• ই-পেপার

নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন গ্রেপ্তার

চোর অপবাদে প্রতিবন্ধী যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি
চোর অপবাদে প্রতিবন্ধী যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নড়াইলে চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধী এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ওই যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন তার বড় ভাই।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আহত প্রতিবন্ধী যুবকের নাম আনোয়ার হোসেন (৩২)। তিনি নড়াইল সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বাঁচগ্রামের কাওছার উদ্দিন মোল্যার ছেলে।

অভিযুক্তরা হলেন নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা মালো বাড়া এলাকার  নিভাস বিশ্বাসের ছেলে প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, পলান বিশ্বাসের ছেলে সৌরভ বিশ্বাস, অনাধি বিশ্বাসের ছেলে অপূর্ব বিশ্বাস, প্রভাষ বিশ্বাসের ছেলে আকাশ বিশ্বাস ও পরান বিশ্বাসের ছেলে হৃদয় বিশ্বাস। সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা। 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আহত আনোয়ার হোসেন (৩২)। তিনি একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৪ জুন সকাল ৯টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন সকালে নড়াইল জেলা হাসপাতালে গিয়ে তারা জানতে পারেন, আনোয়ার গুরুতর আহত অবস্থায় সেখানে ভর্তি রয়েছেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গোবরা মালোপাড়া এলাকার প্রসেনজিৎ, সৌরভ, অপূর্ব, আকাশ, হৃদয়সহ কয়েকজন আনোয়ারকে চোর অপবাদ দিয়ে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে প্রসেনজিতের বাড়ির সামনে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে সারা রাত মারধর করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে প্রসেনজিৎ আনোয়ারের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। অন্যরা লোহার রড দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও ফোলা সৃষ্টি হয়।

এজাহার অনুযায়ী, ২৫ জুন সকালে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বিষয়টি পুলিশকে জানালে নড়াইল সদর থানার এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে উদ্ধার করে নড়াইল  হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবারের দাবি।

আহতের বড় ভাই মো. নবীর হোসেন জানান, আমার ভাই মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। সেই সুযোগে তাকে চোর অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

অভিযুক্ত প্রসেনজিতের মা জানান, ভ্যানের কাছে গিয়ে শিকল ধরে টানাটানি করছিল লোকটি। ছেলেটি চোর বলে ডাক দিলে স্থানীয় অনেক লোক ছুটে আসে। তাকে কে বা কারা মেরেছে সেটি জানিনা। সেখানে অনেক লোক ছিল। পরে আমার ছেলেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। 

নড়াইল সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তা ওসি অজয় কুমার কুন্ডু জানায়, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের যে জেলায় ডিসি-ইউএনও সবাই নারী

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
দেশের যে জেলায় ডিসি-ইউএনও সবাই নারী
ছবি : এআই দিয়ে প্রস্তুত করা

চুয়াডাঙ্গায় প্রশাসনিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং জেলার চার উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)—সব পদেই দায়িত্ব পালন করছেন নারী কর্মকর্তা। এতে জেলা প্রশাসনে নতুন এক নজির সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লুৎফুন নাহার। তিনি চুয়াডাঙ্গার দ্বিতীয় নারী জেলা প্রশাসক। তাঁর নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর—চার উপজেলার ইউএনও পদেও নারী কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে চুয়াডাঙ্গায় নারী জেলা প্রশাসক ও নারী ইউএনও দায়িত্ব পালন করলেও, জেলা প্রশাসকসহ চার উপজেলার ইউএনও পদে একই সময়ে পাঁচ নারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের ঘটনা এবারই প্রথম।

জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৫ জুন চুয়াডাঙ্গার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সায়মা ইউনুস। তিনি ২০১৭ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর প্রায় এক দশক পর গত ২৯ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লুৎফুন নাহারকে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ২ এপ্রিল জেলার ৩০তম জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

একই সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব নেন তিথি মিত্র। পরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের প্রজ্ঞাপনে আলমডাঙ্গা উপজেলার ইউএনও হিসেবে শাহীনুর আক্তারকে পদায়ন করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৪ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনে লাভলী ইয়াসমিনকে দামুড়হুদা এবং সুমাইয়া সুলতানা এ্যানিকে জীবননগর উপজেলার ইউএনও হিসেবে পদায়ন করা হয়। এর মধ্যে লাভলী ইয়াসমিন ইতিমধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে জীবননগরের নবনিযুক্ত ইউএনও সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি এখনো যোগদান করেননি। বর্তমানে সেখানে মো. আশরাফুল আলম রাসেল দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের জন্য ভালো কাজ করছে—এটি তারই প্রমাণ। আমি যখন দেখলাম এই জেলায় আরো দুজন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, তখন আমার মনে হয়েছে এটি খুবই ইতিবাচক একটি বিষয়। আমি কাজের ক্ষেত্রে ছেলে ইউএনওদের সঙ্গেও কাজ করেছি, তারাও ভালো কাজ করেন। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, মেয়েরা আরো ভালো কাজ করেন। তারা যেমন আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের সংসার সামলান, তেমনি কর্মক্ষেত্রও আরো বেশি আন্তরিকতার সঙ্গে পরিচালনা করেন-আমার কাছে এমনটিই মনে হয়েছে।’

