• ই-পেপার

আওয়ামী লীগ নেতার মার্কেট দখলে নিলেন বিএনপি নেতা

নোয়াখালী

মামাতো বোনকে তুলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
মামাতো বোনকে তুলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাকিব উদ্দিন (২২) নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা করায় ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্তের পরিবারের বিরুদ্ধে।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন। অভিযুক্ত উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য সোনাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী কিশোরী সম্পর্কে তার আপন মামাতো বোন।

স্থানীয় সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করে আসছে। গত ২ জুন তারা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর ৫ জুন বিকেলে কিশোরী তার এক খালাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে বড় বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজবাড়িতে ফেরার পথে অভিযুক্ত সাকিব জোরপূর্বক তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা খালাতো বোন বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। এরপর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কিশোরীর সন্ধান পাননি। পরে তাকে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ঘটনার পর তিনি অভিযুক্তের পরিবার এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে হাতিয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগে গত ১২ জুন মামলা করেন।

তিনি আরো জানান, মামলার পর থেকেই অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গত ১৬ জুন অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য ও বহিরাগত কয়েকজন মিলে তাদের বাড়িতে হামলা চালান। হামলায় তিনিসহ, জ্যাঠা-জ্যাঠি ও শিশুসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। পরে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন এবং হামলার ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলা করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাকিব উদ্দিনের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় একটি এবং পরবর্তীতে হামলার ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

শিশুকে হত্যার পর পুকুরে ফেলে পালানোর চেষ্টা, আটক মা

জামালপুর প্রতিনিধি
শিশুকে হত্যার পর পুকুরে ফেলে পালানোর চেষ্টা, আটক মা
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আট মাস বয়সী ছেলে শাওনকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে মা শ্রাবন্তী আক্তারকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা।

রবিবার (২৮ জুন) ভোরে উপজেলার ভাবকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাওন ওই এলাকার হুমায়ূন আহমেদ ও শ্রাবন্তী আক্তার দম্পতির ছেলে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত মা শ্রাবন্তী আক্তারকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, 'প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে জামলপুর পৌরসভার কম্পপুর এলাকার মমতাজ আলীর মেয়ে শ্রাবন্তী আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। রবিবার ভোররাত ৩টার দিকে স্বামী ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শ্রাবন্তী শাওনকে নিয়ে ঘর থেকে বের হন। পরে তাকে গলা টিপে হত্যা করে বাড়ির পাশে পুকুরে মরদেহ ফেলে এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। 

পরে তিনি হেঁটে ভাবকি বাজারে পৌঁছলে নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে বাড়িতে ফিরে যেতে বলা হলেও তিনি সেখানে না গিয়ে এক অটোরিকশাচালকের বাড়িতে গিয়ে অটোরিকশা ভাড়া করার চেষ্টা করেন। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে আটক করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এদিকে বাড়ির পাশে পুকুরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে স্থানীয়রা শ্রাবন্তীকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

নিহত শিশুর ফুফু সুমাইয়া বলেন, ‘আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোরে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে শাওনকে গলা টিপে হত্যা করে পুকুরে ফেলে পালিয়ে যান। পরে এলাকার লোকজন তাঁকে ধরে নিয়ে আসে। এ সময় এক শিশু পুকুরে শাওনের মরদেহ দেখে চিৎকার করলে আমরা সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি।’

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে অভিযুক্ত শ্রাবন্তী আক্তারকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি শিশুটিকে হত্যা করে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’

চকরিয়ায় গাড়ি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
চকরিয়ায় গাড়ি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী নোয়াহ গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের একজন আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুজন।

রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে আটটার দিকে মহাসড়কের চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের মোজাহেরপাড়ার রাস্তার মাথার আমিনের দোকান নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়।

নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম মো. মাহবুব আলম (২৫)। তিনি মোজাহেরপাড়ার মৃত আবুল কালামের ছেলে। আহতরা হলেন নিহতের ছোট ভাই মো. সাহেদ ও মো. রাসেল। তাদের উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সড়কের বাঁকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে লাকড়ি স্তূপ করে রাখার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। এই কারণে দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে।

চকরিয়ার বানিয়ারছড়াস্থ চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. আরিফুল আমিন জানান, খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি জব্দ করাসহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এই ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রূপগঞ্জে উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি, জনতার আস্থায় এমপি দিপু

রাসেল আহমেদ, রূপগঞ্জ
রূপগঞ্জে উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি, জনতার আস্থায় এমপি দিপু
সংগৃহীত ছবি

‘বাপু রে, মাঝরাইতে যখন আমাগো গেরামে আগুন লাগলো, ভাবছিলাম সব শেষ। চোখ মুইছা দেহি এমপি সাব নিজে আমাগো পাশে খাড়ায়া। কত্তো এমপি আইলো-গেলো। এইরম মানুষ তো আগে দেহি নাই বাপ, উনি এমপি না, উনি আমাগো ঘরের পোলা।’ চোখের কোণে জমে থাকা জল মুছতে মুছতে কথাগুলো বলছিলেন তারাব এলাকার ষাটোর্ধ্ব সামিরুন বেগম। শুধু সামিরুন বেগমই নন, বিগত সাড়ে তিন মাসে রূপগঞ্জের আকাশে যে নতুন সম্ভাবনার সূর্য উঠেছে, তার আলো ছুঁয়ে গেছে এই জনপদের প্রতিটি সাধারণ মানুষকে। 

জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র সাড়ে চার মাসের বেশি সময় পার করেছেন রূপগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। এই স্বল্প সময়েই তিনি প্রমাণ করেছেন ইচ্ছা আর সততা থাকলে অল্প সময়েও একটি জনপদের চালচিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব। টেকসই রাস্তাঘাট নির্মাণ, ভাঙাচোরা কালভার্ট সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবকাঠামোগত খোলনলচে বদলে দিতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। 

