• ই-পেপার

ফরিদপুর

সংঘর্ষে না জড়ানোর শপথ ৪ গ্রামের মাতব্বরদের

  • জমা দেওয়া দেশীয় অস্ত্র পোড়ালেন এমপি শহিদুল

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ, তৃতীয় দিনের মতো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ, তৃতীয় দিনের মতো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

মানিকগঞ্জে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে তৃতীয় দিনের মতো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ঘিওর উপজেলার পূর্বপাড়া এলাকায় কালীগঙ্গা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবারের মধ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল ও লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য।

মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

এ সময় তিনি বলেন, মানিকগঞ্জ-১ আসনের শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা পদ্মা, যমুনা ও কালীগঙ্গা নদীবেষ্টিত হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে শত শত পরিবার নদীভাঙনের শিকার হয়। অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের মাধ্যমে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের নজরে আনা হলে প্রতিষ্ঠানটি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

তিনি জানান, এর আগে শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ঘাটসংলগ্ন পদ্মা নদী এবং তেওতা এলাকার যমুনা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝেও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে ২৫ কেজি চাল, দুই লিটার তেল, ডাল, লবণসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্য সহায়তা পাওয়া কয়েকজন নারী ও পুরুষ জানান, এই সহায়তা তাদের সংকটময় সময়ে বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। তারা সহায়তাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের কল্যাণ কামনা করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ঘিওর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মীর মানিকুজ্জামান মানিক, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিব ইকবাল রনি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, ঘিওর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফ সানোয়ারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, পর্যায়ক্রমে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত আরও সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে এ সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

চট্টগ্রামে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় স্কুটিতে থাকা এক দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে মুরাদপুর কনভেনশন হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের তালুকদার বাড়ির বাসিন্দা মো. নাজিম উদ্দিন (৪৮) ও তাঁর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (৪০)। তারা নগরের চকবাজার ডিসি সড়ক এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নাজিম উদ্দিন স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান তাদের স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী পরিদর্শক সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

পীরগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় অটোরিকশাচালকসহ নিহত ২

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
পীরগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় অটোরিকশাচালকসহ নিহত ২
প্রতীকী ছবি

রংপুরের পীরগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক ও যাত্রী নিহত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে চৈত্রকোল ইউনিয়নের সিলিমপুর মোড়ে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নেপেন কুজুর (৫০) মিঠাপুকুর উপজেলার ধলার বাজার এলাকার শিলাশ কুজুরের ছেলে, ফিলকস কুজুর ফিলকস কুজুর (৬০) পীরগঞ্জ উপজেলার খালিশা গ্রামের নুহাশ কুজুর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-ন ১৯-১৪০৮ নম্বরের একটি মুরগিবাহী পিকআপ ঝাড়আমবাড়ী গোপালপুর সড়কে সিলিমপুর মোড় এলাকায় পৌঁছালে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চালক নেপেন কুজুর ঘটনাস্থলেই নিহত ও অটোরিকশাযাত্রী ফিলকস কুজুর গুরুতর আহত হয়। পরে ফিলকস কুজুরকে মুমূর্ষ অবস্থায় পুলিশের পিকআপ ভ্যানে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভেন্ডাবাড়ী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খায়রুল ইসলাম জানায়, নিহতদের মরদেহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং পিকআপ ও অটোভ্যান জব্দ করা হয়েছে।

দা-কুড়াল দিয়ে হামলার পর ৭ লাখ টাকা লুট, মূল আসামি গ্রেপ্তার

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
দা-কুড়াল দিয়ে হামলার পর ৭ লাখ টাকা লুট, মূল আসামি গ্রেপ্তার
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় দা ও কুড়াল দিয়ে হামলা চালিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনায় মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ শাহিন আলম (২৩) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার (২৪ জুন) ভোরে চকরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পটিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের শাহগদী মার্কেটসংলগ্ন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা রনি দাশ (৩০) ও তানভীর হোসেনের (২২) পথরোধ করে চার সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল।

পরে দুর্বৃত্তরা ধারালো দা ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তাদের আহত করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে তাদের কাছ থেকে একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, একটি সনি এ-সেভেন থ্রি ক্যামেরা, ১৬-৩৫ মিমি ও ৫০ মিমি লেন্স, একটি আরএস-৪ গিম্বল এবং একটি শাওমি ১১আই মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা।

ঘটনার পর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে পুলিশ। এসআই সমীর ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নম্বরবিহীন কালো রঙের একটি পালসার-১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে মূল আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এ ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি ছিনতাই মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষে না জড়ানোর শপথ ৪ গ্রামের মাতব্বরদের | কালের কণ্ঠ