• ই-পেপার

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাকালু জয় করলেন বাবর

টেকনাফে দুই নাইট গার্ড অপহরণ, বেধড়ক মারধরের অভিযোগ

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
টেকনাফে দুই নাইট গার্ড অপহরণ, বেধড়ক মারধরের অভিযোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় দুই নাইট গার্ডকে অপহরণ করে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) ভোরে রঙ্গীখালী এলাকার একটি মসজিদের সামনে থেকে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। আহতরা হলেন রঙ্গীখালী এলাকার বাসিন্দা মাঈনউদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন।

ভুক্তভোগী মাঈনউদ্দিন জানান, তারা রঙ্গীখালী বাজারের একটি টমটম গ্যারেজে রাতের পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তির সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড তাদের নজরে আসে। বিষয়টি দেখে ফেলায় অস্ত্রের মুখে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের একটি নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে ওই দুইজনকে ভয়ভীতি দেখাতে অপহরণ ও নির্যাতন করা হয়েছে। হামলাকারীরা বিভিন্ন মামলার আসামি এবং ভুক্তভোগীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগী হিসেবে সন্দেহ করেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাঈদ চৌধুরী জানান, বুধবার দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় মাঈনউদ্দিনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও কালশিটের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শক্ত কোনো বস্তু দিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অপর ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিন বলেন, “অস্ত্রধারী কয়েকজন লোক আমাদের তুলে নিয়ে যায়। মাঈনউদ্দিনকে লোহার রড দিয়ে বেশি মারধর করা হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর।”

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “হ্নীলার রঙ্গীখালী এলাকায় দুইজনকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনা শুনেছি। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটিয়ায় ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ, ঘরেই মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
পটিয়ায় ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ, ঘরেই মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা এলাকায় স্থানীয় এক গ্যারেজ মালিকের পাঁচ বছর বয়সী শিশু সন্তান নিখোঁজের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের ঘরের বিছানায় পাওয়া যায় তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির একটি হাতের লেখা চিঠি। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দার খীল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিখোঁজ শিশুর নাম মো. জায়হান (৫)। সে স্থানীয় গ্যারেজ ব্যবসায়ী শাহজাহানের একমাত্র সন্তান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলছিল জায়হান। দুপুর ১২টার পর তাকে আর দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাড়ির সামনে পুকুরেও তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু কোথাও শিশুটির সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে পরিবার পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এদিকে একমাত্র সন্তান নিখোঁজ হওয়ার খবরে ভেঙে পড়েন বাবা-মা। প্রতিবেশীরা তাদের সান্ত্বনা দিতে বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন।

পরিবারের দাবি, বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে এই ভিড়ের সুযোগে অজ্ঞাত পরিচয়ের কেউ ঘরের সামনের কক্ষে একটি হাতের লেখা চিঠি রেখে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিছানার ওপর চিঠিটি দেখতে পান। চিঠিতে শিশুর বাবা শাহজাহানকে সম্বোধন করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং পুলিশকে বিষয়টি না জানানোর হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

চিঠির একটি অংশে লেখা ছিল, ‘তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে, ছেলেকে পেতে চাইলে যেটা বলছি সেটা শুন। যদি কোনো চালাকি করার চেষ্টা করস তাহলে ছেলেকে আর খুঁজলেও পাবি না, পুলিশের কাছে না গেলে ভালো হয়। যদি যাস ছেলের লাশ পাবি। বাইরের মানুষ না জানার মতো, তোর পরিবারের ওপর নজর আছে সবসময়। আধা ঘণ্টার ভেতর ৩ লাখ টাকা আর তোর ফ্যামিলির যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটা ব্যাগে করে তোর বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে ভাঙা দোকানের ভেতর রেখে দিবি। রাখার পর তুই সহ তোর ফ্যামিলির সবাই বাসার ভেতর ঢুকে যাবি। ঢুকে গিয়ে দরজা-জানালা সব বন্ধ করে দিবি।’

চিরকুটে আরো লেখা আছে, ‘যদি কোনো চালাকি করস তাহলে আমার কোনো ক্ষতি হবে না। তোর ছেলেকে জীবনে খুঁজে পাবি না। মোবাইলটা তোর ছেলেকে তোকে দেখানোর জন্য... আর মানুষের গায়ে হাত তোলা বন্ধ করে দিবি।’

এ ছাড়া চিঠির শেষ অংশে রহস্যজনকভাবে লেখা হয়, ‘মানুষের গায়ে হাত তোলা বন্ধ করে দিবি।’

নিখোঁজ শিশুর বাবা শাহজাহান জানান, আমার একমাত্র ছেলেকে কারা নিয়ে গেছে জানি না। আমি শুধু আমার সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পেতে চাই। চিঠিতে যেভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাতে আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, মুক্তিপণের চিঠিটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, মুক্তিপণ দাবি এবং চিঠির ভাষা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও প্রযুক্তিগত তদন্তও অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। গতকাল রাত থেকে এখনো পর্যন্ত থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

খুলনায় দুই বাস ও তেলবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে আহত ৮

বিএল কলেজের কয়েক শিক্ষার্থী হাসপাতালে

খুলনা অফিস
খুলনায় দুই বাস ও তেলবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে আহত ৮
ছবি: কালের কণ্ঠ

