• ই-পেপার

আবাস হারিয়ে লোকালয়ে কুমির, আতঙ্কে নদীপারের মানুষ

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় লাগাতার ভারি বর্ষণে পাহাড়ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ওই শিশুর নানি আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খলিফা মুড়ার আলিম্যার ঝিরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম মো. মিনহাজ উদ্দিন (৭)। সে ওই এলাকার কলিম উল্লাহর ছেলে। 

স্থানীয়রা জানায়, গত দুই দিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুপুর ও বিকেলের ভারি বর্ষণের ফলে সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের মাটি ধসে কলিম উল্লাহর বাড়ির ওপর পড়ে। পরে স্থানীয়রা এসে মাটির নিচ থেকে ওই শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এদিকে পাহাড় ধসে শিশু মিনহাজের মৃত্যুর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে৷

স্থানীয় ইউপির সদস্য মনজুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভারি বর্ষণের ফলে বসতভিটার পেছনে পানি জমে যায়। মৃত শিশু ও তার নানি পানি নিষ্কাশনের কাজ করছিল। সে সময় হঠাৎ পাহাড়ের মাটি ধসে বসতঘরের ওপর এসে পড়ে। এতে বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে শিশুটি মারা যায়। এ সময় শিশুটির নানি নুরুন্নাহার বেগম (৫৫) আহত হন। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ সদস্যের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিনিধি
সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ সদস্যের
ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের নূরুল আমিন (৬৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (৫০) এবং ছেলে ফরহাদ শাহ (৩০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নূরুল আমিন ও তার ছেলে ফরহাদ গ্রামে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। সোমবার দোকান সংস্কারের কাজ চলাকালে দোকানে নেওয়ার জন্য একটি টিন বহন করার সময় সেটি পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের তারে স্পর্শ করলে বাবা-ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের চিৎকার শুনে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন নূরুল আমিনের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার। এসময় তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ফতেপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে স্বজনরা ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের লাইনও এ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।’

নবীনগরে সওজের অভিযানে ৩ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
নবীনগরে সওজের অভিযানে ৩ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল করে গড়ে ওঠা তিন শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। সোমবার (৬ জুলাই) দিনব্যাপী উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে পুনরায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস। এ ছাড়া অভিযানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস জানান, স্থাপনাগুলো সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। আগে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করে এসব অবৈধ দখলদারকে নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। ফলে বিধি অনুযায়ী এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে, উপজেলার সহকারী কমিশনা ভূমি আবু মোছা, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুবুর রহমান ও শতাধিক পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় এই একই জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-বাবা ও ছেলের মৃত্যু

বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-বাবা ও ছেলের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-বাবা ও ছেলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ সোমবার বিকেল ৬টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর-ধাওয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহতরা হলেন নুরুল আমিন (৬০) তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৫) ও ছেলে ফাহাদ মিয়া (৩৮)।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার নুরুল আমিনের বাড়ি মেরামত করছিলেন। বিকেলে পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইন ছিড়ে বাড়ির ওপরে পড়ে। আর বাড়িটি টিনের হওয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়। কিন্তু বিষয়টি জানত না তারা। প্রথমে ছেলে ফাহাদ বাড়ির টিনে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন, তাকে বাঁচাতে গিয়ে মা তাকে ধরলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাদের দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে নুরুল আমিন তাদের ধরলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। পরে এলাকাবাসী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করে।

খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ গিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি শাহিন মিয়া। তিনি জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একেই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।