• ই-পেপার

ফের ঢাকা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি  হলেন ইঞ্জি. মিজানুর রহমান

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে ঢাকার বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক রবিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা হতে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে বজ্র বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় সাংস্কৃতিক মেলা, প্রদর্শনী ও কনসার্টের আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় সাংস্কৃতিক মেলা, প্রদর্শনী ও কনসার্টের আয়োজন
সংগৃহীত ছবি

রাশিয়া দিবস উপলক্ষে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যেখানে রাশিয়ান ও বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং রাশিয়ার বন্ধুদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

শনিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার পরিচালক আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই। তিনি রাশিয়া দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাশিয়ান ফেডারেশনের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বিভিন্ন জাতির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব জোরদারে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ভূমিকা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন।

এরপর বক্তব্য দেন বাংলাদেশে রাশিয়ান ফেডারেশনের দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সেলর ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিন। তিনি রাশিয়া ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সাংস্কৃতিক ও মানবিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পর্বে আধুনিক রাশিয়াকে তুলে ধরে একটি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়, যেখানে দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের ইয়েলাবুগা কলেজ অব কালচার অ্যান্ড আর্টস-এর লোকসংগীত ও নৃত্যদল “আলাবুগা”-এর পরিবেশনা। রুশ ও তাতার লোকসংগীত, বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনা এবং নৃত্যের মাধ্যমে তারা রাশিয়ার বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করেন।

কনসার্টে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীতশিল্পী রাজিল গাব্বাসভ ঐতিহ্যবাহী লোকবাদ্যযন্ত্র পরিবেশন করেন এবং তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের সম্মানিত শিল্পী দিলইয়ারা মিরোভায়েভা বিশেষ সংগীত পরিবেশন করেন।

সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণ করে “হ্যাপিনেস” নামের একটি শিশু নৃত্যদল, যার সদস্যরা সোভিয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সন্তান। তাদের পরিবেশিত বাংলা ঐতিহ্যবাহী নৃত্য রাশিয়া ও বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দর্শকদের মুগ্ধ করে।

বাংলাদেশে বসবাসরত রাশিয়ান স্বদেশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তারা ‘গ্লিয়াঝু ভ ওজিওরা সিনিয়ে’ গান-কবিতা আবৃত্তি করেন এবং জনপ্রিয় রুশ লোকসংগীত ‘করোবেইনিকি’-এর সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ অংশ তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রকে উৎসর্গ করা হয়, যেখানে এর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং রাজধানী কাজান সম্পর্কে দর্শকদের পরিচিত করা হয়।

কনসার্টের পর অতিথিরা রাশিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক মেলায় অংশগ্রহণ করেন এবং দুটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। ‘মাল্টিকালচারাল রাশিয়া’ প্রদর্শনীতে রাশিয়ার বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়, আর ‘প্রিস্টিন রাশিয়া’ প্রদর্শনীতে দেশটির অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বন্যপ্রাণী উপস্থাপন করা হয়।

মেলায় মাতরিয়োশকা রঙ করার কর্মশালা, রুশ ধাঁচের ফটোজোন, স্মারক সামগ্রীর প্রদর্শনী, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পানীয় এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

এই উদযাপন বাংলাদেশে রুশ সংস্কৃতির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন ঘটায় এবং দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পুনর্ব্যক্ত করে।

স্কোয়াশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্কোয়াশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

স্কোয়াশ খেলার উন্নয়ন ও প্রসারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, স্কোয়াশ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া হলে সরকার তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি তরুণদের মাদক ও অতিরিক্ত ডিভাইস-নির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে ‘টুরাগ অ্যাক্টিভ ৬ষ্ঠ জাতীয় স্কোয়াশ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের আয়োজনে এবং উর্মী গ্রুপের প্রতিষ্ঠান টুরাগ অ্যাক্টিভের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় দেশের ২৮ জেলার ৩০টি ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের শতাধিক খেলোয়াড় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৭৯ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারী খেলোয়াড় ছিলেন। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত পুরুষ ও মহিলা, সৌখিন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী এবং অনূর্ধ্ব-১১, অনূর্ধ্ব-১৩ ও অনূর্ধ্ব-১৫ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের পৃথক বিভাগসহ মোট নয়টি বিভাগে।

আমিনুল হক বলেন, ধারাবাহিক জাতীয় প্রতিযোগিতা, তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ এবং বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দেশে স্কোয়াশের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকার সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে একটি ক্রীড়াবান্ধব সমাজ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উর্মী গ্রুপের পরিচালক ফাইয়াজ রহমান বলেন, দেশে স্কোয়াশের সম্ভাবনা অনেক এবং তরুণদের মধ্যে এ খেলার প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। নিয়মিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা নতুন প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করছে। ভবিষ্যতেও স্কোয়াশসহ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে উর্মী গ্রুপ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মো. হাসান উজ জামান বলেন, সীমিত অবকাঠামো ও নিজস্ব কোর্টের অভাব সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে দেশের স্কোয়াশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন, নারী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্কোয়াশ সম্প্রসারণে ফেডারেশন কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম, উন্নয়ন কমিটির প্রধান মেজর শফিউল্লাহ মাস্তান, উর্মী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপদেষ্টা এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) বদরুল আমিন এবং টুরাগ অ্যাক্টিভের সিওও আহম্মদ মনসুর রউফসহ ফেডারেশন ও পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

আয়োজকদের মতে, রেকর্ডসংখ্যক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ এবং প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এবারের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ দেশের স্কোয়াশ অঙ্গনের অন্যতম সফল আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হবে।