• ই-পেপার

ঈদের ৬ আলোচিত নাটক, মুক্তি পাবে ইউটিউবে

‘নির্বাচনে জায়েদ খানের ডিগবাজি মিস করি’, ভোট দিতে এসে জয়

বিনোদন প্রতিবেদক
‘নির্বাচনে জায়েদ খানের ডিগবাজি মিস করি’, ভোট দিতে এসে জয়
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে চিত্রনায়ক জায়েদ খানকে নিয়ে মজার মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জয় বলেন, ‘জায়েদ খান একটা বিনোদনের নাম। জায়েদ খানের সবকিছু মিস করি। নির্বাচনের সময় ওকে মিস করি, ডিগবাজিও মিস করি। আসলে জায়েদ খানের সবকিছুই সবাই মিস করি।’

তার এই মন্তব্যে উপস্থিত শিল্পী ও সাংবাদিকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

টানা কয়েকটি মেয়াদে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত মুখ ছিলেন জায়েদ খান। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, বক্তব্য এবং প্রচারণার নানা মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এবার তিনি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটকেন্দ্রেও বারবার উঠে আসে তার প্রসঙ্গ।

এদিকে, শুক্রবার সকাল থেকে এফডিসিতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচন। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় সাড়ে ৯টার দিকে। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। 

এবারের নির্বাচনে ৫৭৩ জন ভোটার আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।

এ ছাড়া বিভিন্ন পদে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ১১টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ভোট গণনা শুরু হবে। 

৬০ বছরের পর বিয়ে করেছেন যেসব তারকা

বিনোদন ডেস্ক
৬০ বছরের পর বিয়ে করেছেন যেসব তারকা
৬০ বছরের পর বিয়ে করেছেন যেসব তারকা

বিয়ে বা ভালোবাসার জন্য বয়স কখনোই বাধা নয়। কখনো কখনো সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করাও সার্থক হয়ে ওঠে। সেই কথাই যেন প্রমাণ করেছেন বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় তারকা। কেউ ৬০, কেউ ৭০, আবার কেউ ৮০ বছর পেরিয়ে নতুন করে সংসার শুরু করেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের গল্প তুলে ধরা হলো।

হ্যারিসন ফোর্ড
‘স্টার ওয়ার্স’ ও ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স’খ্যাত অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ড ২০১০ সালে অভিনেত্রী ক্যালিস্টা ফ্লকহার্টকে বিয়ে করেন। তখন তার বয়স ছিল ৬৭ বছর। ২০০২ সালের গোল্ডেন গ্লোবস অনুষ্ঠানে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। ২২ বছরের বয়সের ব্যবধান থাকলেও তাদের সম্পর্ক সফল পরিণতি পায়।

দদদ
সুহাসিনী মুলে ও অতুল গুর্তু

সুহাসিনী মুলে
জাতীয় পুরস্কারজয়ী বলিউড অভিনেত্রী সুহাসিনী মুলে ২০১১ সালে ৬০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো বিয়ে করেন। ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞানী অতুল গুর্তুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় প্রেমে রূপ নেয় এবং তারা বিয়ে করেন। বয়স ও বিয়ে নিয়ে প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে তিনি কখনো গুরুত্ব দেননি।

প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট
‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’খ্যাত অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট ২০১৩ সালে ৭৩ বছর বয়সে গায়িকা ও গীতিকার সানি ওজেলকে বিয়ে করেন। ২০০৮ সালে ‘ম্যাকবেথ’ নাটকে অভিনয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়েছিল।

দদদ
কবীর বেদী ও পারভীন দুসাঞ্জ

কবীর বেদী
ভারতের প্রবীণ অভিনেতা কবীর বেদী ২০১৬ সালে নিজের ৭০তম জন্মদিনে দীর্ঘদিনের সঙ্গী পারভীন দুসাঞ্জকে বিয়ে করেন। এটি ছিল তার চতুর্থ বিয়ে। তিনি মনে করেন, ভালোবাসা ও সঙ্গ পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়স কখনো বাধা হতে পারে না।

রিচার্ড গিয়ার
‘প্রিটি ওম্যান’খ্যাত হলিউড অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার ২০১৮ সালে ৬৮ বছর বয়সে স্প্যানিশ সমাজকর্মী আলেহান্দ্রা সিলভাকে বিয়ে করেন। পরে তাদের সংসারে দুটি সন্তান হয়।

জেফ গোল্ডব্লাম
‘জুরাসিক পার্ক’খ্যাত অভিনেতা জেফ গোল্ডব্লাম ২০১৪ সালে ৬২ বছর বয়সে কানাডিয়ান অলিম্পিক রিদমিক জিমন্যাস্ট এমিলি লিভিংস্টোনকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

ডিক ভ্যান ডাইক

মেরি পপিন্স’খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা ডিক ভ্যান ডাইক ২০১২ সালে ৮৬ বছর বয়সে মেকআপ শিল্পী আরলিন সিলভারকে বিয়ে করেন। বয়সের পার্থক্য ৪৬ বছর হলেও সুখেই সংসার করছেন এই দম্পতি।

জর্জ তাকেই
‘স্টার ট্রেক’খ্যাত অভিনেতা জর্জ তাকেই ২০০৮ সালে ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের সঙ্গী ব্র্যাড অল্টম্যানকে বিয়ে করেন। সমকামী বিয়ের স্বীকৃতির পর ওয়েস্ট হলিউডে বিয়ের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা প্রথম দম্পতিদের মধ্যে তারা ছিলেন।

