খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্যের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রতিবেদকের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।
গত ৯ জুন দৈনিক কালের কণ্ঠে ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক সংবাদে উপাচার্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এখানে প্রচুর দর্শক আসে। যেহেতু খুলনায় তেমন বিনোদনকেন্দ্র নেই। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।’
এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি অফিস আদেশ জারি করে সংবাদটির প্রতিবাদ জানায় এবং ব্যাখ্যা চায়। প্রশাসনের দাবি, উপাচার্যের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং এর সারবস্তু বিকৃত করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।
তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক। তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।
প্রতিবেদক বলেন, ‘খুবির উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম উক্ত বক্তব্য দেওয়ার আগে ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো যে’ বলে বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সেই গুরুত্ব বিবেচনায় আমি উদ্ধৃতিটি কোট করেছি। আমি কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা বিকৃত করে বক্তব্য উপস্থাপন করিনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করারও কোনো চেষ্টা করিনি।’
সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রতিবেদকের মধ্যে ভিন্ন অবস্থান তৈরি হয়েছে। প্রশাসন বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুললেও প্রতিবেদক তার প্রতিবেদনের তথ্য ও উদ্ধৃতির যথার্থতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।





