• ই-পেপার

যৌন হয়রানি একটি সংক্রামক রোগে পরিণত হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বরিশালে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মী আটক
সংগৃহীত ছবি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ এর অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলা রয়েছে একইসঙ্গে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয় এমন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারে এই তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন, বাজার রোড এলাকার মাসুম, ২৭ নম্বর রুপাতলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমেদ, কাউনিয়া এলাকার মেহেদী হাসান মিলন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য রাতুল হাং, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের জয় মালী, ধান গবেষণা এলাকার সিরাজুল ইসলাম রাব্বি, ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যকরী সদস্য জনি হাওলাদার, একই ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পি খান, জাগুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জালাল মাঝি, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য পলাশ হাওলাদার, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ এর সদস্য সচিব সোহেল বিশ্বাস, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন শাহীন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

এবার গণপিটুনির শিকার ৪ ডিবিকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
এবার গণপিটুনির শিকার ৪ ডিবিকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক যুবককে অপহরণের চেষ্টাকালো ৪ ডিবি পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ৪ পুলিশ সদস্যসহ মোট ৬ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী অমিত হাসান। এর আগে বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জের গাউছিয়া ও আড়াইহাজার শান্তির বাজারে গণপিটুনির শিকার হন ডিবি পুলিশ সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা দাবী করেছিলেন আসামী গ্রেপ্তার করতে রূপগঞ্জের গাউছিয়া এসেছিলেন তারা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, ডিবি পুলিশের এসআই মামুন মাতুব্বর, এএসআই আমান উল্লাহ, কনস্টেবল কবির, কনস্টেবল আকাশ আহাম্মেদ। তারা সবাই ঢাকা ডিবি দক্ষিণে কর্মরত।

ভূক্তভোগীর বরাত দিয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারগাঁওয়ের বারদী এলাকা থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত অমিত হাসান নামে এক যুবক তার এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে রূপগঞ্জের গাউছিয়া এলাকায় গেলে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে তাকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তিনি আত্মচিৎকার শুরু করলো স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে গাড়ীটির গতিরোধ করে এসআই মামুন, এএসআই আমানউল্লাহ, কনস্টেবল কবিরকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এসময় প্রাইভেটকারটি নিয়ে পালিয়ে যায় আরো ৩ জন।

পরে উত্তেজিত জনতা আটকৃতদের একটি পিকআপে করে আড়াইহাজারের শান্তিনগর বাজারে নিয়ে আসে। সেখানেও আবারও তাদেরকে গনধোলাই দেয়। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত তিন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে প্রথমে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে রাতে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এঘটনায় জড়িত আরেক পুলিশ কনস্টেবল আকাশকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা এর আগেও অপহরণের নাটক সাজিয়ে অমিতের দূরসম্পর্কের মামা জয়নাল এবং সোনারগাঁওয়ের জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে কেরানীগঞ্জে নিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা মুক্তিপণ আদায়ের করেছিল।

গ্রেপ্তারকৃত পুলিশ সদস্যরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা না জানিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় এসে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত করে পরবর্তি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশ।

এ ঘটনায় শুক্রবার ৪ পুলিশ সদস্যসহ মোট ৬ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী অমিত হাসান।

নান্দাইলে মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
নান্দাইলে মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ময়মনসিংহের নান্দাইলে মাদক ব্যবসার অভিযোগে উজ্জ্বল মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের গারুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আনন্দ বাজারসংলগ্ন এলাকায় উজ্জ্বল মিয়ার বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দূরদূরান্ত থেকে মাদকসেবী ও ক্রেতারা ওই বাড়িতে আসতেন। এ ছাড়া সেখানে অসামাজিক কর্মকাণ্ডও পরিচালিত হতো।

স্থানীয়রা জানান, বহুবার সতর্ক করা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে অবহিত করার পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জুমার নামাজের পর শত শত মানুষ উজ্জ্বল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় বাড়ির লোকজন দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।

অভিযুক্তের প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজের পর বিপুলসংখ্যক লোকজন বাড়িটিতে হামলা চালায়। পরে ভাঙচুরের পর কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দেয়। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেছি।’

এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোথাও তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের দুর্নীতি ও দায়িত্বহীনতা বরদাশত করা হবে না : স্বাস্থ্যসচিব

কালাই(জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের দুর্নীতি ও দায়িত্বহীনতা বরদাশত করা হবে না : স্বাস্থ্যসচিব
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শ করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সঙ্গে কোনো ধরনের অবহেলা, হয়রানি, খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘জনগণ চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসে শেষ ভরসা নিয়ে। সেই ভরসার জায়গায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতা বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিটি রোগীকে মানবিক আচরণ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য সচিব হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, পুরুষ ও নারী ওয়ার্ড, প্রসূতি বিভাগ, শিশু ওয়ার্ড, প্যাথলজি বিভাগ এবং রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত খাবারের মান পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

রোগীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও উন্নত করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে।কোথাও কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা সেবায় অবহেলার অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের অধিকার, এটি নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।’

পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য সচিব বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবার মান বাড়াতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন করলেই হবে না, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোভাবেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। রোগীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার এবং দায়িত্বশীলতা স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ, জনবল বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

সচিব জানান, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনো হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সভায় বক্তব্য দেন জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. মো. আল মামুন। তিনি বলেন, ‘জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনগণকে আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও আন্তরিক হতে হবে। রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’

কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ‘সীমিত জনবল ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’

এ সময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহমিদা আক্তার লিনা, ডা. নাহিদ নাজনীন ডেইজী, ডা. আহসান হাবীবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সচিবের এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকলে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও কার্যকর হবে।

যৌন হয়রানি একটি সংক্রামক রোগে পরিণত হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