খুলনার ফুলতলা উপজেলার যুগ্নিপাশা বাজার এলাকায় খুলনা-যশোর মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাস ও একটি তেলবাহী ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুলতলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে কুষ্টিয়াগামী রূপসা পরিবহনের একটি বাস, নওয়াপাড়া থেকে খুলনাগামী একটি তেলবাহী ট্রাক এবং বিএল কলেজগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকের চালক ও হেলপারসহ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নওয়াপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। খুমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,

আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিএম কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইভা, সমাজকর্ম বিভাগের তামান্না জান্নাত, অর্থনীতি বিভাগের সাবরিনা, গণিত বিভাগের রন্তা রায়, মাইমুনা, বাংলা বিভাগের নাজমুন নাহার, যশোর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আজিজুর রহমান এবং বাসের হেলপার সাইফুল। তাদের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম তৌহিদ জানান, দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হলেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে স্বাভাবিক করে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সকালে যশোর থেকে খুলনাগামী একটি জ্বালানি তেলবাহী ট্রাক চলাচলের সময় হঠাৎ এর একটি চাকা ফেটে যায়। এতে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা যশোরগামী রূপসা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পরপরই তেলবাহী ট্রাকটির পেছনে থাকা খুলনা সরকারি বিএল কলেজের যাত্রীবাহী একটি বাস সামনে থাকা ট্রাকটিকে এড়িয়ে যেতে না পেরে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মুহূর্তেই তিনটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বাস দুটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ময়মনসিংহ বিভাগ

প্রণোদনার পরও আউশে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়

কামরান পারভেজ, ময়মনসিংহ
প্রণোদনার পরও আউশে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়
ফাইল ছবি।

বোরো ধান ঘরে তোলার পরপরই শুরু হয় আউশ আবাদের মৌসুম। বোরোর চেয়ে আউশে ফলন কম বলে বিগত সময়ে এ আবাদের প্রতি মনোযোগ ছিল না কৃষকের। এ কারণে সরকার আউশ চাষে প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ দিয়ে থাকে। 

তবে প্রণোদনার পরও ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় আউশ আবাদে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ বিভাগে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৮৮ হেক্টর জমি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ১৭ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমি। যদিও এখনো চলছে আউশের চারা রোপণ, তবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আউশ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে সরকার প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ দিয়ে থাকে। প্রত্যেক কৃষককে এক বিঘা জমি চাষের জন্য দেওয়া হয় এ প্রণোদনা। বিভাগের চার জেলায় এ প্রণোদনার আওতায় রয়েছেন  মোট ২৯ হাজার ৬০০ জন কৃষক। সারা দেশে আউশে মোট সরকারি প্রণোদনা ৭৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

কৃষকরা বলছেন, আউশের ফলন কম হওয়ায় তাদের আগ্রহ কম থাকে। আউশের চারা পরিণত হওয়ার অনেক সময় ভেঙে যায়। আউশ ধান কাটার সময় দেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এতে পরিণত ধান কাটতে কয়েকদিন দেরি হলে ধানে চারা গজিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এ কারণে ময়মনসিংহ অঞ্চলে আউশের আবাদ কম হয়।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কড়মরিয়া গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ শেখ সাদী কালের কণ্ঠকে জানান, তিনি সরকারি প্রণোদনায় এর আগে দুইবার আউশ চাষ করেছেন। তবে এবার করেননি। বোরো ধানে যেখানে প্রতি কাঠায় (১০ শতাংশ) আট থেকে ১০ মণ ধান পাওয়া যায়, আউশে পাওয়া যায় সর্বোচ্চ তিন মণ। এ  কারণে আউশ চাষে খরচ খুব কম হলেও কৃষক আগ্রহী হয় না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে আরো জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগে বোরো আবাদেও পূরণ হয়নি চাষ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা। 

সূত্র জানায়, এ বছর ময়মনসিংহ বিভাগে বোরো আবাদ করা হয়েছিল ছয়  লাখ ৬৭ হাজার ৬৫৩ হেক্টর জমি। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৯ হাজার ৮১২ হেক্টর জমির আবাদ। এতে  লক্ষ্যমাত্রর চেয়ে ফলনও কম হয়েছে। তিন লাখ ৯২ হাজার ৩১০ মেট্রিক টন চালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল। উৎপাদন হয়েছে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৪০৪ মেট্রিক টন।

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আউশ চাষ হয়েছে ময়মনসিংহ জেলায়। এ জেলায় মোট লক্ষ্যমাত্রা ১৭ হাজার ৭৭৫ হেক্টর। গতকাল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত মোট আবাদ ১২ হাজার ১৪৫ হেক্টর, যা লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ দশমিক ৩ শতাংশ। 

সবচেয়ে কম লক্ষ্যমাত্রা নেত্রকোনা জেলায়। এ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা এক হাজার ৮৬০ হেক্টর। হাওরবিষ্টিত হওয়ায় জেলায় বর্ষাকালে কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে আউশের আবাদ কম হয়। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিভাগে আউশের আবাদ হয়েছে ৭০ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে এখনো চারা রোপণ চলছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক সালমা আক্তার বলেন, বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষক এখনো চারা রোপণ করতে পারেনি। তবে এখনো চারা রোপণ চলছে। আশা করা যায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাকালু জয় করলেন বাবর | কালের কণ্ঠ