করতে হতো। আর ওরা ছিল বিত্তশালী। একসঙ্গে ছয়টি সিনেমায় কাজ করত। বিষয়টি আমার কাছে খুব হতাশাজনক মনে হয়েছিল। এটাও বলিউড থেকে দূরে সরে যাওয়ার একটি কারণ ছিল।’

তবে শুধু কাজের পরিবেশ নয়, বলিউডে কথিত আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব এবং কালো টাকার ব্যবহারও তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল বলে জানান এই অভিনেতা।

অভিনেতার কথায়, ‘বলিউডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংযোগ ছিল অনেক বেশি। সেখানে থেকে আমি না এর বিরোধিতা করতে চেয়েছি, না কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে চেয়েছি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কালো টাকার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখব না। আমার ভাই আর আমি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

কমল হাসান আরো বলেন, কালো টাকার বাইরে থেকেও একজন শিল্পীর পেশাগত জীবন সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত চিত্রগ্রাহক ভিনসেন্টের উদাহরণও তুলে ধরেন।

১৯৭৪ সালে ‘আইনা’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক হলেও ১৯৮১ সালের ‘এক দূজে কে লিয়ে’ তাঁকে বলিউডে তারকাখ্যাতি এনে দেয়। কে. বালাচন্দর পরিচালিত ছবিটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন রতি অগ্নিহোত্রী। সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচক উভয়ের কাছেই ব্যাপক প্রশংসা পায়।

এরপর ‘সনম তেরি কসম’, ‘ইয়ে তো কামাল হো গয়া’, ‘জারা সি জিন্দেগি’, ‘সদমা’, ‘সাগর’ ও ‘গিরফতার’-সহ একাধিক হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। ১৯৮৫ সালের পর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে ১৯৯৭ সালে ‘চাচি ৪২০’-এর মাধ্যমে আবারও বলিউডে ফেরেন। পরে ‘হে রাম’, ‘অভয়’, ‘মুম্বাই এক্সপ্রেস’, ‘বিশ্বরূপ’ ও ‘বিশ্বরূপ টু’-এর মতো দ্বিভাষিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন।

সবশেষে কমল হাসানকে দেখা গেছে ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মণি রত্নম পরিচালিত ‘থাগ লাইফ’ সিনেমায়। তবে বহুল আলোচিত এই ছবিটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি।

অবশেষে ফিরল সেই ‘সুপারগার্ল’

বিনোদন প্রতিবেদক
অবশেষে ফিরল সেই ‘সুপারগার্ল’
সংগৃহীত ছবি

চার দশকের অপেক্ষার অবসান। নতুন রূপে বড় পর্দায় ফিরেছে ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় নারী সুপারহিরো ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালের সিনেমার পর এবার একেবারে নতুন গল্প, নতুন অভিনেত্রী ও ভিন্ন নির্মাণশৈলীতে দর্শকদের সামনে হাজির হলো ডিসি স্টুডিওসের বহুল প্রতীক্ষিত এই চলচ্চিত্র।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে ‘সুপারগার্ল’। একই দিন থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাও স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি। এর আগে ‘আই, টনিয়া’ ও ‘ক্রুয়েলা’ নির্মাণের মাধ্যমে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এবার তাঁর হাত ধরেই নতুনভাবে পর্দায় ফিরল ডিসির অন্যতম জনপ্রিয় সুপারহিরো।

সুপারগার্ল বা কারা জোর এলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। তাঁর সঙ্গে আরো রয়েছেন ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট এবং জেসন মোমোয়া।

Supergirl (TV Series 2015–2021) - IMDb

‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’-এ তরুণ রেনিরা টারগারিয়েন চরিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান মিলি অ্যালকক। এবার প্রথমবারের মতো সুপারগার্লের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁকে, যা নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ ছিল শুরু থেকেই।

নতুন সিনেমায় সুপারগার্লের গল্পকে আগের চেয়ে আরও গভীর ও আবেগঘনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে কারা জোর-এল পৃথিবীতে নয়, ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রহ ক্রিপ্টনের একটি অংশে বেড়ে ওঠেন। শৈশবেই আপনজনদের হারানোর বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা তাঁকে আগের চেয়ে আরও কঠোর ও বাস্তববাদী করে তোলে।

সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ জনপ্রিয় ডিসি কমিক চরিত্র লোবোর প্রথম লাইভ-অ্যাকশন উপস্থিতি। দুর্ধর্ষ এই মহাকাশ শিকারির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া। নির্মাতাদের দাবি, কমিকসের মূল চরিত্রের প্রতি বিশ্বস্ত থেকেই লোবোকে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক দর্শকের মতে, এটি প্রচলিত সুপারহিরো চলচ্চিত্রের চেয়ে বেশি পরিণত, অন্ধকার এবং আবেগনির্ভর। 

প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সমালোচকরাও এর ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ সিনেমাটির উপস্থাপনাকে ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ এবং ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

মৃত্যুর ৯ দিন পর হলো সেই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য

বিনোদন ডেস্ক
মৃত্যুর ৯ দিন পর হলো সেই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগালের অকালমৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁর সহকর্মী ও ভক্তরা। মৃত্যুর নয় দিন পর অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে এই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য। গত ২৩ জুন পরিবারের উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়।

‘কুমকুম ভাগ্য’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ এবং ‘দিলওয়ালি দুলহা লে জায়েগি’-খ্যাত এই অভিনেত্রী গত ১৪ জুন মুম্বাইয়ের নালাসোপারায় নিজ বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত এখনো চলছে। 

Sanchita Ugale ??

এ ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

মৃত্যুর পরপরই সঞ্চিতার মরদেহ পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে তাঁদের পৈতৃক বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানেই পারিবারিক রীতি মেনে ২৩ জুন তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। মূলত গ্রামের বাড়িতে শেষকৃত্যের আয়োজন করায় টেলিভিশন অঙ্গনের অনেক সহকর্মী সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতেই অভিনেত্রীকে শেষ বিদায় জানানো হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু এখনো শোকের ছায়া হয়ে আছে ভক্ত ও সহকর্মীদের মনে।

ঈদের নাটকে ক্রিকেটার আশরাফুল | কালের কণ্ঠ