kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

উপজেলার মূল সড়কটি এখন মরণফাঁদ

দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি    

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপজেলার মূল সড়কটি এখন মরণফাঁদ

ছোট-বড় গর্ত, উঁচু-নিচু পথ। এরই মধ্যে চলছে যানবাহন। অটো-বাইক উল্টে অনেকে আহতও হয়েছেন । জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সর্দারপাড়া থেকে বাহাদুরাবাদ ঝালোরচর পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের এই বেহাল ছয় মাস ধরে।

বিজ্ঞাপন

উপজেলার প্রধান সড়ক এটি, যেই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। পার্শ্ববর্তী উপজেলার রাজিবপুর, রৌমারী ও কুড়িগ্রাম থেকে মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে উপজেলা এবং জেলার যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি ।

গত বছর বন্যার পর যখন এই সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়, এই সড়কে যখন হাঁটু সমান পানি জমে বড় বড় গর্ত হয়েছিল, এ নিয়ে কালের কণ্ঠে তখন সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর তখনকার ইউএনও আব্দুল্লাহ বিন রশিদ দুই লাখ টাকার ইটের খোয়া দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এরপর বৃষ্টির পানি জমে বড় বড় যানবাহন চলাচলে খোয়া সরে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। রাতের অন্ধকারে যানবাহনে চলাচল করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। নতুন কোনো যাত্রী এই পথে বাইক নিয়ে এলে দুর্ঘটনার শিকার হয়। কোনো রোগী নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব হয় না। ২০ মিনিটের রাস্তা অটোতে লাগে ঘণ্টাখানেক।

স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার কাজ যখন শুরু হয় হবে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি অন্তত কিছু লেবার দিয়ে একটা রোলার পাঠিয়ে উঁচুনিচু জায়গাগুলো একটু সমান করে দিত, তবুও আমাদের প্রতিদিনের কষ্ট লাঘব হতো।  

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, জিরো পয়েন্ট থেকে ঝালোচর বাজার পর্যন্ত এই সড়কের প্রাক্কলন ব্যয় আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। প্রস্তাব গৃহীত হলে টেন্ডার হবে।  



সাতদিনের সেরা