• ই-পেপার

ঈদের আগে ৪ দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা

জুনের ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুনের ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

আম উৎপাদনে প্রসিদ্ধ এলাকায় শনিবার ব্যাংক খোলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আম উৎপাদনে প্রসিদ্ধ এলাকায় শনিবার ব্যাংক খোলা
সংগৃহীত ছবি

মৌসুমে ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের আম বাজারসংলগ্ন ব্যাংক শাখা সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সীমিত পরিসরে খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার লেটার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলমান আমের মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী আম বাজারে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেন হচ্ছে। এসব এলাকায় নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও জমা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সংরক্ষণজনিত ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ, সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা; নওগাঁ জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা এবং রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন আম বাজারসংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখা আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রতি শনিবার সীমিত পরিসরে খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে নিজ নিজ বিবেচনায় এসব শাখা ও উপশাখা পরিচালনা করতে হবে।

সার্কুলারে আরো বলা হয়, ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. আবদুল মান্নান সই করা সার্কুলারটি বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো জট নিরসনে স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট সেবা কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমাতে এর বাইরে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন পৃথক একটি কার্গো ভিলেজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
 
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইইউ উত্থাপিত নন-ট্যারিফ বাধাসংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সংকট ও তা নিরসনের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।


 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শুক্র ও শনিবার বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম সীমিত থাকায় বিমানবন্দরে জমে থাকা কার্গোর পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যাচ্ছে না। ফলে স্থায়ী অবকাঠামোগত সমাধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ছুটির দিনেও কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা সচল রাখা প্রয়োজন।
 
তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দর কোনো গুদাম বা দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণাগার নয়; এটি মূলত পণ্য আগমন ও বহির্গমনের একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে কার্গো দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অবস্থান করলে পুরো ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হয় এবং সংকট দেখা দেয়।’
 
কার্গো ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে বিমানবন্দরের বাইরে নিরাপদ ও আধুনিক সংরক্ষণ সুবিধাসম্পন্ন একটি পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরের চাহিদা মাথায় রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কার্গোর প্রকৃতি অনুযায়ী হ্যাজার্ডাস, নন-হ্যাজার্ডাস, দ্রুত সরবরাহযোগ্য (ফাস্ট-মুভিং) এবং ধীরগতির (স্লো-মুভিং) পণ্যের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হলে কার্গো পরিচালনা আরো দক্ষ, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে।
 
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে প্রতিদিন বিমানবন্দরে যে পরিমাণ কার্গো আসছে, প্রায় সমপরিমাণ পণ্য খালাসও হচ্ছে। তবে আগে থেকে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ কার্গো দ্রুত কমানো সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টদের মতে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কার্যক্রম সীমিত থাকাও এ অবস্থার অন্যতম কারণ।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি—উভয় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েই কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠক করে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
 
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে অবতরণ করা একটি উড়োজাহাজ এবং বিমানবন্দরে পণ্য খালাসের অভিজ্ঞতাই বিদেশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশের প্রথম পরিচয়। সেই অভিজ্ঞতা কোনোভাবেই নেতিবাচক হওয়া উচিত নয়। তাই এ সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।’


বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমানবন্দরের কার্গো জট শুধু ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতিই করছে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আগামী সাত দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানোর আহ্বান জানান।
 
তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই দ্রুত কার্গো জট কমিয়ে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।’
 
আফরোজা খানম আরো বলেন, আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্যের দ্রুত নিষ্পত্তি এবং বিকল্প সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্গোর ওপর চাপ কমানো সম্ভব। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সমস্যা থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে; হুমকি বা কর্মবিরতির মতো পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে।
 
সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, বিমানবন্দরের কার্গো ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণ, দ্রুত পণ্য খালাস এবং আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিক সেবা নিশ্চিত করা গেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে।
 
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, কার্গো অপারেটর এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানাম করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৫ জুন ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৩৯ টাকা ৪০ পয়সা
পাউন্ড : ১৬১ টাকা ৬০ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ২৩ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৪ টাকা ৬৮ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৫৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ২৯ টাকা ৮১ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৩ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলা বাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

ঈদের আগে ৪ দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা | কালের কণ্ঠ