• ই-পেপার

সোনারগাঁয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

যশোরে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল রাজমিস্ত্রির

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল রাজমিস্ত্রির
ছবি: কালের কণ্ঠ

যশোরের অভয়নগরে বিদ্যুৎস্পর্শে জুয়েল মোল্যা (৩৫) নামের এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত জুয়েল মোল্যা উপজেলার সিরাজকাটি গ্রামের বদিয়ার মোল্যার ছেলে। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

মৃত জুয়েল মোল্যার সহকর্মী জয়নাল হোসেন জানান, নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের প্রধান গেটের নির্মাণ কাজ চলাকালে রাজমিস্ত্রি জুয়েল মোল্যা পল্লী বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় গেটের ওপর থেকে ছিটকে মাটিতে পড়ে যান তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মরিয়াম মুনমুন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুয়েল মোল্যা নামের এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

রাঙামাটিতে মাহিন্দ্র–অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৭

লংগদু (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি
রাঙামাটিতে মাহিন্দ্র–অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৭
সংগৃহীত ছবি

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আসলাম (২) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরো সাতজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইসলামবাদ এলাকার নাজিম টিলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাইট্টাপাড়া থেকে দীঘিনালাগামী একটি মাহিন্দ্র এবং সোনাই পাঁচ নম্বর এলাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ আটজন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লংগদুর রাবেতা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের রাঙামাটি সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত দুই বছর বয়সী শিশু আসলাম মারা যায়। আহত অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা অটোরিকশাটি একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা মাহিন্দ্রের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। তবে মাহিন্দ্রে থাকা যাত্রীরা অক্ষত ছিলেন।

লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি যানবাহন জব্দের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এখনো নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহল সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, লংগদু উপজেলায় মাহিন্দ্র, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের অনেক চালক অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অদক্ষ। নিয়মিত তদারকির অভাবে এমন দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে তারা মনে করেন। দক্ষ ও লাইসেন্সধারী চালকদের মাধ্যমে যানবাহন পরিচালনা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় লাগাতার ভারি বর্ষণে পাহাড়ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ওই শিশুর নানি আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খলিফা মুড়ার আলিম্যার ঝিরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম মো. মিনহাজ উদ্দিন (৭)। সে ওই এলাকার কলিম উল্লাহর ছেলে। 

স্থানীয়রা জানায়, গত দুই দিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুপুর ও বিকেলের ভারি বর্ষণের ফলে সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের মাটি ধসে কলিম উল্লাহর বাড়ির ওপর পড়ে। পরে স্থানীয়রা এসে মাটির নিচ থেকে ওই শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এদিকে পাহাড় ধসে শিশু মিনহাজের মৃত্যুর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে৷

স্থানীয় ইউপির সদস্য মনজুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভারি বর্ষণের ফলে বসতভিটার পেছনে পানি জমে যায়। মৃত শিশু ও তার নানি পানি নিষ্কাশনের কাজ করছিল। সে সময় হঠাৎ পাহাড়ের মাটি ধসে বসতঘরের ওপর এসে পড়ে। এতে বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে শিশুটি মারা যায়। এ সময় শিশুটির নানি নুরুন্নাহার বেগম (৫৫) আহত হন। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ সদস্যের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিনিধি
সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ সদস্যের
ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের নূরুল আমিন (৬৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (৫০) এবং ছেলে ফরহাদ শাহ (৩০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নূরুল আমিন ও তার ছেলে ফরহাদ গ্রামে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। সোমবার দোকান সংস্কারের কাজ চলাকালে দোকানে নেওয়ার জন্য একটি টিন বহন করার সময় সেটি পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের তারে স্পর্শ করলে বাবা-ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের চিৎকার শুনে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন নূরুল আমিনের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার। এসময় তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ফতেপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে স্বজনরা ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের লাইনও এ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।’

সোনারগাঁয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ | কালের কণ্ঠ