• ই-পেপার

একটি মোটরসাইকেলের সন্ধানে মিলল ১১, সঙ্গে ৯ চোর!

নর্থভিউ হোটেল ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১

রংপুর ব্যুরো প্রধান
নর্থভিউ হোটেল ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১
সংগৃহীত ছবি

রংপুর নগরীর নর্থ ভিউ আবাসিক হোটেলের ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজসাত জাহান নিহত হওয়ার ঘটনায় একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতার হওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার শাকিন। তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নগরীর ধাপ চিকলি ভাটা এলাকার ফোরকান মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টায় মহানগর ডিবি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপ-কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী।

ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের করা মামলার ভিত্তিতে তথ্য-প্রমাণের আলোকে শাহরিয়ার শাকিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রেমের সম্পর্ক এবং মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মোবাইল ফোনের তথ্য রিসেট করার কারণে অনেক তথ্য উদ্ধার করা যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন নিহত শিক্ষার্থীর বাবা নজরুল ইসলাম।

তবে গ্রেফতার শাহরিয়ার শাকিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ওই শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন এবং একসময় তাদের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তিনি কোচিং বন্ধ করে দেন। তার দাবি, ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি নিজেই ডিবি অফিসে যান। পরে তাকে আটক করা হয় এবং মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়।

নিহত শিক্ষার্থীর বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, তার মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা থাকলেও কীভাবে সে নর্থভিউ হোটেলের ছাদে গেল, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

পুলিশ ও সিসিটিভি ফুটেজ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২২ জুন) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে নর্থ ভিউ হোটেলের  রেস্টুরেন্ট এর রুফটপ থেকে পড়ে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। ফুটেজে দেখা যায়, তিনি বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে ছাদে ওঠেন এবং দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার করেন। পরে ৫টা ৪২ মিনিটের দিকে রেলিং থেকে নিচে পড়ে যান।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদির বলেন, গ্রেফতারকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বগুড়ার সেই ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

বগুড়া অফিস
বগুড়ার সেই ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মোকামতলা উপজেলার জগন্নাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ নাগরিকরা অংশ নেন।

গণশুনানিতে ‘সীমান্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের পক্ষে বিভিন্ন পক্ষ থেকে দুটি বিকল্প নাম প্রস্তাব করা হয়। এতে ওই ইউনিয়নের নাম জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ অথবা অভিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ রাখার জন্য গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে মত দেন অনেকে। 

অন্যদিকে ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন নিয়েও পৃথক আলোচনা সৃষ্টি হয়। এ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে রহবল ইউনিয়ন ও পাকুরতলা ইউনিয়নের দাবি তোলা হয়। তবে গণশুনানিতে অংশ না নেওয়ায় রহবল এলাকার কিছু স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং রংপুর মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন। তারা পৃথকভাবে ‘রহবল ইউনিয়ন’ নামে স্বীকৃতির দাবি জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এগিয়ে আসেন। পরে তারা আশ্বাস দেন রহবল এলাকার দাবিগুলো পরবর্তীতে আলাদাভাবে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

অন্যদিকে মীরবাড়ি ইউনিয়নের শুনানি বেতগাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে সাতটি নাম প্রস্তাব করা হয়। সেগুলো হলো বেতগাড়ি, আলীয়ার হাট, রামকান্দি, মালগাড়ি, গোপীনাথপুর, হরিপুর ও গোরনা।

এই ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, গণশুনানিতে সাতটি নাম প্রস্তাব পাওয়া গেছে। আমরা এগুলো যাচাই-বাছাই করে সাতটি নামই প্রতিবেদন আকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে সেটি পাঠাবেন।

