• ই-পেপার

চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু

  • অষ্টম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ে তোমরা শিল্পী নন্দলাল বসুর সম্পর্কে জেনেছ। উপমহাদেশের অন্যতম এই বাঙালি চিত্রশিল্পীর বিষয়ে আরো যা জানতে পারো—

‘বাহ! শিবির চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’—ছাত্রদলের স্লোগানে উত্তাল ঢাবি

অনলাইন ডেস্ক
‘বাহ! শিবির চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’—ছাত্রদলের স্লোগানে উত্তাল ঢাবি
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়াকে কেউ অপহরণ করেনি, বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ করেন এবং এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার তথ্য দেয় পুলিশ। এরপরই শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ‘আমির থেকে সমর্থক, সব শালারা ধর্ষক’, ‘বাহ শিবির চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’ ইত্যাদি স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। তবে মিছিলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন নাছির ও সভাপতি রাকিবুল ইসলামকে দেখা যায়নি।

এর আগে শুক্রবার কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে জিসানকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের পর জিসান দাবি করেছিলেন, তাকে গাড়িতে করে অপহরণ করা হয়েছিল। তবে পুলিশ জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি নিজেই আত্মগোপন করেছিলেন।

জিসান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা (পশ্চিম) জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন।

পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ মে জিসান দাউদকান্দির একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করানো হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান শুক্রবার বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ে না করার টালবাহানা থেকে বৃহস্পতিবার তিনি আত্মগোপনে যান। ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে তিনি তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করান।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘নিখোঁজ শিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জেরে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।’
 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে পরীক্ষা ফি

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে পরীক্ষা ফি
সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য এখন থেকে নির্ধারিত ফি দিতে হবে। পরীক্ষা পরিচালনার খরচ সামাল দিতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

সচিব জানান, এখন থেকে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শ্রেণিভেদে নির্ধারিত ফি নেওয়া হবে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

হঠাৎ এই ফি নির্ধারণের কারণ ব্যাখ্যা করে গণশিক্ষা সচিব বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের যে স্লিপ বরাদ্দ দেওয়া হয় তা দিয়ে অনেক সময় পরীক্ষা আয়োজনের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, শিক্ষকদের নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়। শিক্ষকদের ওপর এমন ব্যক্তিগত আর্থিক চাপ তৈরি হওয়া কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। তাই নির্ধারিত সীমার মধ্যে এই অর্থ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়।’

এ সিদ্ধান্তের ফলে জনমনে বা অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে–এমনটি ধরে নিয়েই সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আমি নিজেই ব্যাখ্যা দেব। দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়েও অনেক বেশি হারে পরীক্ষা ফি নেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ না দিয়ে পরীক্ষার মতো জরুরি একটি কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা করা।’

তবে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশার কথাও শুনিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারি স্লিপের বরাদ্দ কিছুটা সীমিত হলেও ভবিষ্যতের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকেই বিদ্যালয়গুলো আগের চেয়ে তুলনামূলক বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সঞ্চালনায় এই সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) ছাইফুল ইসলাম এবং অ্যাসোসিয়েশনের হলদে পাখি কমিশনার বেলা রাণী সরকারসহ অন্য আঞ্চলিক কমিশনাররা।

শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের ৬৫ হাজার শিক্ষক অবসর সুবিধার টাকা পাননি। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি ন্যূনতম থেকে এক লাখ টাকা এই বছরের জুলাইয়ে দেওয়া শুরু করবো। শিক্ষকদের সব পাওনা পরিশোধ করা হবে। থোক বরাদ্দ পেয়েছি এটা নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করবো।

গতকাল শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪-তলা বিশিষ্ট ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মিলন বলেন, শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ রয়েছে, সেটাকে শতভাগ করার জন্য আমাদের প্রস্তাব রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ শতাংশ চেয়েছিলাম। এটা আগামী দিনে শুরু হবে। বাজেট হওয়ার পরে ক্রমান্বয়ে শতভাগ উৎসব ভাতা পাবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্কুলে হেডমাস্টারদের অভাব রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ হেডমাস্টার নিয়োগের বিষয়টি আদালতে স্থগিত থাকার কারণে আমরা মামলাটি নিষ্পত্তি করার জন্য কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মামলা জটিলতার জন্য আমরা দিতে পারছি না। সর্বমোট ৮৩ হাজার ৫০০ মামলা রয়েছে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে। আমরা অ্যার্টনি জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে যাচ্ছি।

গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শেখ মো. আকিজ গবেষণায় এবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছেন। তিনি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড বায়োডাইভারসিটি ফোরাম (WBF) ২০২৬-এ গবেষণা উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এর পাশাপাশি তিনি বিশ্ব জীববৈচিত্র্য ফোরামের প্রতিযোগিতামূলক আর্লি ক্যারিয়ার রিসার্চ গ্রান্ট এবং ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোরের টার্নার রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। এসব স্বীকৃতির মাধ্যমে তিনি গবেষণা ও ভ্রমণ বাবদ ৫ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি সহায়তা পেয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ আরো সুদৃঢ় করেছে।

আগামী ১৪ থেকে ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক আয়োজন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

শেখ মো. আকিজ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোরের মেরিক স্কুল অব বিজনেসে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ অধ্যয়ন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ইনোভেশনে (সিইআই) গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফোরামে তিনি ‘প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন সার্কুলার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রকৃতি, মানুষ ও পুঁজির সংযোগ’ শীর্ষক গবেষণা উপস্থাপন করবেন। গবেষণাটিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার একটি নতুন কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

গবেষণার মূল ধারণা হলো, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। এতে বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই ও বাস্তবভিত্তিক সমাধান তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় শেখ মো. আকিজ জানান, আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে গবেষণা উপস্থাপনের সুযোগ পাওয়া তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। তিনি বিশ্বাস করেন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান তৈরি করা সম্ভব।

এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৃত্তি এবং সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইউপিএস-স্পন্সরড মু কাপা টাও স্কলারশিপ, সিগমা নু টাও ফাউন্ডার্স স্কলারশিপ, টার্নার রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ইনস্টিটিউটের অ্যালব্রেখ্ট ফেলোশিপ স্কলারশিপ এবং ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোর গ্লোবাল ফিল্ড স্টাডি স্কলারশিপ।

তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মানসূচক একাডেমিক ও পেশাগত সংগঠনের আজীবন সদস্য। এর মধ্যে রয়েছে বেটা গামা সিগমা (আন্তর্জাতিক বিজনেস অনার সোসাইটি), ওমিক্রন ডেল্টা কাপা (জাতীয় নেতৃত্ব অনার সোসাইটি), সিগমা নু টাও (জাতীয় উদ্যোক্তা অনার সোসাইটি), মু কাপা টাও (জাতীয় মার্কেটিং অনার সোসাইটি) এবং সিগমা আয়োটা এপসিলন (জাতীয় সম্মানসূচক ও পেশাগত ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি)।

চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু | কালের কণ্ঠ