• ই-পেপার

রাস্তা খুঁড়ে ঠিকাদার উধাও

পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত ছাগলকে নিয়ে থানায় মালিক, অতঃপর...

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত ছাগলকে নিয়ে থানায় মালিক, অতঃপর...

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সুপারি বাগানে ঢোকার অপরাধে তিনটি ছাগল পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর কাছে বিচার না পেয়ে মৃত ছাগল নিয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন মালিক।

শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ছাগল মালিক মো. ছাইদুল ইসলাম (৪৫)। এর আগে বিকেলে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেনকিফান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে আনুমানিক ৩৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মেনকিফান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. ছাইদুল ইসলামের ৮টি ছোট-বড় ছাগল বাড়ির উত্তর পাশে মিয়া হোসেনের সুপারি বাগানের পাশে ঘাস খেতে যায়। ওই সময় বাগানের ভেতরে কাজ করছিলেন একই গ্রামের মো. এমদাদুল হক (৩৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো. আব্দুল কাদির (৬০), মো. মোবারক হোসেন (৩৫) ও মো. নিজাম উদ্দিন (৩২)। এক পর্যায়ে বিকেলে দিকে কাজ শেষে অভিযুক্তরা ছাগল মালিক ছাইদুল ইসলামের বসতবাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায় আগামীকাল যদি তোমাদের ছাগল এই সুপারি বাগানে যায়, তাহলে ছাগলগুলো আর থাকবে না। এই হুমকি শোনার কিছুক্ষণ পর ছাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আজুফা খাতুন ছাগলগুলো বাড়িতে আনার জন্য সুপারি বাগানে খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান দুটি পাটি ছাগল এবং একটি তিন মাসের গর্ভবতী ছাগল রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে।

ছাগল মালিক আজুফা খাতুন জানান, ছাগলগুলোর অপরাধ তাদের বাগানে ঢুকেছিল। গ্রামবাসীর কাছেও বিচার না পেয়ে মৃত ছাগলগুলো নিয়ে থানায় আসি এবং অভিযোগ করি।

ভুক্তভোগীর স্বজন রমজান আলী জানান, বোনজামাই অটো চালিয়ে এবং বোন ছাগল-মুরগি পালন করে খুব কষ্টে জীবন চালাচ্ছেন। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় থানায় এসেছি আমরা।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের আহমেদ জানান, ঘটনাটি অমানবিক। আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি মামলা নেওয়া হয়েছে। সে যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চতে কাজ করছে সরকার : জোনায়েদ সাকি

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চতে কাজ করছে সরকার : জোনায়েদ সাকি
সংগৃহীত ছবি

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চত করার জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, সারা দেশে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা হাসপাতালটি প্রথম পর্যায়ের ১০টির মধ্যে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চত করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এখন থেকে বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে সিজার অপারেশন চালু হবে। 

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় হাসপাতাল পরিদর্শনকালে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, হাসপাতালটিতে দুজন চিকিৎসক যোগদান করায় কিছুটা হলেও সংকট কাটবে। গর্ভবতীরা চিকিৎসা সেবা পাবে।  খুব শীঘ্রই আরো চিকিৎসক ও অন্যান্য ষ্টাফ আনার প্রক্রিয়া  চলছে।  ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে জনগণকে দেওয়া ওয়াদা রাখার চেষ্টা করেছি। এখন থেকে দরিদ্র রোগীদের  অপারেশন করাতে আর ঢাকায় যেতে হবে না, খরচও তাদের লাগবে না।

মেঘনা নদীতে সেতু নির্মাণ হলে বাঞ্ছারামপুর ঢাকার কাছে চলে আসবে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঞ্ছারামপুরে সৃষ্টি হবে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র। বিশেষ করে যেসব অনাবাদি জমি আছে, সেগুলোতে মিল–কারখানা স্থাপিত হবে। ইতোমধ্যে বাঞ্ছারামপুর -নবীনগর পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্তের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ চলছে। পৌরসভার ঢোলভাঙ্গা নদীর প্রাণ ফিরে পেতে খুব শীঘ্রই নদীর তীর ঘেঁষে ওয়াকওয়ে (হাটার রাস্তা) নির্মাণ করা হবে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার প্রশাসক  রবিউল হাসান ভূইয়া, ওসি তদন্ত আবু সাইদ, হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ,সংবাদকর্মী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা,ভিপি মজিব,সালাউদ্দিন আহমেদ বাসু, গণসংহতি আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক শামীম শিবলী, মাহবুবুল হক কাইয়ুমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঞ্ছারামপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার (টিএইচও) ডাক্তার রঞ্জন বর্মন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ডা.মো.হাবিবুর রহমান (এ্যানেসথেসিয়া) এবং ডা. সুষ্মিতা সাহা (গাইনী এন্ড অবস্) যোগদান করেছেন। এখন থেকে সরকারি এই হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানো সম্ভব। 

প্রশ্ন করতেই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হলেন সাদুল্লাপুরের এসিল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রশ্ন করতেই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হলেন সাদুল্লাপুরের এসিল্যান্ড