প্রতিটি মুহূর্ত তিনি উৎসর্গ করেছেন রূপগঞ্জের মানুষের কল্যাণে। ‘নেতা নন, আমি রূপগঞ্জের মানুষের সেবক হতে এসেছি’। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে এক জনসভায় এই অঙ্গীকার করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান দিপু। বিগত সাড়ে চার মাসের প্রতিটি দিন তিনি তাঁর এই কথার সত্যতা প্রমাণ করে চলেছেন। দীর্ঘদিনের অচেনা রূপগঞ্জ এখন এক মানবিক ও আধুনিক জনপদে রূপান্তরের মহাসড়কে। সম্প্রতি সংসদে জমি জবরদখল আর গ্যাস নিয়ে উত্থাপন করায় রূপগঞ্জের লাখ লাখ মানুষের কাছে হিরো অব দ্য দিপু ভূঁইয়া হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। 

সুখে-দুঃখে জনতার বাতিঘর
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই সাড়ে চার মাসে রূপগঞ্জের মানুষ একজন ভিন্নধর্মী জনপ্রতিনিধির দেখা পেয়েছে। দিপু ভূঁইয়া শুধু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কার্যালয়ে বসে ফাইল সই করার এমপি নন; তিনি ছুটে যান সাধারণ মানুষের আঙিনায়। গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা হোক কিংবা কোনো পরিবারের আকস্মিক বিপর্যয়ের খবর পাওয়া মাত্রই তিনি ছুটে গেছেন ঘটনাস্থলে। স্থানীয়রা বলেন, অসুস্থ ও অভাবী মানুষের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়াকে তিনি রুটিন ওয়ার্কে পরিণত করেছেন। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সাধারণ মানুষ যাতে সরাসরি তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন, সে জন্য তিনি নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করেছেন। মাঝিনা এলাকার আজিজ মিয়া বলেন, স্যারের বাড়িতে গেছিলাম। উনি নিজে আমার সমস্যার সমাধান কইরা দিছে। চা-পানি খাওয়াইছে। এমন সোনার মানুষ আমাগো রূপগঞ্জে আর আয়ে নাইগা। 

সমতা-শৃঙ্খলার নতুন রূপগঞ্জ 
উন্নয়নের পাশাপাশি রূপগঞ্জে শান্তি ও শৃঙ্খলার এক নতুন পরিবেশ তৈরি করেছেন এই সংসদ সদস্য। দল-মত-নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ যেন বুক ফুলিয়ে বাঁচতে পারে, কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা অন্যায়ের শিকার না হয়, সে ব্যাপারে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্সনীতি অবলম্বন করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দিপু ভূঁইয়া স্পষ্ট ঘোষণা দেন, রূপগঞ্জের মাটিতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি জবরদখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঠাঁই হবে না। সাধারণ মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে, ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করবে—এটাই আমার রূপগঞ্জ। ফলে শিল্পাঞ্চল রূপগঞ্জে এখন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির বাতাস বইছে। বরাব এলাকার ব্যবসায়ী সোবহান মিয়া বলেন, গত ১৬ বছর আমরা অশান্তিতে ছিলাম। দিন গুণে চাঁদা দিতে হতো। দিপু ভূঁইয়া আসার পর থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করি এমন এমপি যেন সারা দেশে গড়ে ওঠে। উনি  সারা দেশের মডেল এমপি।
 
যোগাযোগে দৃশ্যমান বিপ্লব

সরেজমিনে রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত সাড়ে চার মাসে এমপি দিপুর সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে। রূপগঞ্জের অবহেলিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার এবং নতুন সড়ক নির্মাণে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। গ্রামীণ সড়কগুলোর বড় অংশ চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে, যা স্থানীয় মানুষ ও ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনে গতি এনেছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টগুলো দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি উন্নয়নকাজে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি মাঠে নেমে কাজের মান তদারকি করছেন, যা রূপগঞ্জের ইতিহাসের এক বিরল দৃষ্টান্ত। স্থানীয়রা বলেন, উনি নিজে মাঠে নেমে কাজের পরিদর্শন করেন, যেন কোনো অনিয়ম না হয়। 

নগরপাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, আমাগো বালু গাঙের ওপর সেতুটা আগের কোনো এমপি করার চিন্তা করে নাই। উনি আইসা ঘোষণা দিয়েছেন এক বছরের মধ্যে সেতু কইরা দিব। আমরা এমন এমপিই চাই। শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন, তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ নজর দিয়েছেন তিনি। রূপগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার নতুন ভবন নির্মাণ এবং ল্যাবরেটরি স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর সংস্কারে তিনি ব্যাপক অনুদান ও সহযোগিতা প্রদান করেছেন। 

গাড়ে তিন মাসের এই সংক্ষিপ্ত সময় একটি উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত সামান্য। কিন্তু দিপু ভূঁইয়া তার কাজের গতি, সততা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি মমত্ববোধ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তিনি রূপগঞ্জকে একটি মডেল ও আধুনিক উপজেলায় রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর। রূপগঞ্জের আপামর জনতার একটাই বিশ্বাস—এই বলিষ্ঠ নেতত্বের হাত ধরেই আগামী দিনে রূপগঞ্জ দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, রূপগঞ্জ আমার হৃৎপিণ্ড। আর রূপগঞ্জের মানুষগুলো আমার কলিজা। আমি মৃত্যুকে ভয় করি না। রূপগঞ্জবাসীর সুখে-দুঃখে আমি সার্বক্ষণিক পাশে থাকব।