ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সুমন শেখের (২২) মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ২০ মিনিটের মতো মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে তারা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়।
এর আগে ৩০ জুন রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সুমন শেখের মৃত্যু হয়। সুমন ভাঙ্গা পৌরসভার কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার মিলন শেখের ছেলে। তিনি ভাঙ্গা বাজার বাসস্ট্যান্ডে একটি ফাস্টফুডের দোকান পরিচালনা করতেন।
মৃত সুমনের চাচাতো ভাই জিহাদ শেখ জানান, সুমনের চোয়ালে গুলি লেগেছিল। গুরুতর আহত সুমনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ান দিপু জানান, ভাঙ্গায় মঙ্গলবার রাতের সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বুধবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা কিছুক্ষণ সড়ক অবরোধ করে। পরে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৩০ জুন রাত পৌনে ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার কুমার নদের দুই তীরের দুটি মহল্লা কাপুড়িয়া সদরদী ও পূর্ব হাসামদিয়া মহল্লায় সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ টায়ার সেল নিক্ষেপ করে। পরে সুমনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।