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে অর্পিত সম্পত্তি (সরকারি জমি) ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উত্তোলনের বিষয়ে তথ্য জানতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড জসিম উদ্দিন। প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে সাদুল্লাপুরের ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এসিল্যান্ড জসিম উদ্দিন তাদের দেখামাত্রই মোবাইল জমা রাখার নির্দেশ দেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিকরা ধাপেরহাট এলাকার সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য ও বক্তব্য নিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিনের কার্যালয়ে যান। সেখানে গেলে কর্মকর্তা প্রথমে তাদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা টেবিলে রাখতে বলেন। পরে বুম ও ক্যামেরা দেখে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের হাতে থাকা বুম ও ক্যামেরা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন, আঙুল উঁচিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তাদের কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে নির্দেশ দেন। পরে দ্রুত সরকারি গাড়িতে উঠে তিনি স্থান ত্যাগ করেন। সাংবাদিকরা পুনরায় বক্তব্য চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করেই চলে যান।

অভিযোগ রয়েছে, ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া মৌজায় রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১/১ খতিয়ান ও ২৩৭ নম্বর বিআরএস খতিয়ানের প্রায় সাড়ে ৬ শতক অর্পিত সম্পত্তিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন দেখিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা ও উপজেলা ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জের রামনাথপুর এলাকার জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিপূরণের প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩২ টাকা উত্তোলন করে ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে একই জমির মালিকানা দাবি করে স্থানীয় আসাদুল্লাহ ফারুকী নামের এক ব্যক্তি আপত্তি জানান।

এর আগে ২০২২ সালে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ইউনিয়ন ভূমি তহসিলদারের প্রতিবেদনে ওই সম্পত্তিতে সরকারি স্বার্থ নেই বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু ২০২৫ সালে দায়িত্বপ্রাপ্ত তহসিলদার আতিয়ার রহমানের প্রতিবেদনে জমিটি অর্পিত ‘ক’ তফসিলভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয় এবং সীমানা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবেদনের কারণে কোনটি সঠিক—এ বিষয়ে তথ্য জানতে সাংবাদিকরা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিনের কার্যালয়ে গেলে তিনি প্রথমে মোবাইল ও ক্যামেরা টেবিলে রাখতে বলেন। পরে প্রশ্নের মুখে বুম ও ক্যামেরা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

একপর্যায়ে তিনি মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা ধাক্কিয়ে সরিয়ে দেন এবং সাংবাদিকদের কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে নির্দেশ দেন। পরে দ্রুত সরকারি গাড়িতে উঠে তিনি স্থান ত্যাগ করেন। সাংবাদিকরা পুনরায় বক্তব্য চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করেই চলে যান।

হেনস্তার শিকার সাংবাদিকরা বলেন, ঘটনাটি তাৎক্ষণিক জানাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি ঘটনার বিস্তারিত শুনতে সাংবাদিকদের তার কার্যালয়ে চার আমন্ত্রণ জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করার পরামর্শ দিয়ে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

কন্যাশিশুকে ধর্ষণের মামলার পর বাড়ি ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
কন্যাশিশুকে ধর্ষণের মামলার পর বাড়ি ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার

কিশোরগঞ্জে এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলার পর আসামিপক্ষের হুমকিতে সন্তানসহ বাড়িছাড়া হয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। 

নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটানো পরিবারটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কিশোরগঞ্জ শহরের আখড়াবাজার এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী শিশুর মা এসব অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে ওই নারী বলেন, তাদের বাড়ি সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের ভাবুন্দিয়া গ্রামে। মেয়েটির বাবা একজন মাটিকাটা শ্রমিক। মা মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। তাদের দুই মেয়ে। সাড়ে সাত বছরের বড় মেয়ে স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। পাঁচ বছরের ছোট মেয়ে একই স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। 

তিনি বলেন, গত ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় বড় মেয়েকে প্রতিবেশি সৌদি প্রবাসী লিটন মিয়ার ছেলে (১৫) চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে মুখ চেপে তুলে নিয়ে যায়। এরপর আসামি তার বাড়ির পেছনে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়িতে এসে মায়ের কাছে ঘটনার বিবরণ দিলে পরদিন মা বাদী হয়ে ওই কিশোরকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সদর থানায় মামলা করেন। এদিনই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর আদশে দেন। অভিযুক্ত বর্তমানে গাজীপুর কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলা করার পর থেকেই অভিযুক্তের বাবা সৌদি থেকে ফোন করে বাদী পক্ষকে কেটে টুকরো টুকরো করে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। আসামির চাচা বাদল মিয়া, আল আমিন, আরজু মিয়া, বাবুল মিয়া, চাচাত ভাই উজ্জ্বল ও রায়হানসহ স্বজনরা বাড়িতে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। প্রাণ ভয়ে মেয়েদের নিয়ে মা এখন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার কানিকাটা এলাকায় বোনের মেয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন। এখন দুই মেয়ের মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে আছে। মেয়েদের বাবা কেবল ঝুঁকি নিয়ে বাড়িতে থাকেন। শিশুটির মা পুলিশ বিভাগ ও প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা দাবি করেছেন। ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেছেন।

রাস্তা খুঁড়ে ঠিকাদার উধাও | কালের কণ্ঠ