• ই-পেপার

অলৌকিক শক্তির বুলবুল!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পপতারকা ম্যাডোনার ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পপতারকা ম্যাডোনার ক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছেন পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। ফ্যাশন সাময়িকী ‘ভোগ ইতালিয়া’-কে দেওয়া এক নতুন সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এআই-এর ওপর নির্ভর করা হলো মূলত ‘শিল্পকর্ম তৈরির বিপরীত’।     ’

ম্যাডোনা মনে করেন, বর্তমান সময়ে শিল্পীদের মূল মনোযোগ কাজের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলোয়ার বা সংখ্যার দিকে চলে গেছে। তিনি নিজের পুরনো দিনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বলেন, আগে চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পী ও নৃত্যশিল্পীরা এক জায়গায় জড়ো হয়ে একে অপরের জন্য কাজ করতেন। কিন্তু আজকাল রেকর্ড ডিল বা কাজের চুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কার কত ফলোয়ার আছে, তা নিয়ে বেশি ভাবা হয়।

সংখ্যার এই প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ম্যাডোনা তার ‘ব্রিং ইওর লাভ গানের লাইনের উদাহরণ দেন। গানটিতে তিনি বলেছিলেন, ‘সংখ্যা দিয়ে আমাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করো না’। নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে চার্ট বা স্ট্রিমিংয়ের সংখ্যা নিয়ে কখনো মাথা ঘামাননি জানিয়ে এই পপ তারকা বলেন, অ্যালগরিদম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো ঝুঁকি নেওয়ার বিপরীত, আর আমার কাছে তা শিল্প সৃষ্টিরও বিপরীত।

নতুন গান তৈরির অনুপ্রেরণা খোঁজার কৌশল নিয়ে ম্যাডোনা জানান, সৃজনশীল কাজের সময় তিনি প্রযুক্তি এবং সামাজিক ব্যস্ততা থেকে নিজেকে পুরোপুরি দূরে রাখেন। সম্প্রতি নিজের রেকর্ডসহ নানা কারণে কঠিন সময় পার করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিরতি নিতে এবং লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যেতে পছন্দ করি, কারণ এভাবেই কল্পনাকে উজ্জীবিত করা যায়। এর জন্য স্থিরতা প্রয়োজন। এমন কিছু দিন থাকা দরকার যখন আপনি শুধু প্রকৃতি, নিজের সন্তান ও ঘোড়াগুলোর সাথে সময় কাটাবেন।

প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে ম্যাডোনা এবারই প্রথম কথা বললেন তা নয়। এর আগে তার ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’ সিনেমার প্রিমিয়ারে এক প্রশ্নোত্তর পর্বেও তিনি এর সমালোচনা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন, আপনাদের ফোনগুলো নামিয়ে রেখে (একে অপরের সঙ্গে) সংযুক্ত হোন।

চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়াজনিত সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে গত ১৪ জুন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।  

বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশ-বিদেশে আরো বহু সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেছেন এই গুণী শিল্পী।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি কবি গোলাম মোস্তফা ও জমিলা খাতুনের সন্তান।

নারায়ণগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করার পর কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হলেও পরে নিজের আগ্রহের টানে কলকাতা সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৯ সালে সেখান থেকে চারুকলায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

দেশে ফিরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আহ্বানে আর্ট কলেজে শিক্ষকতা শুরু করলেও পরে সেই দায়িত্ব ছেড়ে তৎকালীন বাংলাদেশ টেলিভিশনে যোগ দেন। সেখানে অনুষ্ঠান নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে তিনি দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘মনির মুক্তা’ ও ‘নতুন কুঁড়ি’সহ বিভিন্ন সৃষ্টিশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন।
 

সেই ‘অভিশপ্ত রাত’ নিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ আলী খান

বিনোদন ডেস্ক
সেই ‘অভিশপ্ত রাত’ নিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ আলী খান
সংগৃহীত ছবি

গেল বছরের ১৬ জানুয়ারি মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান। পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি।

