• ই-পেপার

শেরপুরে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২১৯ পরীক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকসই শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকসই শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানিয়েছেন, নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ‘মাস্টার ট্রেইনার’ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা আরো প্রশিক্ষক তৈরি করবেন এবং পর্যায়ক্রমে দেশের হাজারও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

বুধবার (১ জুলাই) কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত সিনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি)’ এর প্রথম ব্যাচের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে দক্ষ ও দূরদর্শী একাডেমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তার ভাষ্য, এই কর্মসূচি শুধু একটি প্রশিক্ষণের সমাপ্তি নয়; বরং দেশের উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশের নতুন যাত্রার সূচনা। আজ যারা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে সনদ পেলেন, তারা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত উন্নয়ন, মানসম্মত পাঠদান, গবেষণা নেতৃত্ব, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবেন।

মামুন আহমেদ বলেন, হিট প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে আরো জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক তৈরি করা হবে। মাস্টার ট্রেইনার ও ন্যাশনাল ট্রেইনারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষক আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, মান নিশ্চিতকরণ, গবেষণা নেতৃত্ব, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং শিল্প– একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন।

ইউজিসির চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি সহায়তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীল না থেকে দেশেই দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরির মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সক্ষমতা দিয়েই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, অ্যাডভান্স এইচইর পরামর্শক ড. বেন ব্রাবন, দেশীয় পরামর্শক, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন মাস্টার ট্রেইনার এবং হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দশ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে কৌশলগত সুশাসন, মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদান ও মূল্যায়ন, গবেষণা নেতৃত্ব এবং শিল্প– একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ উচ্চশিক্ষার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

জাবিতে হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা, শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা, শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানো হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে হল প্রশাসন।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম জনাব আরিফ হাসনাত শামীম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৫৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক ছাত্র।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) হলের ওয়ার্ডেন ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল নোটিশে এ তথ্য জানা যায়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুন (২০২৬) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৩য় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমা খচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

হল প্রশাসন জানিয়েছে, উক্ত কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে আরিফ হাসনাত শামীম এ ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।

এমতাবস্থায়, এই বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখ সকাল ১০ টার মধ্যে হলের অফিসে লিখিত বক্তব্য দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, ‘আমরা যখনই এ বিষয়ে অবগত হয়েছি, আমরা পরবর্তীতে ব্যবস্থা নিয়েছি। এখন সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিষয়, তাদের নির্দেশেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

 এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি তালেবান নাকি কালেমা খচিত, এটা তদন্ত কমিটি দেখবে। এইটা কি পতাকা ছিল, যে টানাইছে সে হয়তোবা শো করবে। প্রশাসন থেকে আমাদের বলা হয়েছে এটা কালেমা। তো সেইজন্য আমরা এটাকে কালেমা লিখছি। আমরা তো জানি না এইটা তালেবানের পতাকা নাকি অন্য পতাকা।’

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বাসস
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়া রোধে ছবি আঁকা, মাটির কাজ ও বিভিন্ন উপকরণ তৈরির মাধ্যমে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

সম্প্রতি ডিপিইর পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগ এসংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’ কর্মসূচির আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, বর্তমানে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিক্ষক সহায়িকা রয়েছে। এসব সহায়িকার আলোকে শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন ছবি আঁকতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে।

পাশাপাশি মাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করাতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পকর্ম শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে তারা উৎসাহিত ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

এতে আরো বলা হয়, শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়কে প্রিয় ও নিরাপদ স্থান হিসেবে অনুভব করবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকার প্রতিও তাদের আগ্রহ বাড়বে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন্দুয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৪ পরীক্ষার্থী

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
কেন্দুয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৪ পরীক্ষার্থী
ছবি : কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ৫৪ জন পরীক্ষার্থী। যার গড় অনুপস্থিতির হার ২.৮৮ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলার ৪টি কেন্দ্র ও ২টি ভেন্যু কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এসব কেন্দ্রে এবার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ১ হাজার ৮৯০ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ হাজার ৮৩৬ জন পরীক্ষার্থী। সে হিসাব অনুযায়ী ৫৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেনি। 

পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ২৭ জন, সান্দিকোনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬ জন, ভরাপাড়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬ জন, কারিগরি শাখায় কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৬ জন, ওরিয়েন্ট টেকনিক্যাল ও বি এম কলেজ কেন্দ্রে ৯ জনসহ মোট ৫৪ জন অনুপস্থিত ছিল। 

এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শফিকুল বারী বলেন, ‘আজ বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা খুব সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়নি। তবে এ বছর উপজেলার ৪টি মূল কেন্দ্র ও ২টি ভেন্যু কেন্দ্রে ৫৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।’