• ই-পেপার

দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১১ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা

ঢাকা-চট্টগ্রাম

মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অটোরিকশা, বাড়ছে প্রাণহাণি

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অটোরিকশা, বাড়ছে প্রাণহাণি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত, দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা। সড়কের পাশেই চলছে যাত্রী ওঠানামা। এমন কি পুলিশ বক্সের সামনে গড়ে উঠেছে অটোরিকশা স্ট্যান্ড।

অভিযোগ রয়েছে, জনবহুল শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা নারায়ণগঞ্জ। ব্যস্ত এই নগরীর দুই মহাসড়কে দাপিয়ে চলছে ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কখনো স্বল্প ও দূরপাল্লার পরিবহনের সঙ্গেও পাল্লা দেওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত ঘটছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহাণি।

সড়কে নিয়মিত চলাচল করা বাস-ট্রাকচালকরা বলছেন, দুর্ঘটনার বড় কারণ মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল। এছাড়া নিয়ম না মেনে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বিভিন্ন মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা। বড় যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।

স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে কমপক্ষে ২০টি জায়গায় বেপরোয়া গতিতে রাত-দিন বিরামহীন অটোরিকশা চলছে। অধিকাংশ অটোরিকশাচালকই অদক্ষ। এতে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা।

সিদ্ধিরগঞ্জ ও আড়াইহাজারে কতগুলো সিএনজি চালিত অটোরিকশা সড়ক-মহাসড়কে চলাচল করে তার প্রকৃত তথ্য জানা নেই প্রশাসনের। তবে আড়াইহাজার ও সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন সড়কে অন্তত চার থেকে পাঁচ হাজার অটোরিকশা চলাচল করে বলে জানা গেছে। এসব অটোরিকশার অধিকাংশ চালকের লাইসেন্স নেই, নিবন্ধনও নেই। স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও পুলিশকে ম্যানেজ করে অটোরিকশাগুলো চলাচল করছে।

বাসচালক আহসানউল্লাহ মজুমদার বলেন, ‘অটোরিকশা এক প্রকার অত্যাচার শুরু করছে। ওদের জন্য আমরা গাড়ি চালাইতে পারি না। তারা লোকাল রাস্তায় চলাচল করলে আমাদের সমস্যা হয় না। কিন্তু মহাসড়কে চললে খুব সমস্যা হয়। তারা গাড়ি চালানোর বিষয়ে নূন্যতম জ্ঞান রাখে না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএনজিচালিত এক অটোরিকশাচালক এ প্রতিবেদককে জানান, গত ৫ আগস্টের পর মহাসড়কে আমাদের সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালাতে কোনো রকমের মাসোহারা লাগতো না। কয়েকমাস যাবত প্রতি মাসে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশকে এক হাজার টাকা মাসোহারা দিয়ে গাড়ি চালাতে হয় আমাদের। প্রতি মাসে তাদের নিয়োজিত দালালদের হাতে টাকা না দিলে আমাদের গাড়ির বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন রকমের হয়রানি করা হয়।

সরেজমিনে কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ডের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায় অটোরিকশার স্টপেজ। যত্রতত্রভাবে চলছে যাত্রী ওঠানামা।

অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, পুলিশ আমাদের ধরে কিন্তু টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। ধরলে ২৬০০ টাকা জরিমানা দিয়ে গাড়ি ছাড়াতে হয়। আশপাশে চালালে তেমন ইনকাম হয় না। তাই মহাসড়কে চালাই।

তবে অবৈধ যান চলাচল বন্ধে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি শামীম শেখ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ। আমরা তাদেরকে নিরুৎসাহিত করি। মাইকিং করে জানিয়েছি মহাসড়কে যেন এ ধরনের যান না আসে।’

নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে উপস্থিতি যাচাই করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে উপস্থিতি যাচাই করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জ সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত আইসিইউ বেডের উদ্বোধন উপলক্ষে নির্ধারিত সময়ের আগেই নীরবে হাসপাতালে পৌঁছে আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন।

রোববার (১৪ জুন) সকালে শহরের নারায়ণগঞ্জ সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে প্রবেশের পর মন্ত্রী উপস্থিতির তালিকা হাতে নিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীদের নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন। উপস্থিতি যাচাইয়ের সময় কয়েকজনের অনুপস্থিতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক অসংগতি তার নজরে আসে। এ সময় তিনি হাসপাতালের সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়েও খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্টদের আরো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন ও সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়।’

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী হাসপাতালের নবনির্মিত আইসিইউ বেডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রীর আকস্মিক সফরের খবরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক কর্মচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, হাসপাতালে উপস্থিত রোগী ও তাদের স্বজনরাও স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

অচল পায়ে সচল স্বপ্ন জিসানের

এস এম দেলোয়ার হোসাইন, মাদারীপুর
অচল পায়ে সচল স্বপ্ন জিসানের
সংগৃহীত ছবি

জন্ম থেকেই দুটি পা অচল, হাতের ওপর ভর করে চলেছে জীবন। নেই বাবা-মা, থাকেন দাদা-দাদির সংসারে। যেন সব সংকট তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছে। তবু স্বপ্নপূরণে অদম্য জিসান মোল্লা (২৫)। ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে না নিয়ে জীবিকার তাগিদে সংগ্রামের পথে রয়েছেন, যা সবার কাছে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। তিনি কখনো হাল ছাড়েননি। শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে উপেক্ষা করে বাজারে অস্থায়ীভাবে কাঁচামাল বিক্রি করেই তিনি সংসার চালাচ্ছেন।