গত ১১ জুন বগুড়া জেলা প্রশাসনের এক প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ উপজেলার ৫টি এবং নতুন ঘোষিত মোকামতলা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক এলাকা পুনর্গঠন করা হয়। পরে ১৪ জুন নতুন ইউনিয়নগুলোর নামসহ গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেট প্রকাশের পরপরই নামকরণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক মহলে তুমুল সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পারিবারিক উপাধি এবং তার দুই ছেলের নামের সঙ্গে মিল রেখে তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলায় ‘মীরবাড়ী ইউনিয়ন’ এবং নবগঠিত মোকামতলা উপজেলায় তার দুই ছেলের নামে ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’ ও ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ নাম দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র বিতর্ক ও অসন্তোষ তৈরি হলে তা সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসে। পরে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইউনিয়ন তিনটির নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই তিনটি এলাকায় জনসাধারণের মতামত নিতে গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইউনিয়নগুলোর নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন। গণশুনানিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া যৌক্তিক নাম ও মতামতের ভিত্তিতে ইউনিয়নগুলোর নতুন নাম চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

নারায়ণগঞ্জে ২ ইটভাটায় জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে ২ ইটভাটায় জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
ছবি : কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে বায়ুদূষণ রোধে পরিচালিত অভিযানে দুটি অবৈধ ইটভাটাকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ভাটাগুলোর কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলার কেওঢালা এলাকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল মাহমুদ প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় খান ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারারকে ৭০ হাজার টাকা এবং মেসার্স আল্লাহ মহান ব্রিকসকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উভয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর আরো জানায়, অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া ও নির্গমন বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। এসব কার্যক্রম পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। তাই আইন অমান্য করে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এইচ এম রাশেদ বলেন, ‘বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এর অংশ হিসেবে অবৈধ ইটভাটা বা পরিবেশদূষণকারী কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।’

বিয়ে নিয়ে দ্বন্দ্বে খুন হন সেই আলোচিত ব্যবসায়ী : পুলিশ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
বিয়ে নিয়ে দ্বন্দ্বে খুন হন সেই আলোচিত ব্যবসায়ী : পুলিশ
সংগৃহীত ছবি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ব্যবসায়ী সোহেল মুন্সী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর প্রথম স্বামী মো. দ্বীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৮ জুন রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে লৌহজং উপজেলার কালুরগাঁও গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে সোহেল মুন্সীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা সেফালী বেগম বাদী হয়ে লৌহজং থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও অগ্নিসংযোগের মামলা করেন।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ ও লৌহজং থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ঘর থেকে তিন বোতল মদ, মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, সোহেল মুন্সী ভাঙারি ব্যবসার পাশাপাশি অবৈধ মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, তদন্তে জানা যায়, নিহতের স্ত্রী নুপুরের প্রথম স্বামী ছিলেন দ্বীন ইসলাম। তাদের সংসারে আব্দুর রহমান নামে তিন বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রায় দেড় বছর আগে নুপুর দ্বীন ইসলামের সঙ্গে আইনগত বিচ্ছেদ সম্পন্ন না করেই সোহেল মুন্সীকে বিয়ে করেন। পরে সোহেল ও নুপুরের সংসারেও সাফওয়ান মুন্সী নামে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সোহেলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন দ্বীন ইসলাম। ঘটনার রাতে তিনি গোপনে সোহেলের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুন দেখতে পেয়ে সোহেল ঘর থেকে বের হয়ে তা নেভানোর চেষ্টা করলে চাপাতি দিয়ে তার গলা, হাত ও পায়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সোহেল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি। এ সময় সোহেলের মা ও স্ত্রী ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। পরবর্তী তদন্ত ও গ্রেপ্তারের পর পুলিশ নিশ্চিত হয়, ওই ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম।

পুলিশ সুপার জানান, সোমবার ভোর ৬টার দিকে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের সেরাজাবাদ গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে দ্বীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি নেভি-ব্লু রঙের ফুলহাতা শার্ট, একটি ফুল প্যান্ট, এক জোড়া সাদা কেডস, একটি লাল গামছা এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

একটি মোটরসাইকেলের সন্ধানে মিলল ১১, সঙ্গে ৯ চোর! | কালের কণ্ঠ