• ই-পেপার

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানকে সরানো হচ্ছে না : বাংলাদেশ ব্যাংক

মে মাসে রেমিট্যান্স এলো ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার

অনলাইন ডেস্ক
মে মাসে রেমিট্যান্স এলো ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার

চলতি বছরের মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। 

এর আগে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল গত মার্চে। সেই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্যবিদায়ী মে মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৬ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩৮ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দরপতন, দেশে ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনার বড় দরপতন, দেশে ভরি কত?
সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মোড় নেওয়ায় বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলার ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার দীর্ঘ সময় চড়া রাখার নীতিকে জোরালো করছে। এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে। সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই মূল্যবান ধাতুর দাম বড় পতনের মুখে পড়েছে। খবর রয়টার্স

বাজারসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪৯৮ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে। অথচ এর আগের শুক্রবারেই সোনার দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছিল। এ নিয়ে সদ্য সমাপ্ত মে মাসে সোনার দাম কমল শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ, যা টানা চতুর্থ মাসের মতো ধাতুটির দরপতন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে গোল্ড ফিউচার্সের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৮ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের দাম কিছুটা বাড়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য সোনা কেনা এখন আগের চেয়ে ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। ফলে সোনার চাহিদা কমছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক অনলাইন ব্রোকার সংস্থা অ্যাক্টিভট্রেডসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বলেন, হরমুজ প্রণালির সংকট কাটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা নিয়ে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, তা ম্লান হয়ে গেছে। ফলে জ্বালানির দাম আবারও লাফিয়ে বাড়ছে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর পথ থেকে পিছিয়ে আসতে পারে।

সোনার বাজার বিশেষজ্ঞরা জানান, তেলের বাজার চাঙ্গা হলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। সাধারণত মূল্যস্ফীতির ধাক্কা সামলাতে বিনিয়োগকারীরা সোনা কিনে রাখেন। তবে সুদের হার উচ্চ থাকলে সোনা তার আকর্ষণ হারায়। কারণ, সোনা নিজের কাছে জমিয়ে রাখলে কোনো সুদ বা লভ্যাংশ পাওয়া যায় না।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো মার্চেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (সিএমই) ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা এখন ধারণা করছেন—ফেড চলতি বছরই সুদের হার আরেক দফা বাড়াতে পারে। আগামী ডিসেম্বরে সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা এক-চতুর্থাংশ বাড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

বাজারের পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন হবে, তা জানতে বিনিয়োগকারীরা এখন চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছেন। এর মধ্যে রয়েছে মে মাসের কর্মসংস্থান (পে-রোল) প্রতিবেদন ও উৎপাদন খাতের জরিপ।

সোনা কমলেও বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম মিশ্র অবস্থায় রয়েছে। রুপার দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৭৯ ডলারে উঠেছে। প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯২৫ দশমিক ২৬ ডলার। তবে আরেক মূল্যবান ধাতু প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৪৩ দশমিক ৫৫ ডলারে নেমে এসেছে।

 দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
সংগৃহীত ছবি

ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে দেশের শেয়ারবাজারে আবারও স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হয়েছে। ঈদের পর প্রথম কার্যদিবস আজ সোমবার (০১ জুন) লেনদেনের শুরুতেই পুঁজিবাজারে বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ও চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় লেনদেনের প্রথম আধা ঘণ্টাতেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৩৩ পয়েন্টের ওপরে চলে যায়। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সূচক ও লেনদেনের গতি দুই-ই সমানতালে বাড়ছে।

আজ সকাল ১২টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই দরবৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের, দর কমেছে ১৪০টি প্রতিষ্ঠানের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানের।

বাজারের এই চাঙ্গা ভাব বজায় থাকায় এ সময় পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক (ডিএসইএক্স) এক লাফে ৩১ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১০ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক বেড়েছে ৩ পয়েন্ট। প্রথম সাড়ে তিন ঘণ্টার এই সময়ে ডিএসইতে মোট ৫৬০ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রথম এক ঘণ্টায় ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এ সময় পর্যন্ত ১৩ পয়েন্ট বেড়েছে। বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৮ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩টির দাম বেড়েছে, ১৩টির কমেছে এবং বাকি ৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটির ঠিক আগের টানা পাঁচ কার্যদিবসেও শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ঈদের পর প্রথম দিনে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজার এই বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ও এর প্রয়োজনিয়তা।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার সোমবার (০১ জুন, ২০২৬) বিনিময় হার—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৪৩ টাকা ৩৪ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ৩৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৯৫ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৭৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৫৪ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ৭২ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৩৫ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময়হার পরিবর্তন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন।