<p style="text-align: justify;">কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্ব কান্দা এলাকায় নিখোঁজের সাতদিন পর মোজাহিদ নামে সাত মাসের এক শিশুর মরদেহ এক ডোবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১টায় কিশোরগঞ্জের মর্গে শিশুর মরদেহ প্রেরণ করা হয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নিহত শিশুটির মরদেহ ডোবায় ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করলে শিশুটির মা তার ছেলের মরদেহ বলে শনাক্ত করে।</p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1675454"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="মাধ্যমিকের শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/04/23/1776930660-a992f07d19721dbf74df68c1ed4e7c56.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">মাধ্যমিকের শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/04/23/1675454" target="_blank"> </a></div> </div> <p style="text-align: justify;">এলাকাবাসীর অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে এক মাত্র শিশু সন্তান মোজাহিদকে তার পিতা মেরাজ মিয়া (৩০) হত্যা করে লাস ডোবায় ফেলে দেয়।</p> <p style="text-align: justify;">এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় শিশু মোজাহিদের বাবা মেরাজ মিয়া (৩০) একজন মাদাকাসক্ত চিহ্নিত ব্যক্তি। তিনি পেশায় একজন জুতা তৈরির কারিগর। তার বাড়ি মানিকদী পূর্ব কান্দায়। ভিটেবাড়ি বিক্রি করে তার ভাইয়ের ঘরে আশ্রয় হিসেবে বসবাস করতেন। তিনি একই গ্রামের পূরান গাঁও এলাকার আক্তার মিয়ার মেয়ে তাসলিমাকে বিয়ে করেছিলেন। গত ৭ মাস আগে তাদের কোলজুড়ে এক ছেলে সন্তান ভূমিষ্ট হয়। এরপর থেকে পিতা মেরাজ মিয়া ও তার স্ত্রী তাসলিমার মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক ঝগরা-বিবাদ লেগে থাকত।</p> <p style="text-align: justify;">কিছুদিন আগে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তাসলিমা শিশু মোজাহিদকে নিয়ে তার বাবার বাড়ি চলে যান। পরে গত শুক্রবার দিন মোজাহিদ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তার দাদি রাবেয়া বেগম নাতিকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। ওইদিন থেকেই মোজাহিদ নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজে না পেয়ে মা তাসলিমা একটি সাধারণ ডাইরি করেন। ঘটনার পর থেকে বাবা মেরাজ মিয়া পলাতক ছিলেন।</p> <p style="text-align: justify;">মানিকদী পূর্ব কান্দা গ্রামের জজ মিয়া জানান, মেরাজ একজন মাদকাসক্ত ব্যাক্তি। তিনি পেশায় একজন জুতা তৈরির কারিগর হলেও সারা দিন মাদক নিয়ে ডুবে থাকতেন।</p> <p style="text-align: justify;">শিশুটির মা তাসলিমা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার শিশু হত্যার ঘাতক আমার স্বামী। আমি রাষ্ট্রের কাছে সন্তান হত্যার বিচার চাই।’</p> <p style="text-align: justify;">ভৈরব থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে ডোবায় মরদেহ দেখতে পায় ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তদন্ত করে কেন কি কারণে হত্যা করা হল আমরা যাচাই-বাচাই করছি। অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>