ঘটনার এক বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো সেই ভয়ংকর রাতের স্মৃতি প্রকাশ্যে শেয়ার করলেন অভিনেতা। একই সঙ্গে জানালেন, হামলাকারীকে তিনি ক্ষমা করতে পারবেন কি না।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব কমই কথা বলেন সাইফ। হামলার ঘটনাও এত দিন এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সেই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত এখনো তার মনে গেঁথে আছে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাইফ বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে আলাদাভাবে এই ঘটনাটার মোকাবেলা করেছি। এই অভিজ্ঞতা সারা জীবনের সঞ্চয়। এক দুষ্কৃতি বাথরুমের জানালা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। জেহর ন্যানি এসে জানায়, ওর ঘরে একজন ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে টাকা চাইছে। ছেলের ঘরে গিয়ে দেখি জেহকে জাপটে ধরে রেখেছে। সামান্য কেটেও গিয়েছিল। ন্যানিকেও আঘাত করেছে। আমি যদি ঘরের আলো জ্বালিয়ে জিজ্ঞেস করতাম সে আদৌ জানে কি না কোথায় এসেছে বা কী করছে তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত। কিন্তু তখন আমার মাথায় অন্য কিছু কাজ করছিল। জেহকে বাঁচাতে আমি ঝাঁপিয়ে পড়ি, হাতাহাতি শুরু হয়। এর পরই সে ছুরি নিয়ে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করতে থাকে।’

তিনি জানান, ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় একসময় তার মনে হয়েছিল, আর হয়তো বাঁচবেন না।

সাইফ বলেন, ‘আমি তখন সাদা কুর্তা-পাজামা পরে ছিলাম। পুরো পোশাক রক্তে ভিজে গিয়েছিল। যখন মেঝেতে লুটিয়ে পড়েছিলাম তখন মনে হচ্ছিল আমার আয়ু শেষ। সেই মুহূর্তে আমার শুধু তৈমুরের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা করছিল। ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কি আমার সঙ্গে হাসপাতালে যাবে? ও আমাকে পালটা জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি মারা যাবে? আমি বলেছিলাম, না। তারপর আমরা একসঙ্গে হাসপাতালে যাই।’

হামলাকারীকে ক্ষমা করার প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন এই অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই ওকে ক্ষমা করতে চেয়েছিলাম। আমার মনে হয় ও একটা ভয়ঙ্কর ভুল করেছে। সম্ভবত ও মারামারি করতে আসেনি। আমি ওকে ক্ষমা করতে পারি কিন্তু যে মুহূর্তে সে আমাকে খুন করার চেষ্টা করেছিল সেই ভয়ংকর মুহূর্তটা এখনো ভুলতে পারিনি।’

উল্লেখ্য, হামলার তিন দিন পর মুম্বাই পুলিশ থানে এলাকা থেকে অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

কাজের ক্ষেত্রে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে সাইফ আলী খান অভিনীত ‘কর্তব্য’। এ ছাড়া তার হাতে রয়েছে প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘হাইওয়ান’ এবং রাহুল ঢোলাকিয়ার ‘হাম হিন্দুস্তানি’।

ভিক্টর হুগোকে ঘিরে ঢাকায় সৌধের বিশেষ পরিবেশনা

বিনোদন প্রতিবেদক
ভিক্টর হুগোকে ঘিরে ঢাকায় সৌধের বিশেষ পরিবেশনা
সংগৃহীত ছবি

ঊনবিংশ শতকের বিশ্বখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও চিত্রশিল্পী ভিক্টর হুগোর কাব্যগ্রন্থ ‘ওডস এট বেলাডেস’-এর প্রকাশের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী কবিতা ও সংগীতালেখ্য ‘হুগো থ্রু বেঙ্গলি মিস্টিক্স’। 

ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের নুভেল ভ্যাগ মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ব্রিটেনভিত্তিক দক্ষিণ এশীয় ধ্রুপদী শিল্পসংস্থা ‘সৌধ’-এর পরিবেশনায় ভিক্টর হুগোর কবিতার সঙ্গে বাংলার মরমি সংগীতের এক অনন্য মেলবন্ধন উপস্থাপন করা হয়। কবিতা, সংগীত, আলোক-প্রক্ষেপণ ও দৃশ্য-ভাষ্যের সমন্বয়ে নির্মিত এই আয়োজন দর্শকদের জন্য ছিল এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠান শেষে একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক এবং বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ‘ঢাকায় এই মাপের অনুষ্ঠান খুব কম উপভোগ করেছি। ভিক্টর হুগোকে পুনর্পাঠের ক্ষেত্রে এরকম অপূর্ব পরিবেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।’

