<p>দোকান কর্মচারী এম তরিকুল ইসলাম (২৬) পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন তার চেয়ে বয়সে বড় আসমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীর সঙ্গে। এর পর ওই নারী তাকে বিয়ে করার কথা জানান। কিন্তু তরিকুল রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গত এপ্রিল মাসে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ওই নারী। মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তরিকুলের জায়গা মেলে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। অবশেষে আদালতের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। </p> <p>মঙ্গলবার (১২ মে) কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাতুল ফরহাদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রাবাড়ী থানার মামলার বন্দি এম তরিকুল ইসলাম বর্তমানে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। এ মামলার ভুক্তভোগী আসমা বেগমের (৩৫) সঙ্গে বিয়ের জন্য কৌঁসুলির আবেদনের পর সংশ্লিষ্ট বিচারক আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশের পর সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতে কারাগারে কাজী ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়। পরে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p> <p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পটুয়াখালীর ছেলে তরিকুল যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি দোকানে কাজ করেন। একই এলাকায় বসবাস করেন আসমা বেগম। একপর্যায়ে তাদের পরিচয়ের পর তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। দুজনই বিবাহিত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তরিকুল ও আসমার মধ্যে ঝামেলা তৈরি হওয়ায় আসমা থানায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন তরিকুল। আজ তাদের বিয়ে হওয়ার পর তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিটেছে। বিয়ের সময় কারাগারে তরিকুলের বাবা-মা ও আসমার মা উপস্থিত ছিলেন। ৪ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। </p>