আসামির মুক্তির দাবি বাদীর

পাবনা প্রতিনিধি
আসামির মুক্তির দাবি বাদীর
সংগৃহীত ছবি

পাবনার ঈশ্বরদীতে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলার বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্তকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন মামলার বাদী। বিয়ের পরদিন আদালত অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠালে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার এবং স্বামীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মামলার বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী।

বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী পাবনার ঈশ্বরদী থানা এলাকার শৈলপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদনীনের মেয়ে।

লিখিত বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, আমি গত ২০২৪ সালের ১২ নভম্বের চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার শাহান শরীফ রিপনের ছেলে মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করি। এর এফআইআর নং-১৭। উক্ত মামলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। মামলাটি বর্তমানে পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, বিচারাধীন অবস্থায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে এবং আমার স্বেচ্ছা সম্মতিতে গতকাল রবিবার পাবনা পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক মো. আব্দুল মজিদের মাধ্যমে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের সঙ্গে বৈধ বিবাহ সম্পন্ন করি। বিবাহে ৭ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময় আমাদের উভয়ের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, বিয়ের পরের দিন আজ সোমবার (২৯ জুন) উক্ত মামলায় আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে আত্মসমর্পণ করলে মাননীয় আদালত আমার স্বামী মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এমতাবস্থায়, আমি আমার স্বামীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করতে ইচ্ছুক। আমি আদালতের নিকট বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের মধ্যে পারিবারিক মীমাংসা হয়েছে এবং আমি আমার স্বামীর মুক্তি কামনা করছি।
আসামির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে আর অগ্রসর হতে ইচ্ছুক নই এবং এ বিষয়ে বর্তমান অবস্থান আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রিসোর্টে দ্বন্দ্ব, প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক খুনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
রিসোর্টে দ্বন্দ্ব, প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক খুনের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

রেস্টুরেন্টে গিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন প্রেমিক-প্রেমিকা। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান প্রেমিক মো. আবদুল্লাহ। এ ঘটনায় আহত হন প্রেমিকা সুমা আক্তারও। মৃত আব্দুল্লাহর পরিবারের দাবি, প্রেমিকা সুমা আক্তার প্রেমিক আব্দুল্লাহকে খুন করেছেন। 

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যার দিকে গাজীপুর মহানগরীর রাজেন্দ্রপুর এলাকার জঙ্গলের গল্প রিসোর্টের ভেতর এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে দুজন তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আব্দুল্লাহ, আহত হন সুমাও। পরে সুমাকে উদ্ধার গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

মৃত মো. আব্দুল্লাহ (২৬) গাজীপুর সদর উপজেলার পানিশাইল এলাকার অটোচালক শাহীন আলমের ছেলে। সুমা আক্তার (২০) একই উপজেলার পিরুজালী গ্রামের মো. সামসুদ্দিনের মেয়ে। তারা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন।

আব্দুল্লাহর খালাতো ভাই মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘সুমার আগেও একটি বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি সুপারশপে কাজ করতেন। আর মৃত আব্দুল্লাহ সৌদি আরব থাকতেন। তিন মাস এগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন তিনি। ৫ দিন পর তার সৌদি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।’

করিম জানান, বাড়িতে আসার পর ফুফাতো বোন সুমার সঙ্গে আব্দুল্লাহর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহ জানতে পারেন কয়েক মাস আগে সুপারশপের এক সহকর্মীর সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন তার প্রেমিকা। সুমা বিষয়টি অস্বীকার করে সৌদি ফিরে যাওয়ার আগেই বিয়ের জন্য আব্দুল্লাহকে চাপ দেন। কিন্তু বিয়েতে রাজি না হলে ২০-২৫ দিন আগে সুইচ গিয়ার চাকু বের করে আব্দুল্লাহকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন সুমি। বিষয়টি আব্দুল্লাহ তার মা-বাবাকেও জানিয়েছিলেন। এর পর থেকেই সুমাকে এড়িয়ে চলতেন আব্দুল্লাহ।

আব্দুল্লাহর খালাতো ভাই আরো জানান, রবিবার সকালে মোবাইল ফোনে আব্দুল্লাহকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন সুমা। সন্ধ্যায় আব্দুল্লাহ মৃত্যুর খবর পান তারা। ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের পাশে রক্তাক্ত সুইচ গিয়ার পড়ে থাকতে দেখেন। তার শরীরে একাধিক আঘাত এবং গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশ আব্দুল্লাহর পরিবারকে জানিয়েছিল, আব্দুল্লাহ সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে সুমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে নিজের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আমাদের ধারণা, সুমি নিজের কাছে থাকা সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে আব্দুল্লাহকে হত্যা করে ঘটনার দায় এড়াতে নিজেই নিজের শরীরে আঘাত করেছেন। তা ছাড়া সুমির শরীরের আঘাত ততটা গুরুতর নয়।

নিহতের বাবা শাহীন আলম বলেন, ‘সুমা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। কয়েক দিন আগেও সে একই চাকু বের করে আব্দুল্লাহকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। এ ঘটনায় সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আব্দুল্লাহ সঙ্গে সুমার প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। শনিবার তারা জঙ্গলের গল্প রিসোর্টে ঘুরতে যান। সেখানে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য ও তর্কবিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর পরই এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’