রবার্ট ডি নিরো
অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো ৫৪ বছর বয়সে গ্রেস হাইটাওয়ারকে বিয়ে করলেও ৬১ বছর বয়সে তারা আবারও বিয়ের শপথ নবায়ন করেন। নিজেদের সম্পর্কের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতেই এই আয়োজন করেছিলেন তারা।

অ্যালান রিকম্যান
‘হ্যারি পটার’খ্যাত অভিনেতা অ্যালান রিকম্যান ২০১৫ সালে ৬৯ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা রিমা হর্টনকে গোপনে বিয়ে করেন। প্রায় ৪০ বছর একসঙ্গে থাকার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

দদ
আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট

আমির খান
এই তালিকায় শিগগিরই যুক্ত হতে যাচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার আমির খানও। আগামী ৫ জুলাই প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনে নিবন্ধনের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এতে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন। ৬১ বছর বয়সে এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে।

ভোট দিয়ে নীরবেই বেরিয়ে গেলেন আলমগীর ও উজ্জ্বল

বিনোদন প্রতিবেদক
ভোট দিয়ে নীরবেই বেরিয়ে গেলেন আলমগীর ও উজ্জ্বল
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে সবার নজর কাড়লেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীর ও উজ্জ্বল। জুমার নামাজের বিরতির পর একসঙ্গেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ভোটকেন্দ্রে হাজির হন তারা। ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে কোনো বক্তব্য না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন এই দুই শিল্পী।

দীর্ঘদিনের সহকর্মী দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত শিল্পী ও ভোটাররা। অনেকেই এগিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, কেউ আবার স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন। ভোট দেওয়ার আগে ও পরে তাদের ঘিরে তৈরি হয় ছোটখাটো ভিড়।

বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যান। এরপর আলমগীর ও উজ্জ্বল একসঙ্গেই ভোট দেন এবং নীরবে বেরিয়ে যান। গণমাধ্যমের সঙ্গে এদিন কোনো কথাই বলেননি তারা।

সকালের পর থেকেই এফডিসি প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। জুমার নামাজের জন্য সাময়িক বিরতির পর আবারও শুরু হয় ভোটগ্রহণ।

তবে নামাজের বিরতির সময় ভোটকেন্দ্রের গেটে তালা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলে হট্টগোল করেন আরমান–মুক্তি প্যানেলের সমর্থকেরা। 

তাদের দাবি, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লোক রেখে বাইরে তালা লাগানো হয়েছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

যদিও নির্বাচন কমিশনার কিবরিয়া লিপু এ অভিযোগ নাকচ করে দেন। তিনি জানান, এমন কোনো অনিয়মের সুযোগ ছিল না। 

তার কথায়, প্রজেক্টরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একাধিক প্রার্থী। সকাল থেকেই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে এফডিসিতে ভিড় করেন প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা।

শিল্পী সমিতি নির্বাচন

ব্যান্ড পার্টি, পালকি নিয়ে ভোট দিতে এলেন অভিনেতা

বিনোদন প্রতিবেদক
ব্যান্ড পার্টি, পালকি নিয়ে ভোট দিতে এলেন অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সকাল থেকেই উৎসবের আবহে মুখর ছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শিল্পীদের আনাগোনা, প্রার্থীদের শুভেচ্ছা বিনিময়, ফুল দিয়ে ভোটার বরণ আর গণমাধ্যমের সরব উপস্থিতিতে এফডিসি যেন রূপ নেয় এক মিলনমেলায়।

শুক্রবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবার মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তাঁদের ভোটেই আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব।

ভোটকেন্দ্রে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিভিন্ন পদের প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা। প্রধান ফটকেই ভোটারদের শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদপ্রার্থী শিপন মিত্র ও চিত্রনায়িকা জলিকে। তারা দুজনই শিবা সানু–জয় চৌধুরী পরিষদের প্রার্থী।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভোট দিতে এফডিসিতে আসেন অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম।

নির্বাচন নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথাও জানান এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ হোক। নির্বাচনের পর তো আমরা সবাই এক। কোনো বিভেদ না থাকুক।’

তবে দিনের সবচেয়ে আলোচিত উপস্থিতি ছিল অভিনেতা শম্ভু সরকার সঞ্জয়ের। ব্যান্ড পার্টি আর পালকির শোভাযাত্রা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়ে তিনি মুহূর্তেই সবার নজর কাড়েন। সোনালি পোশাক, কাঁধে শাল আর হাতে লাঠি নিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ভিড় করেন শিল্পী, দর্শনার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

ভোট দেওয়ার পর নিজের ব্যতিক্রমী উপস্থিতির ব্যাখ্যায় শম্ভু সরকার সঞ্জয় বলেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই উৎসব। প্রার্থীদের উৎসব, ভোটারদের উৎসব। তাই প্রতিবারই দিনটিকে ঘিরে আমার অনেক পরিকল্পনা থাকে। কখনো ঘোড়ায় চড়ে, আবার কখনো সৈন্য নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। এবার এসেছি পালকি নিয়ে।’

এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জয় চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন পদে ১০ জনের বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদেই প্রার্থী হননি। ফলে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে ৫৭৩ জন সদস্যের ভোটে এবার শিল্পী সমিতিতে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়।

ঈদের ৬ আলোচিত নাটক, মুক্তি পাবে ইউটিউবে | কালের কণ্ঠ