জিসান মোল্লার বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের বালাকান্দি এলাকায়। শিবচর পৌর বাজারের লালন মঞ্চের সামনে তার অস্থায়ী দোকান। সেখানে কাঁচামাল বেচাকেনা করেন।

রবিবার সকালে তার দোকানে গিয়ে দেখা যায়, জিসানের দোকানে আছে কাঁচা মরিচ, করলা, কচুর লতি। দোকানে কাঁচামালের পরিমাণ খুবই কম। মূলধন না থাকায় অধিকাংশ কাঁচামাল বাকিতে কিনতে হয়। দিন শেষে যা বিক্রি হয়, তা দিয়েই ধার শোধ করেন। আর যা থাকে, তা দিয়েই চলে তার জীবন সংসার।

কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপে জিসান মোল্লা জানান, তিনি জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। অনেক কষ্ট করে জীবন চালাই। পায়ে সমস্যায় হাঁটাচলায় অনেক কষ্ট হয়। ছয় বছর বয়সে পারিবারিক কলহের জেরে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর মা তাকে রেখে চলে যান। কিছুদিন পর বাবাও মারা যান। তারপর দাদা-দাদিই আমাকে লালন-পালন করেছেন। শরীরের অবস্থার কারণে ভারী কোনো কাজ করতে পারি না। তবে কিন্তু ভিক্ষা করতে চাই না। 

তিনি আরো জানান, প্রথমে সাত শ টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়ির পাশে বাঁশের মাচালে কিছু সামগ্রী বিক্রি করলেও মূলধন না থাকায় সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চিন্তা করলাম কী করা যায়। তখন শিবচর বাজারে গিয়ে বাকিতে ২৩ ধরনের কিছু কাঁচামাল ক্রয় করে বিক্রি করা শুরু করি। দোকানে বেশি কাঁচামাল না থাকায় বিক্রিও কম। আবার অনেক সময় উচ্ছেদ অভিযানে দোকানও সরিয়ে নিতে হয়।

জীবনের প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই। তিনি বলেন, আমার চলাচল করতেও খুব কষ্ট হয়। বাড়ি থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত ইটের রাস্তা থাকায় হাতের ওপর ভর করে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই হাত-পা কেটে যায়। বর্ষা মৌসুমে কাদামাটিতে ভরা রাস্তা ও যানবাহনের সংকটের কারণে নিয়মিত বাজারে আসাও সম্ভব হয় না। যদি সরকার বা সমাজের বিত্তবানদের কাছ থেকে একটি হুইলচেয়ার, চালের কার্ড বা কোনো মানবিক সহায়তা পেতাম, তাহলে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়ে আরো ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।

প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জিসানকে কষ্ট করতে দেখছি। বাবা-মা হারিয়ে অনেক কষ্টের মধ্যে বড় হয়েছে। তিনি ভিক্ষা না করে পরিশ্রম করে জীবন চালাচ্ছেন। সরকার কিংবা সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি তাঁকে একটি দোকানঘর ও কিছু মূলধনের ব্যবস্থা করে দেন, তাহলে তিনি আরো স্বাবলম্বী হতে পারবেন।’

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও জিসান যেভাবে পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় রয়েছেন। সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় তাকে আরো সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।’

বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিজিএমইএর পাঁচ দাবি

অনলাইন ডেস্ক
বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিজিএমইএর পাঁচ দাবি

জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তবে বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বাজেটে পূরণ হয়নি এমন পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেছে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি। 

শনিবার (১৩ জুন) গণমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায় বিজিএমইএভ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও সংস্কারমুখী। তবে তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান সংকট বিবেচনায় বাজেটে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সেখানে আরো বলা হয়, বৈশ্বিক মন্দা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পোশাক খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, ইউনিটপ্রতি গড় মূল্য ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার পরিমাণ ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি সরকারের কাছে পাঁচটি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক রপ্তানির ওপর উৎসে করের হার বর্তমান ১ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং তা আগামী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল রাখা।

নগদ সহায়তার বিপরীতে আয়কর কর্তনের হার ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বর্তমান তারল্য সংকট বিবেচনায় তা সম্পূর্ণ মওকুফ করার দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সাবকন্ট্রাক্ট মূল্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ দ্বৈত উৎসে কর প্রত্যাহার এবং ভ্যাট অব্যাহতি প্রক্রিয়া আরো সহজ করা। পোশাক খাতের জন্য নির্ধারিত ১২ শতাংশ এবং গ্রিন ফ্যাক্টরির জন্য ১০ শতাংশ করপোরেট করহার যেন অন্য কোনো আয়ের কারণে বৃদ্ধি না পায়, তা নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক রপ্তনির সম্ভাবনা বিবেচনায় পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার (পিএসএফ), পিভিসি রেজিন ও পিইটি রেজিনের ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা।