পটুয়াখালীতে জমকালো প্রচারণার মধ্য দিয়ে ১০ দিনব্যাপী বিসিক উদ্যোক্তা মেলা ও ক্রেতা-বিক্রেতা সম্মেলন শুরু হয়েছে। তবে মেলার শুরুতেই নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উপেক্ষার অভিযোগ উঠেছে। এতে ৩০টি স্টলের মধ্যে ১৭টিই ফাঁকা পড়ে রয়েছে।
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত না করে অন্য জেলা থেকে উদ্যোক্তা নিয়ে এসে মেলায় অংশ নেওয়ায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মেলার জন্য নির্ধারিত ৩০টি স্টলের মধ্যে মাত্র ১৩টি স্টলে স্থানীয় উদ্যোক্তারা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বাকি ১৭টি স্টল পুরোপুরি শূন্য।
স্থানীয় ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন বলেন বলেন, মেলার মূল উদ্দেশ্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা হলেও এবার তাদের মূল্যায়নই করা হয়নি। স্থানীয় প্রকৃত উদ্যোক্তাদের বাদ দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীদের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে মেলা প্রাঙ্গণেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, মেলায় এসে কাঙ্ক্ষিত পণ্যের অভাব এবং চরম অব্যবস্থাপনা দেখে হতাশ হয়ে ফিরছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিসিক কর্তৃপক্ষের তদারকি ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
মো. সাইদুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, মেলার প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল করতে হলে দ্রুত ফাঁকা স্টলগুলো স্থানীয় প্রকৃত উদ্যোক্তাদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। এখানে প্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রীও নেই।
তবে মেলা প্রাঙ্গণের এই শূন্যতা ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেন পটুয়াখালী বিসিকের উপ-পরিচালক। তিনি মেলা প্রাঙ্গণের বাস্তবতা অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সকল স্টল স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোনো স্টল ফাঁকা নেই।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আজ মেলার উদ্বোধন করেছি। কিন্তু উদ্যোক্তারা কোথায়? তারা আশপাশে নাই। এটি দুঃখজনক। আজ সকল স্টলের মানুষের আশা উচিত ছিল।