বাংলাদেশে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শাম্ব্রুও আয়োজনটির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের এরকম সম্মোহনী অভিসার বাংলাদেশে আমি পরিচালক থাকাকালে কিছু দেখেছি বলে মনে পড়ে না। ভিক্টর হুগোর কবিতা দিয়ে প্রকারান্তরে বাংলার মরমী সঙ্গীতের সৌন্দর্য আবিষ্কার করতে পেরে আমি অভিভূত বোধ করছি। সৌধকে আমি আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখছি যেন বছরের বিভিন্ন সময় আমাদের এই ভেন্যুতে এরকম আরও নতুন নতুন শিল্প-প্রকল্প মঞ্চায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।’

কবি ও সাংবাদিক জুনান নাশিত বলেন, ‘ঢাকায় এই মাপের অনুষ্ঠান দেখতে পারা রীতিমতো সৌভাগ্যের। এই সুযোগগুলো আমাদের জন্য খুব সচরাচর আসে না। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেছি প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত—কী সঙ্গীত, কী হুগোর হৃদয়স্পর্শী কবিতা! কিংবা দুই ঐতিহ্যের সম্মিলনের ধারণাটুকুও।’

সৌধের পরিচালক টি এম কায়সার জানান, ঢাকার দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া তাদের অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্যে এই অসামান্য অভিজ্ঞতা খুব তৃপ্তির, বিশেষত যখন আমরা বৃটেনের গন্ডী পার হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, ইউরোপ বা প্রতীচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি আমাদের বিচিত্র শিল্পপ্রকল্প দিয়ে। পিনপতন নীরবতায় কানায় কানায় পূর্ণ অডিটরিয়ামে নগরীর স্বনামধন্য কবি, লেখক, সঙ্গীতশিল্পী, বুদ্ধিজীবী, নাট্য, নৃত্য ও অভিনয়শিল্পী, একাডেমিক, আইনজীবী এবং শিল্পপিপাসু দর্শকেরা আমাদের এই পরিবেশনা আদ্যোপান্ত উপভোগ করেছেন। আমাদের কাজ নিয়ে যে উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন, তা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্রিটেনে আমাদের কাজ নিয়ে ঢাকার শিল্পবোদ্ধাদের মধ্যে যে কৌতূহল লক্ষ্য করেছি, তা-ও ভীষণ আনন্দের। প্রায় অর্ধেকেরও বেশি দর্শক স্থান-সংকুলানের অভাবে হলে প্রবেশ করতে না পেরে ক্যাফেতে বসে অপেক্ষা করেছেন শুধু আমাদের কাজ নিয়ে তাদের ভালোবাসার কথা জানাতে। এটুকুই মনে করিয়ে দেয়, আমাদের প্রচেষ্টা হয়তো একটি দৃশ্যমান অর্থ তৈরি করছে।’

টি এম আহমেদ কায়সারের পরিচালনায় আয়োজিত এই পরিবেশনায় সংগীত পরিবেশন করেন তরুণ ব্যাঞ্জোবাদক সাব্বির শাহ, ইতালীয় জ্যাজশিল্পী মার্থা, চিত্রশিল্পী তারেক আমিন এবং সরোদবাদক রুমন তারা। 

ভিক্টর হুগোর কবিতা পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনাসিব কামাল। আলোক-প্রক্ষেপণ, কবিতা ও সংগীতের দৃশ্য-ভাষ্য নির্মাণে ছিলেন আলোকচিত্রী পাবলো খালেদ। নেপথ্য ব্যবস্থাপনা ও ভিডিও ডকুমেন্টেশনের দায়িত্ব পালন করেন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃত্তিকা কামাল ও উজান।

উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে ব্রিটেনভিত্তিক শিল্পসংস্থা ‘সৌধ’ রয়্যাল অ্যালবার্ট হল, সাউথব্যাংক সেন্টার, হাউস অব কমন্স, স্কটিশ পার্লামেন্ট, ওয়েলশ পার্লামেন্টসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিল্প ও একাডেমিক ভেন্যুতে দক্ষিণ এশীয় ধ্রুপদী শিল্পকে বিশ্বের নানা শিল্পধারার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে পরিবেশনা করে আসছে।

অলৌকিক শক্তির বুলবুল! | কালের কণ্ঠ