• ই-পেপার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ৯ নির্দেশনা

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণে কন্ট্রোল রুম চালু, ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার এবং কেন্দ্রে প্রবেশের সময়সূচি সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে বোর্ড। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। 

কন্ট্রোল রুম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা, তথ্য বা জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে পারবেন।

কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর-

  • ০২-২২৩৩৬৯৮১৫
  • ০১৫৫০৪১১২০৩
  • ০১৭১৪৯৯৪০৭৩
  • ০১৭৫৬১০৩১৫২

এছাড়া ই-মেইল করা যাবে [email protected]-এই ঠিকানায়।

ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার প্রসঙ্গে বোর্ড জানায়, পরীক্ষার্থীরা সাধারণ ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে নন-প্রগ্রামেবল কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ক্যালকুলেটরের মডেলগুলো হলো— এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস এবং এফএক্স-৯৯১সিডাব্লিউ।

পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে প্রবেশ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, কেন্দ্রের আশপাশে যানজট ও জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের জন্য শুধু পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশসংক্রান্ত পূর্বের সব নির্দেশনা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। পরীক্ষাকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে।

চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে ফের তদন্ত কমিটি, ব্যক্তিগত আক্রোশের অভিযোগ ঢাবি অধ্যাপকের

অনলাইন ডেস্ক
চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে ফের তদন্ত কমিটি, ব্যক্তিগত আক্রোশের অভিযোগ ঢাবি অধ্যাপকের
অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) অধ্যাপক মুশতাক আহমদ ও অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ ওঠে। ওই বছরের বোর্ড অব গভর্ন্যান্সের (বিজি) ১১৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎকালীন উপ-উপাচার্যকে (শিক্ষা) আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আরো ছিলেন তৎকালীন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও ফিন্যান্স বিভাগের একজন অধ্যাপক।

তদন্ত শেষে কমিটি মত দেয়, অস্ট্রেলিয়ায় জমা দেওয়া গবেষণাপত্রটি সংশোধন সাপেক্ষে প্রকাশের জন্য বিবেচিত হয়েছিল, তবে তা চূড়ান্তভাবে গৃহীত বা প্রকাশিত হয়নি। কারণ, সংশ্লিষ্ট সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটির কোনো খণ্ডসংখ্যা, সংখ্যাক্রম বা প্রকাশকাল উল্লেখ ছিল না। ফলে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তৎকালীন উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিজি সর্বসম্মতিক্রমে ওই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক জানান, এই বিষয়টি মীমাংসিত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় (২০২৫ সালের ৩০ জুলাই) হয়রানির উদ্দেশ্যে কতিপয় শিক্ষক তার বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ জমা দেন। এরপর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিনের মতামতের ভিত্তিতে এসএমটি সভায় বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আইন উপদেষ্টার মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আইন অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক করে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা যায়, সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটির লেখক ছিলেন মোট তিনজন। তবে পুনরায় যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, সেখানে শুধু অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের নাম উল্লেখ করে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রোশ ও হিংসাবশত করা হয়েছে বলে অভিযুক্ত মনে করছেন।

অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক বলেন, ‘বিজির সিদ্ধান্তে আমাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। ওই ঘটনার পর প্রফেসর হয়েছি ৮ বছর হয়ে গেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষাখাতে আমার অবদানে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে অভিযোগ দিয়েছে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এমপিও বন্ধ হতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
এমপিও বন্ধ হতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তালিকা প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের ভুল তথ্য জমা দেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশ জারি করেছে। মাউশির বেসরকারি কলেজ-৩ শাখা থেকে নোটিশটি প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থগিতের সুপারিশ করা হতে পারে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) হতে প্রাপ্ত তথ্যাদি যাচাইয়ের নিমিত্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন পরিচালক (সব), আঞ্চলিক কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক পরিচালকরা কলেজ পর্যায়ের সব শূন্যপদের সঠিকতা যাচাইপূর্বক নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি পাঠান।

প্রাপ্ত প্রতিবেদনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিম্নবর্ণিত কারণে ২৩৭টি পদ Incorrect বা ভুল চাহিদা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে চাহিদা প্রদান; সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাম্য শিক্ষার্থী নেই; ভুল চাহিদা প্রদান; সংশ্লিষ্ট পদের বিপরীতে মামলা চলমান থাকলেও ই-রিকুজিশনে চাহিদা প্রদান; শিক্ষক প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ই-রিকুজিশনে চাহিদা প্রদান; যাচাইয়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যথাসময়ে তথ্য সরবরাহ না করার মতো ঘটনা রয়েছে।

নোটিশে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১৮.১(ঘ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ বা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধে কেন এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। একই সঙ্গে গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে মতামতও জানাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে তাদের জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়

দেশের মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুততম সময়ে নিরসনের লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করায় খুব শিগগিরই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তিতে বিলম্বের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘জুন মাসের ১৬ তারিখেও মাদরাসার কোনো শিক্ষককে বেতন দেওয়া হয়নি। একজন শিক্ষক টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসা করতে পারছেন না।’ বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংসদে উত্থাপিত এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় বলছে, ২০১৭ সালে প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন করা হয়েছিল। তবে, বিগত সরকারের সময় প্রকল্পটি থেকে স্বয়ংক্রিয় ‘ইএফটি’ কার্যক্রম বাদ দিয়ে অনুমোদন দেওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও দ্রুত পরিশোধের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার এই সমস্যা নিরসনে প্রকল্পটিতে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে। গত ৯ জুন একনেক সভায় ইএফটি কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে ‘এমইএমআইএস সাপোর্ট (২য় সংশোধিত) (প্রস্তাবিত ৩য় সংশোধন)’ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে এই সংশোধিত প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, পূর্বে এই প্রকল্পের আওতায় দেশের আটটি বিভাগের মাত্র আটটি মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক বা পাইলটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইএফটি-এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হতো। এই নির্দিষ্ট আটটি প্রতিষ্ঠান ব্যতীত দেশের অন্য সব মাদরাসায় বর্তমানে ম্যানুয়াল বা অ্যানালগ পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়া করতে হচ্ছে। আর এই সনাতন পদ্ধতির কারণেই প্রতি মাসে শিক্ষকদের বেতন পরিশোধে কয়েকদিন বিলম্ব হচ্ছে।

খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ৯ নির্দেশনা | কালের কণ্ঠ